অর্ণব আইচ: কয়লা কাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও ২। বৃহস্পতিবার সিবিআইয়ের তলবে সাড়া দিয়ে নিজাম প্যালেসে এসেছিলেন এক ইসিএল কর্তা-সহ ২ জন। টানা জেরার পর তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর। শুক্রবার সকালে ধৃতদের তোলা হয়েছে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই। মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে অনুপ মাঝি তথা লালার নাম। লালার বাড়ি, অফিসে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। লালার সঙ্গী বলে পরিচিত গুরুপদ মাজি-সহ বেশ কয়েকজনের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। পরবর্তীতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু হদিশ মিলছিল না লালার। পরবর্তীতে জানা যায়, ভানুয়াতুরে লুকিয়ে তিনি। গতমাসে আচমকা কয়লা পাচার কাণ্ডের(Coal Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে আত্মসর্মপণ করেন। বর্তমানে জামিনে মুক্ত তিনি। তবে বেশ কিছু নির্দেশ মানতে হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: হলং বাংলোয় শর্ট সার্কিট কীভাবে? নেপথ্যে উঠে আসছে ইঁদুরের গল্প!]
এদিকে কয়লা পাচারের শিকড়ে পৌঁছতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বৃহস্পতিবার নিজাম প্যালেসে দুজনকে ডেকে পাঠানো হয়। টানা জেরার পর রাতেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ভোর ৫ টে নাগাদ ধৃতদের নিয়ে নিজাম থেকে আসানসোল সিবিআই বিশেষ আদালতে রওনা হন আধিকারিকরা। সিবিআই এসপি উমেশ কুমার নিজে যান। জানা গিয়েছে, দুজনের মধ্যে একজন ইসিএল কাজোড়া এরিয়ার জিএম (আইইডি ) পদে কর্মরত নরেশচন্দ্র সাহা। অন্যজন অশ্বিনী কুমার যাদব। তিনি পেশায় সিভিল কন্ট্রাক্টর। উল্লেখ্য, চার্জশিটে যে ৩৪ জনের নাম আছে তার বাইরে এই দুজন।
[আরও পড়ুন: ভোটে ধাক্কার পরেই ‘অন্নদাতা’দের কল্যাণ মোদির! ১৪ শস্যের MSP বাড়াল কেন্দ্র]
সর্বশেষ খবর
-
রাশিয়ার মারে নাজেহাল! যুদ্ধের মাঝেই সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত ক্ষুব্ধ জেলেনস্কির
-
ইস্টবেঙ্গলে হাবাস, মোহনবাগানে প্যানোস, দুই নতুন হেডস্যরের অধীনে ডার্বির প্রস্তুতিতে দুই প্রধান
-
‘আমি নিজেই অপরাধী,’ তসলিমার প্রত্যাবর্তনে অকপট ‘স্বীকারোক্তি’ জয় গোস্বামীর, কেন?
-
‘চাইলে জামাকাপড় খুলে রাস্তায় মারতে পারি’, রাখঢাক না করেই অভিষেককে আক্রমণ দিলীপের
-
‘তুলে দেওয়া হোক নিট, চিকিৎসা-শিক্ষায় রাজ্যকে দেওয়া হোক পূর্ণ ক্ষমতা’, দাবি বিজয়ের