Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Vande Mataram Row

বাজল না পুরো ‘বন্দে মাতরম’! কর্নাটক বিধানসভায় তুঙ্গে বিতর্ক, নজিরবিহীন পদক্ষেপ বিজেপির

চলতি বছরই জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের নিয়মবিধি স্থির করেছে কেন্দ্র। জানানো হয়েছে, সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানে, সব স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ পরিবেশনের পরই বাজাতে হবে ‘বন্দে মাতরম’। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৮:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৮:৪৬

options
link
বাজল না পুরো ‘বন্দে মাতরম’! কর্নাটক বিধানসভায় তুঙ্গে বিতর্ক, নজিরবিহীন পদক্ষেপ বিজেপির zoom
কর্নাটক বিধানসভায় 'বন্দে মাতরম' বিতর্ক। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

এবার কর্নাটক বিধানসভায় ‘বন্দে মাতরম’ বিতর্ক (Vande Mataram Row)! দলীয় অবস্থান মেনে জাতীয় স্তোত্রের সবক’টি স্তবক গাইলেন না কংগ্রেস বিধায়করা। দু’টি স্তবকের পরই বন্ধ হয়ে যায় ‘বন্দে মাতরম’। গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে বিতর্ক। তবে সরকারি আদেশ উড়িয়ে সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গান বিজেপি বিধায়করা। কর্নাটক আইনসভার উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদেও এই ছবি দেখা গিয়েছে।

রাজ্যের খরা পরিস্থিতি এবং পশ্চিমঘাট পর্বতমালার পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকাগুলি বিষয়ক কস্তুরিরঙ্গন রিপোর্ট নিয়ে আলোচনার জন্য কর্নাটক বিধানসভায় তিন দিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। অধিবেশনের শুরুতে ‘বন্দে মাতরম’ বাজানো হলেও, দু’টি স্তবকের পরই গানটি থামিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই স্পিকার জি এস পাটিল সম্প্রতি প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে শোকবার্তা পাঠ করেন। কিন্তু বিজেপি বিধায়করা সম্পূর্ণ জাতীয় স্তোত্রই গান। শেষে ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান দিয়ে তাঁরা তা শেষ করেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চলতি বছরই জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের নিয়মবিধি স্থির করেছে কেন্দ্র। জানানো হয়েছে, সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানে, সব স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ পরিবেশনের পরই বাজাতে হবে ‘বন্দে মাতরম’। যে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি উপস্থিতি থাকেন সেখানে তিনি আসা ও যাওয়ার সময় পরিবেশন করতে হবে এই গান। এই গান বাজাতে হবে পদ্ম পুরস্কারের মতো অসামরিক তথা নাগরিক সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও। যদিও সিনেমা হলে এই গান বাজানো বাধ্যতামূলক নয়। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবকই পরিবেশন করতে হবে। 

উল্লেখ্য, চলতি বছরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দেশাত্মবোধক গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। ১৮৭৫ সালে লেখা এই গান প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে। ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এই গান গেয়েছিলেন। ব্রিটিশ-বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল ‘বন্দে মাতরম’-এর কথা ও ভাবনা। তবে ‘বন্দে মাতরম’-এর সবক’টি স্তবক গাওয়ার বিরোধী কংগ্রেস। ১৯৩৭ সালে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। যেখানে বলা হয়েছিল, জনসভা ও জাতীয় অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর কেবল প্রথম দু’টি স্তবকই গাওয়া হবে। সেই রীতি আজও মেনে চলছে হাত শিবির। তাই ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত তৈরি হয়েছে মোদি সরকারের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.