Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Jabalpur Boat Tragedy

‘চোখের সামনে মৃত্যুকে দেখলাম’, এখনও যাত্রীদের তাড়া করছে জবলপুরে দুর্ঘটনার আতঙ্ক, বাড়ল মৃতও

বৃহস্পতিবার জবলপুরের বর্গি ড্যামে ডুবে যায় যাত্রীবোঝাই একটি প্রমোদতরী। যাঁরা বিপর্যয় থেকে বেঁচে ফিরেছেন, তাঁদের মনে এখনও জাহাজডুবির আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ২১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ২১:০৭

options
link
‘চোখের সামনে মৃত্যুকে দেখলাম’, এখনও যাত্রীদের তাড়া করছে জবলপুরে দুর্ঘটনার আতঙ্ক, বাড়ল মৃতও zoom
বৃহস্পতিবার জবলপুরের বর্গি ড্যামে ডুবে যায় যাত্রীবোঝাই একটি প্রমোদতরী। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

বেড়ানোর আনন্দ নয়, চোখের সামনে মৃত্যুকে দেখার আতঙ্কই তাড়া করছে জব্বলপুরে নৌকাডুবির (Jabalpur Boat Tragedy) কবলে পড়া যাত্রীদের। বৃহস্পতিবার জবলপুরের বর্গি ড্যামে ডুবে যায় যাত্রীবোঝাই একটি প্রমোদতরী। প্রায় তিনদিন ধরে চলে উদ্ধারকাজ। তবে যাঁরা বিপর্যয় থেকে বেঁচে ফিরেছেন, তাঁদের মনে এখনও জাহাজডুবির আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে। কোনও মতে প্রাণে বাঁচলেও তাঁদের মনে হচ্ছে, মৃত্যুকে একেবারে চোখের সামনে থেকে দেখেছেন।

পরিবারের সকলকে নিয়ে ক্রুজে গিয়েছিলেন আইনজীবী রোশন আনন্দ ভার্মা। বলছেন, “বড় বড় ঢেউয়ের মধ্যে আটকে পড়েছিলাম। প্রায় আধঘণ্টা ধরে জিনিসপত্র সব এদিক-ওদিক ছড়িয়ে পড়ছিল। সঙ্গে সঙ্গে লাইফ জ্যাকেট তুলে দিই সকলের হাতে। লাইফ জ্যাকেট না থাকলে হয়তো সকলেই মারা পড়ত। জাহাজের একটা অংশ পুরোটাই ভেঙে পড়েছিল। মৃত্যুর একদম সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। কোনওমতে আমরা তীরের দিকে সাঁতরে যাই। ভাগ্য ভালো ছিল তাই বেঁচে গিয়েছি।”

Advertisement

রোশন সটান আঙুল তুলেছেন ক্রুজের ব্যবস্থাপনা নিয়ে। তাঁর কথায়, দুর্ঘটনার পর যাত্রীদের কী করা উচিত সেই নিয়ে ক্রুজের কর্মীরা স্পষ্ট করে কিছু বলতেই পারছিলেন না। উদ্ধারের জন্য নৌকা আসতেও অনেক দেরি হয়েছে, ফলে প্রাণহানি বেড়েছে। আবহাওয়া খারাপ হতে পারে, সেরকম পূর্বাভাস থাকার পরেও স্রেফ লাভের আশায় নৌকা চালানো হয়েছে। জানা যায়, অন্ধকার থাকার কারণে নৌকাডুবির পর উদ্ধারকাজ শুরু হতেও বেশ দেরি হয়। রোশনের মতে, উদ্ধারকারী দল যদি তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করত তাহলে হয়তো আরও অনেক প্রাণ বাঁচানো যেত।

জব্বলপুরে নৌকাডুবির পর যখন একের পর এক দেহ উদ্ধার হচ্ছে, তখন দেখা গিয়েছে এক মর্মান্তিক দৃশ্য। চার বছরের ছেলেকে জড়িয়ে ধরে রয়েছেন নিথর মা-এমন দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী রাকেশ সিংও। প্রাথমিকভাবে ৯ জনের দেহ উদ্ধার হয় জলাধার থেকে। বাকি ৪ জনের দেহ মেলেনি ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পরেও। অবশেষে রবিবার তল্লাশি করে ওই চারজনের দেহ মেলে। তাদের মধ্যে রয়েছে ৫ বছরের একটি শিশুও। সবমিলিয়ে এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা যাত্রীদের মতে, আরেকটু সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকলে হয়তো এতগুলো প্রাণ অকালে ঝরে পড়ত না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.