Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

Abhishek Banerjee: ‘ভাষণ নয়, রেশন চাই’, মেঘালয়ের জনসভা থেকে বিজেপি-এনপিপিকে কড়া আক্রমণ অভিষেকের

মেঘালয়কে উত্তর-পূর্বের রাজ্য বলা নিয়েও আপত্তি জানান অভিষেক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৩, ২০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৩, ২০:০১

options
link
Abhishek Banerjee: ‘ভাষণ নয়, রেশন চাই’, মেঘালয়ের জনসভা থেকে বিজেপি-এনপিপিকে কড়া আক্রমণ অভিষেকের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ভাষণ নয়, রেশন চাই।’ মেঘালয়ের প্রচারে গিয়ে ভোটের সুর বেঁধে দিলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee)। দক্ষিণ তুরায় বর্ণাঢ্য পদযাত্রার শেষে জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি। সেখানে একাধারে যেমন তৃণমূলের কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন তেমনই অন্য়দিকে বিজেপি ও এনপিপির শাসনকালের একাধিক সমস্যার উল্লেখও করেন। তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায় উঠে আসে মেঘালয়ের সীমানা সমস্যার কথাও।

জনসভা থেকে অভিষেকের দাবি, “বাংলারও একাধিক রাজ্য়ের সঙ্গে সীমানা রয়েছে। তারপরেও বাংলায় কোনও সমস্যা নেই। বাংলার মানুষের গায়ে সূঁচ বেঁধানোর ক্ষমতা কারওর নেই। অথচ মেঘালয়-অসমের সীমানা সংক্রান্ত সমস্যায় গুলি চলে। প্রাণ যায় মেঘালয়ের নিরীহ বাসিন্দাদের।” বাংলায় কোনও সমস্যা না হওয়ার কারণ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের উপস্থিতিকে তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। এরপরই তাঁর দাবি, মেঘালয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় এলে অকারণে প্রাণহানি ঘটবে না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্য বাজেট ২০২৩: ক’টি নতুন প্রকল্প, কোন খাতে কত বরাদ্দ? দেখে নিন একঝলকে]

মেঘালয়কে উত্তর-পূর্বের রাজ্য বলা নিয়েও আপত্তি জানান অভিষেক। তাঁর কথায়, “মেঘালয় তো পূর্বের রাজ্য, উত্তর-পূর্বের নয়। পূর্বে যেভাবে সূর্য উদয় হয়, মেঘালয়েও সূর্য উদয় হবে।” একইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, বিজেপি-এনপিপিকে হারাতে হলে তৃণমূল ছাড়া অন্য় দলকে ভোট দেওয়া চলবে না। কংগ্রেসকে ভোট দিলে গোয়ার মতো পরিস্থিতি হবে বলেও দাবি করেছেন অভিষেক। সবমিলিয়ে এদিনের প্রচারসভা থেকে বিজেপি-কংগ্রেস-এনপিপিকে তুলোধনা করেন অভিষেক। মনে করিয়ে দেন, “মেঘালয়ের তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অর্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের হাত শক্ত করা। সুশাসনে ফিরিয়ে আনা।”

[আরও পড়ুন: ‘রনজি ফাইনাল নিয়ে আমার আগ্রহ নেই’, কেন এমন বললেন বাংলায় ব্রাত্য ঋদ্ধিমান?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.