সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সারদা মামলায় সিবিআইয়ের তলবে হাজিরা দিতে সোমবার সল্টলেকে সংস্থার অফিসে গেলেন চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন। গত মাসের গোড়ার দিকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েছিলেন তিনি। ওই সময় বেশ কিছু নথিপত্র চেয়ে আবার তাঁকে তলব করা হয় সিবিআইয়ের তরফে। সেসব নিয়েই আজ ফের তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হলেন। সূত্রের খবর, টানা তিন ঘণ্টা ধরে চলে জেরাপর্ব।
[আরও পড়ুন: ‘রাম কে নাম’ দেখানোর সিদ্ধান্তে অনড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, প্রদর্শনী বন্ধ প্রেসিডেন্সিতে]
সিবিআই সূত্রে খবর, সারদা কর্ণধার সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে শুভাপ্রসন্নর একটি চ্যানেলের আর্থিক লেনদেন ছিল। চিত্রশিল্পীর দেব কৃপা কোম্পানি থেকে একটি চ্যানেল ৬ কোটি টাকায় কিনেছিলেন সুদীপ্ত সেন। সারদা মামলার তদন্তের মাঝপথে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই লেনদেনের উপরে নজর দিচ্ছেন তদন্তকারীরা। আরও অভিযোগ, ১ কোটি টাকা দিয়ে তিনি নিজের ছবি বিক্রি করেছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনকে৷ এই বিক্রির পিছনে শুভাপ্রসন্ন ছাড়া আরও কে বা কারা ছিল, তাও জানতে চায় সিবিআই। সেই সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়েই সোমবার তাঁকে তলব করা হয়।
গত দোসরা জুলাই, সারদা কেলেঙ্কারির জট কাটাতে চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন এবং প্রযোজক শিবাজি পাঁজাকে নোটিস পাঠিয়ে তলব করেছিল সিবিআই। তারপর দুজনেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে গিয়ে হাজিরা দেন। সারদা চিটফান্ড মামলায় একে একে রাজ্যের বহু প্রভাবশালীর নাম উঠে আসার পর থেকে তদন্তে গতি কিছুটা বেড়েছে। তৃণমূলের কয়েকজন নেতা, মন্ত্রী ছাড়াও নাম জড়িয়েছে রাজ্যের বিশিষ্টজনদের৷ তাঁদেরই মধ্যে একজন ছিলেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন৷ তাই তাঁকে দফায় দফায় জেরা করে সারদা মামলার জট কাটাতে তৎপর তদন্তকারীরা। এমনকী এই আর্থিক লেনদেন নিয়ে এর আগে চিত্রশিল্পীর স্ত্রী শিপ্রা ভট্টাচার্যকে সিবিআই জেরার মুখে পড়তে হয়েছিল।
তাছাড়া সারদা মামলায় আর্থিক আদানপ্রদান নিয়ে ইডির জেরার মুখে পড়েন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। তবে তিনি নিজেই সারদা সংস্থার থেকে নেওয়া ২৯ লক্ষ টাকা ফেরাতে চেয়েছেন। তাঁর কথায়, মানসিক শান্তির কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
[আরও পড়ুন: ‘মাথা উঁচু করে বাঁচব’, সব্যসাচী দত্তের ভিডিও বার্তায় জল্পনা]
সারদা, রোজভ্যালি-সহ একাধিক চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের এই সক্রিয়তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উঠছে একাধিক প্রশ্ন৷ রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, কেন্দ্রে ফের বিজেপি ক্ষমতায় ফেরার পর বিরোধী দলগুলিকে চাপে ফেলতে ফের কেলেঙ্কারির জট কাটানোর জন্য ঘুঁটি সাজাচ্ছে৷ যদিও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, দীর্ঘদিনের চিটফান্ড মামলাগুলির জাল দ্রুত গোটাতেই তাঁদের এই সক্রিয়তা৷
সর্বশেষ খবর
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?
-
রুপোর গ্লাসে জল খান কঙ্গনা রানাউত! উপকারিতা জানলে আপনিও খাবেন
-
মাছের আড়ালে গরুর মাংস পাচার! উত্তরপ্রদেশে বাজেয়াপ্ত ১.৬৮ কোটির অবৈধ ব্যবসা
-
টানা বৃষ্টিতেও পুরোদমে চলছে এসি? জেনে নিন কোন ভুলে হতে পারে চরম ক্ষতি
-
‘আমার কাছে এলে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি’, মমতাকে ‘অফার’ হুমায়ুনের