Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Mamata Banerjee

নন্দীগ্রাম ভোটে কংগ্রেসকে সমর্থন ‘সর্বহারা’ মমতার, জল্পনা উসকে বললেন, ‘সিস্টার পার্টি’

রেজিনগর নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত, সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন মমতা।

রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৭:০৪

link
রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৭:০৪

options
link
নন্দীগ্রাম ভোটে কংগ্রেসকে সমর্থন ‘সর্বহারা’ মমতার, জল্পনা উসকে বললেন, ‘সিস্টার পার্টি’ zoom
১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কালীঘাটের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নিজস্ব ছবি
Advertisement

দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ঘিরে টানটান নাটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের! শুক্রবার আদি দলের নাম, প্রতীক হারানোর পর নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাটের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি  জানালেন, ‘‘নন্দীগ্রামে আমরা লড়ব না, সিস্টার পার্টি কংগ্রেসকে সমর্থন করছি। তাতে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করা হবে।” অর্থাৎ আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান সমর্থন করছে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।

২০১১ সালে কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের ক্ষমতা দখলের পর আজ, ২০২৬ সাল অর্থাৎ ১৫ বছর পর নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে প্রকাশ্যে সমর্থনের কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের কটাক্ষ, কংগ্রেসকে আঁকড়ে ধরে রাজনীতিতে ভেসে থাকার চেষ্টা করছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

রেজিনগর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কি লড়বেন মমতা? নাকি সেখানেও অন্য কাউকে সমর্থন দেবেন? তা নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানালেন নেত্রী। ২০১১ সালে কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের ক্ষমতা দখলের পর আজ, ২০২৬ সাল অর্থাৎ ১৫ বছর পর নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে প্রকাশ্যে সমর্থনের কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের কটাক্ষ, নিজের সব হারিয়ে এখন কংগ্রেসকে আঁকড়ে ধরে রাজনীতিতে ভেসে থাকার চেষ্টা করছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কালীঘাটের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নিজস্ব ছবি

প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনের সূত্রপাত বৃহস্পতিবার রাত থেকেই। রাতেই আচমকা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ঘাসফুল প্রতীকটি ফ্রিজ করা হচ্ছে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কালীঘাট তৃণমূল বা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল, কেউই এই প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। বিকল্প প্রতীক বেছে নিতে হবে দুই শিবিরকে। শুক্রবার সেইমতো মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসকে দেওয়া হয়েছে ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক ও ঋতব্রতদের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ‘খাম’ প্রতীক। 

কালীঘাটের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ‘‘নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করব বলে আগেই ভেবে রেখেছিলাম। বৃহত্তর স্বার্থে দেশের জন্য সমর্থন। ওরা সিস্টার পার্টি।” জোট প্রসঙ্গে তাঁর আরও বক্তব্য, ‘‘রাহুলজি গতকাল (শুক্রবার) কল করেছিলেন। আমরা সকলে একসঙ্গে আছি, আমরা একসঙ্গে লড়াই করব। আমরা সমস্ত স্বাভাবিক জোটকে সমর্থন করব। আমাদের সিস্টার দলকে সমর্থন করব।”  

এরপরই নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নাটকীয় মোড়! নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন নন্দীগ্রামে মমতার প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। আর তারপর তিনি হলদিয়া ফিরে মহকুমাশাসকের দপ্তরে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। আর তারপর কালীঘাটের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ‘‘নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করব বলে আগেই ভেবে রেখেছিলাম। বৃহত্তর স্বার্থে দেশের জন্য সমর্থন। ওরা সিস্টার পার্টি।” জোট প্রসঙ্গে তাঁর আরও বক্তব্য, ‘‘রাহুলজি গতকাল (শুক্রবার) কল করেছিলেন। আমরা সকলে একসঙ্গে আছি, আমরা একসঙ্গে লড়াই করব। আমরা সমস্ত স্বাভাবিক জোটকে সমর্থন করব। আমাদের সিস্টার দলকে সমর্থন করব।”  

আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্ক তো দীর্ঘদিনের। ১৯৯৮ সালে মতানৈক্যের জেরে ‘হাত’ শিবির ছেড়ে ঘাসফুল প্রতীকে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন। বছরের পর বছর লোকসভা, বিধানসভা ভোটে নিজের শক্তিতে লড়াইয়ের পর ২০১১ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে বাম সরকারের অবসান ঘটান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই শেষ। তারপর কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্কে তিক্ততা ছাড়া কিছুই হয়নি সদ্যপ্রাক্তন দল তৃণমূল কংগ্রেসের। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ২৮ বছর পর নিজের হাতে গড়া দল, প্রতীক সব হারিয়ে এখন ‘সিস্টার পার্টি’  বলে ফের কংগ্রেসেরই ‘হাত’ ধরলেন মমতা। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.