সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফাঁসির হাত থেকে মুক্তি পেতে এবার নয়া কৌশল নির্ভয়া মামলার অন্যতম আসামি মুকেশ সিং-এর (Mukesh Singh)। মুকেশ দাবি করে, অপরাধের দিন তিনি দিল্লিতে ছিলেন না। তাই তার মৃত্যুদণ্ডে স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। মুকেশের এই দাবি নিয়েই ফের জল্পনা শুরু আইনজীবীদের মধ্যে।
আট বছর পর নয়া স্বীকারোক্তি নির্ভয়া মামলার অন্যতম ধর্ষক মুকেশ সিংয়ের। দিল্লিতে ঘটনার দিন অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১২ সালে মুকেশ দিল্লিতেই ছিল না। দিল্লির এক আদালতে এমনটাই এই দাবি করেছে মুকেশ সিং। মৃত্যুদণ্ড রদ করার চেষ্টায় এপর্যন্ত কোনও খামতি রাখেননি এই চার ধর্ষক। ধর্ষকদের আইনজীবী এ.পি সিং আন্তর্জাতিক আদালতে এই মামলাকে নিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ জানান। তবে এতদিন বাদে ধর্ষক মুকেশ সিংয়ের এই দাবিতে ফের শোরগোল বাধল বিচারক মহলে।
মুকেশের আরজিতে জানানো হয়েছে, ১৭ ডিসেম্বর তাকে রাজস্থান থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু সে ১৬ ডিসেম্বর মুকেশ দিল্লিতে ছিল না। তার এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি আইনজীবী জানান, মুকেশের এমন দাবি ভিত্তিহীন এবং ফাঁসি পিছিয়ে দেওয়ার কায়দা ছাড়া কিছু নয়। তবে করোনা সংক্রমণের জেরে ভারতের উচ্চ থেকে নিম্ন সমস্ত আদালত বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত বিচারক ধর্মেন্দ্র রানা পরে এই মামলার রায় দেবেন বলে জানান। মুকেশ জানিয়েছে, তার উপরে তিহার জেলের অভ্যন্তরেও অত্যাচার করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ৫-৬ দিন অন্তর দ্বিগুণ হচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দেশের পরিসংখ্যান]
৫ মার্চ নির্ভয়া মামলার চার অপরাধী মুকেশ সিং, পবন গুপ্তা, বিনয় শর্মা ও অক্ষয় সিংয়ের নামে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়। ২০ মার্চ ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় তাদের ফাঁসি হওয়ার কথা। তার আগেই প্রতিবারের মত ফাঁসি ঠেকাতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছে বলে মত বাকি আইনজীবীদের।
[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত চিকিৎসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ, আতঙ্কে সেল্ফ কোয়ারেন্টাইনে কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী]
সর্বশেষ খবর
-
ওবিসি জটেই ঝুলে! ৩১ আগস্টের মধ্যে হচ্ছে না ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, জানিয়ে দিল এসএসসি
-
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, অভিষেকের ক্রিকেট কেরিয়ার কি শেষ? কী ভাবছে দিল্লি ক্যাপিটালস, সিএবি?
-
দাড়িভিটে নিহত ছাত্রদের সম্মান জানাতে উদ্যোগী এবিভিপি, ২০ সেপ্টেম্বর ভাষা দিবস পালনের ডাক
-
নিউটাউনের পর পূর্বস্থলী! ঘরে তরুণীর দেহ, জেরায় অসঙ্গতি থাকায় আটক লিভ-ইন সঙ্গী
-
FCRA বিল নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, দরকারে ‘ঠান্ডা ঘরে’ পাঠাতে রাজি সরকার! দাবি সূত্রের