Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
মাদক বিক্রি, তালতলা

শহরে মাদক পাচারচক্রের পর্দাফাঁস, তালতলা থেকে গ্রেপ্তার ২ অভিযুক্ত

ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০১৯, ১৩:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০১৯, ১৩:১২

options
link
শহরে মাদক পাচারচক্রের পর্দাফাঁস, তালতলা থেকে গ্রেপ্তার ২ অভিযুক্ত zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: ফের শহরে মাদক পাচারচক্রের পর্দাফাঁস। শুক্রবার রাতে তালতলা থেকে মাদক দ্রব্য-সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে অ্যান্টি নারকোটিক্স সেলের আধিকারিকেরা। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাদের কাছে থাকা প্রায় ৬০ গ্রাম হেরোইন। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারদর পঞ্চাশ হাজার টাকা।

[আরও পড়ুন: মুনমুনের পোস্টারে মহানায়িকার ছবি, তৃণমূল প্রার্থীকে কটাক্ষ বাবুলের]

বেআইনি পাচার রুখতে নানারকম উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে তল্লাশি। শুক্রবার রাতে খবর পেয়ে শহর কলকাতার তালতলা এলাকায় তল্লাশি চালায় অ্যান্টি নারকোটিক্স সেল। সেখান থেকে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারী আধিকারিকেরা। কথায় অসংগতি মেলায় তাদের সঙ্গে থাকা জিনিসে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৬০ গ্রাম হেরোইন। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫০ হাজার টাকা। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তালতলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই, অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। এই পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: হাতিয়ার ‘বর্ণপরিচয়’, অভিনব ছড়া তৈরি করে বিজেপিকে আক্রমণ তৃণমূলের]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের নাম লম্বু ফিরোজ ও শাহিদ পারভেজ। তারা দুজনেই কলকাতার তালতলা এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই মাদক পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত তারা। বহুদিন ধরেই পুলিশের নজরে ছিল অভিযুক্তরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়েই শুক্রবার ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়েছিল অ্যান্টি নারকোটিক্স সেলের আধিকারিরা। এই প্রথম নয়, বেশ কিছুদিন ধরেই শহর কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে উদ্ধার হয়েছে মাদক দ্রব্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তদন্তে জানা যাচ্ছে, বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যেই ওই মাদক দ্রব্য আনা হয়েছিল। এত তল্লাশির পরেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পাচারচক্রের দাপটে প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।   

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.