Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
'বিষাদনগরী' আনন্দপুর
Anandapur Fire

আনন্দপুরের কারখানায় বিধ্বংসী আগুন কীভাবে? প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিল দমকল-ফরেনসিক

রবিবার ভোর প্রায় ৩টে নাগাদ মোমো কারখানা ও সংলগ্ন ওই গুদামে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান আনন্দপুর এলাকার মানুষ।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ২০:৪৫

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ২০:৪৫

options
link
আনন্দপুরের কারখানায় বিধ্বংসী আগুন কীভাবে? প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিল দমকল-ফরেনসিক zoom
আনন্দপুরের অভিশপ্ত কারখানা। ফাইল ছবি।

রবিবার রাতে আনন্দপুরের (Anandapur) মোমো কারখানা এবং ডেকরেটার্সের গোডাউনের বিধ্বংসী আগুন (Fire Incident) মুহূর্তে বহু পরিবারের জীবন বদলে দিয়েছে! ঘটনার পর কেটে গিয়েছে চারদিন। চারপাশ জুড়ে ছড়ানো ধ্বংসস্তূপ। তার মাঝেই চলছে দেহাংশের খোঁজ। এখনও পর্যন্ত ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। খোঁজ মিলছে না ২৭ জনের। কিন্তু কীভাবে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল? ঘটনার পর থেকে তা নিয়ে চলছে চর্চা। এর মধ্যেই ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিল দমকল এবং ফরেনসিক। সেই রিপোর্টে উল্লেখ, মোমো কারখানা নয়, পাশে থাকা অভিশপ্ত ডেকরেটার্সের গোডাউন থেকেই আগুনের সূত্রপাত। যদিও ঘটনার পরেই ধৃত ডেকরেটার্স মালিক গঙ্গাধর দাসের দাবি ছিল, ওই মোমো কারখানা থেকে নাকি প্রথম আগুন ছড়ায়। কিন্তু ফরেনসিক এবং দমকলের রিপোর্ট অন্য কথা বলছে।

রবিবার ভোর প্রায় ৩টে নাগাদ মোমো কারখানা ও সংলগ্ন ওই গুদামে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান আনন্দপুর (Anandapur Fire) এলাকার মানুষ। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রায় দুদিনের চেষ্টায় অভিশপ্ত ওই কারখানা এবং গুদামের আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আনে। ঘটনার পরেই স্থানীয় পুলিশে অভিযোগ করে দমকল। শুরু হয় তদন্ত। দমকলের পাশাপাশি আগুন কীভাবে, তার উৎস খোঁজার কাজ শুরু করে ফরেনসিক। ঘটনাস্থলে গিয়ে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করেন আধিকারিকরা। ঘটনার চারদিনের মাথায় যৌথ তদন্তের একটি প্রাথমিক রিপোর্ট পুলিশে জমা দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিশপ্ত ডেকরেটার্সের গোডাউনের তিনতলাতে প্রথম আগুন লাগে। এরপর তা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এমনকী সেখান থেকেই মোমো কারখানাতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলেও উল্লেখ। শুধু তাই নয়, প্রায় ৩৫ হাজার বর্গফুট জায়গা জুড়ে মোমো কারখানা এবং গোডাউনটি ছিল বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। এর মধ্যে মোমো কারখানাটি ছিল ৮ হাজার বর্গ ফুট এলাকায়। বাকি জায়গা ডেকরেটার্সের কাজেই ধৃত গঙ্গাধর ব্যবহার করতেন বলেও রিপোর্টে দাবি। সূত্রের খবর, প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়লেও প্রয়োজনে ফের ফরেনসিককে ডাকা হতে পারে।

অন্যদিকে ভস্মীভূত হয়ে যাওয়া দুটি কারখানার ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। গ্যাস কাটার ব্যবহার করে ভেঙে পড়া বড় বড় লোহার অংশগুলিকেও সরানো হচ্ছে। তার মাঝেই চলছে দেহাবশেষ খোঁজার কাজও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.