Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
রেল

প্রয়োজনে আরও যাত্রীবাহী ট্রেন চালাতে প্রস্তুত রেল, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান

আর্থিক ক্ষতি রুখতে পণ্য পরিবহণে জোর দিয়েছে রেল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২০, ১৪:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২০, ১৪:০০

options
link
প্রয়োজনে আরও যাত্রীবাহী ট্রেন চালাতে প্রস্তুত রেল, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান zoom

সুব্রত বিশ্বাস: প্রয়োজনে আরও যাত্রীবাহী ট্রেন চালাতে প্রস্তুত রেল। এর জন্য সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে প্রস্তুতি সেরে ফেলা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান বিনোদ কুমার যাদব।  তবে চাহিদা না বাড়লে এই মুহূর্তে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের সংখ্যা বাড়ানো হবে না বলেও জানিয়ে দিল রেল। রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, বর্তমানে দেশে ২৩০টি ট্রেন চলছে। যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ট্রেনেই আসন ফাঁকা থেকে যাচ্ছে। বাকি ৩০ শতাংশ ট্রেনে যাত্রী হচ্ছে। এতে প্রমাণ হচ্ছে চাহিদা ততটা নেই। এখন ট্রেন চালনার চেয়ে করোনার এর সঙ্গে লড়াইটা জরুরি। কারণ বিষয়টি মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িত। ফলে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের নির্ধারিত দিনক্ষণ তিনি জানাতে পারেননি। তা সত্বেও তিনি বলেন, “যে যে সেক্টরে ট্রেন চালানোর দরকার পড়বে সেখানে ট্রেন চালাবে রেল। এজন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি রয়েছে রেলের।”

[আরও পড়ুন: হঠাৎ ইস্তফা কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল জিসি মুর্মুর, পরিবর্তে এলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী]

যাত্রীবাহী ট্রেন না চলায় রেলকে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেন, বছরে যাত্রীবাহী ট্রেন থেকে রেলের যায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। যা এখন অনিশ্চিত। তবে এটা চ্যালেঞ্জের মতো, যা রেল নিয়েছে। তবে ট্রেন না চললেও পরিকাঠামোর বহু উন্নতি করা হয়েছে। যা ট্রেন চললে সম্ভব ছিল না। কারণ, এত ট্রাফিক ব্লক নেওয়া সম্ভব হতো না, যা যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধে সম্ভব হয়েছে। রেলের বহু ক্ষেত্র ছিল যেখানে লাইন বোতলের ঘাড়ের মতো সরু হয়ে গিয়েছে। তেমন বহু জায়গায় ত্রুটিগুলি সারিয়ে তোলা হয়েছে। যা আগামীদিনে ট্রেন চলাচল স্মুথ করবে।

Advertisement

যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতি রুখতে পণ্য পরিবহণে জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান বোর্ড চেয়ারম্যান যাদব। মালগাড়ি আগে ২৩ কিলোমিটার বেগে চলতো। এখন যাত্রীবাহী ট্রেন না চলায় গতি হয়েছে ৪৬ কিলোমিটার। গতি দ্বিগুণ হওয়ায় তাড়াতাড়ি পণ্য পৌঁছাচ্ছে। লোডিং-অনলোডিং টার্মিনাল পয়েন্টে উন্নতি করে পণ্য পরিবহণ ব্যবসায় উন্নতি ঘটানো হয়েছে। তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহে যা পণ্য পরিবহণ হয়েছে, তা গত আগের থেকে অনেক বেশি। যা অভূতপূর্ব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। যাত্রীবাহী ট্রেন না চালিয়ে যা ক্ষতি হচ্ছে তা সামলাতে পণ্য পরিবহণ ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বাড়িয়ে ক্ষতি পূরণের চেষ্টা চালান হচ্ছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

[আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়ায় লন্ডভন্ড মুম্বই, ফোনে উদ্ধবকে সাহায্যের আশ্বাস মোদির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.