Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
'আজাদি' স্লোগান

নজিরবিহীন! লোকসভায় কংগ্রেস সাংসদদের গলায় কানহাইয়ার ‘আজাদি’ স্লোগান

বিক্ষোভের জেরে লোকসভায় ব্যাহত প্রশ্নোত্তর পর্বও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০, ১৭:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০, ১৭:২২

options
link
নজিরবিহীন! লোকসভায় কংগ্রেস সাংসদদের গলায় কানহাইয়ার ‘আজাদি’ স্লোগান zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: মিছিল, সভার পর এবার ‘আজাদি’ স্লোগানে সরগরম সংসদও। সোমবার লোকসভা অধিবেশনের শুরুতেই কংগ্রেস সাংসদরা হাতে CAA-NRC বিরোধী পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভে শামিল হন। মূহুর্মূহু স্লোগান উঠতে থাকে – ‘NRC সে আজাদি, CAA সে আজাদি।’ নেতৃত্বে ছিলেন অসমের কোলিয়াবরের সাংসদ গৌরব গগৈ। জামিয়া মিলিয়া, শাহিনবাগে পরপর হামলার ঘটনা নিয়েও সরব হন তাঁরা। এসবের জেরে অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বের পর আর লোকসভার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। দিনের প্রথমার্ধ্ব অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। রাজ্যসভায় অবশ্য বিরোধীদের হইহট্টগোলের জেরে এদিন কোনও কাজই শুরু করা যায়নি।

তরুণ বামনেতা কানহাইয়া কুমারের হাত ধরে দেশবাসী শুনেছিলেন ‘আজাদি’ স্লোগান। NRC-CAA নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে দিল্লির রাজপথ থেকে তা ছড়িয়ে পড়েছে দেশের সর্বত্র। কেন্দ্রের বিরোধিতায় এখন সর্বত্রই কানহাইয়ার স্বর প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তবে নজিরবিহীনভাবে এবার আন্দোলনের সেই ধারালো স্লোগান ঢুকে পড়ল সংসদের অভ্যন্তরে। সবচেয়ে বড় বিরোধী দল কংগ্রেস সাংসদরাই এবার তুললেন ‘আজাদি’ স্লোগান। সোমবার অধিবেশনের শুরুতেই লোকসভা কক্ষ মুখর হয়ে উঠল – ‘NRC সে আজাদি, CAA সে আজাদি’ – এই বাক্যবন্ধে। জামিয়া, শাহিনবাগে ঘনঘন গুলিচালনার ঘটনা নিয়েও প্রতিবাদে ফেটে পড়েন তাঁরা। যার জেরে প্রথমার্ধ্বে লোকসভার কাজ কিছুটা ব্যাহত হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হিন্দু মহাসভার সভাপতির খুনিকে ধরতে মরিয়া পুলিশ, প্রকাশ্যে সন্দেহভাজনদের ছবি]

তবে কংগ্রেসের প্রতিবাদের তালিকা আরও লম্বা। এক ঘণ্টার প্রশ্নোত্তর পর্বে আজ ছিল অর্থ বিষয়ক আলোচনা। তাতে গরহাজির ছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। কিন্তু যতবারই অনুরাগ বলার জন্য উঠে দাঁড়াচ্ছিলেন, ততবারই স্লোগান তুলে তাঁকে বক্তব্য পেশ করতে বাধা দিচ্ছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা।

কিছুক্ষণ এসব চলার পর শাসকদলের সাংসদরা পালটা নিন্দায় মুখর হন। বলা হয়, যাঁরা গণতন্ত্র বাঁচানোর কথা বলছেন, তাঁরাই আলোচনায় বাধা দিয়ে গণতন্ত্রকে বিপন্ন করে তুলছেন। তাঁদের উচিত, জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের কর্তব্য ঠিকমতো পালন করা। এদিকে, লাগাতার বিক্ষোভের জেরে প্রশ্নোত্তর পর্বের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রশ্ন করতে পারেননি হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তাতে তিনি ক্ষিপ্ত হন। সংসদের বাইরে বেরিয়ে জামিয়ার পড়ুয়াদের সমর্থন করে বলেন, ”ছেলেমেয়েদের আন্দোলনের পাশে আছি।” উল্লেখ্য, NRC-CAA বিরোধিতায় এমনিতে সবচেয়ে বেশি সরব হলেও, এদিন সংসদে কংগ্রেসের সঙ্গে বিক্ষোভে শামিল হননি তৃণমূল সাংসদরা।

[আরও পড়ুন: অসমে তেলের পাইপলাইনে বিস্ফোরণ, নদীবক্ষে দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.