Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
কোটা

কোটায় শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ১০০ ছাড়াল, প্রশ্নের মুখে রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার

অভিযুক্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ক্লিনচিট দিল গেহলট প্রশাসন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ১৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ১৯:৫৬

options
link
কোটায় শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ১০০ ছাড়াল, প্রশ্নের মুখে রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাসপাতাল যেন মৃত্যুপুরী। গত একমাসে রাজস্থানের কোটায় ১০০টিরও বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অথচ, স্থানীয় প্রশাসন বা রাজ্য সরকার এ নিয়ে এখনও তেমন কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ করতে পারেনি। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত (Ashok Gehlot) শুধু বিবৃতি দিয়েই কাজ সারার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তদন্তে নেমেও বিতর্কিত জে কে লোন হাসপাতাল (JK Lone Hospital) কর্তৃপক্ষের কোনও গাফিলতি খুঁজে পায়নি সরকার। হাসপাতালের কর্মীদের ক্লিনচিট দিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই, একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে কংগ্রেসকে।

Rajasthan Chief Minister Ashok Gehlot

Advertisement

সুশাসন প্রতিষ্টার দাবি নিয়ে বছরখানেক আগেই রাজস্থানে ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। কিন্তু, গত একবছরে অন্তত চিকিৎসা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে গেহলট সরকার খুব একটা উন্নতি করে উঠতে পারেনি তা স্পষ্ট। সরকারি হিসেবে কোটায় শিশুমৃত্যুর সংখ্যাটা ১০২। স্রেফ গত তিনদিনে ১১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই চাপে কংগ্রেস সরকার।

[আরও পড়ুন: ‘সংস্কারের অভাবে বিদেশে গিয়ে গরুর মাংস খাচ্ছে ভারতীয়রা’, বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী]

এদিকে, গেহলত সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে বিরোধীরাও। বিজেপি তো বটেই বিএসপি নেত্রী মায়াবতীও কংগ্রেস এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে খোঁচা দিতে ছাড়ছেন না। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলছেন, “কোটায় মায়েদের এই ক্ষতি আমাদের সভ্যতাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আরও বেদনাদায়ক হল, মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পুরো ঘটনায় নীরব রয়েছেন।” মায়াবতীর বক্তব্য, “কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানে ১০০ শিশুর মৃত্যু বেদনাদায়ক। অথচ, এখনও মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত ও তাঁর সরকার উদাসীন। এটা দুঃখজনক। তবে, এর থেকেও দুঃখজনক কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব বিশেষ করে মহিলা সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়ে মুখ খুলছেন না। এবার যদি তিনি কোটা না যান, তাহলে বুঝতে হবে উত্তরপ্রদেশে এসে তিনি শুধু রাজনৈতিক নাটক করছিলেন।”

[আরও পড়ুন: কড়া ভাষায় মোদি-শাহর সমালোচনা, চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেপ্তার তামিল লেখক-বক্তা]

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী গেহলটকে একটি চিঠিও দিয়েছেন। গেহলট পালটা হর্ষবর্ধনকে চিঠি লিখে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের একটি প্রতিনিধিদলকে কোটায় পর্যবেক্ষণে যেতে অনুরোধ করেছেন। গোটা ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.