সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার। প্রায় তিনমাস ধরে চলা ইঁদুর দৌড় শেষে শুক্রবার নির্দিষ্ট সময়েই সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআইয়ের দপ্তরে হাজিরা দেন তিনি।
[আরও পড়ুন: এখনই গ্রেপ্তার করা যাবে না, হাই কোর্টের নির্দেশে সাময়িক স্বস্তি রাজীব কুমারের]
এদিন সকাল ১১টা নাগাদ সিবিআইয়ের মুখোমুখি হন কলকাতার প্রাক্তন নগরপাল। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে জেরা। সূত্রের খবর, সারদা কাণ্ড ছাড়াও তাঁকে অন্যান্য চিটফান্ড মামলাতেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। রেকর্ড করা হবে বয়ানও। ২০১৩ সালে চিটফান্ড কাণ্ড সামনে আসার পর রাজীব কুমারের নেতৃত্বে রাজ্য সরকার বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে। সেইসময় রাজীব কুমারের কী ভূমিকা ছিল, সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এবং দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে কী কী নথি উদ্ধার হয়েছিল, তা জানতে চায় সিবিআই। সম্প্রতি আট ট্রাঙ্ক ভরতি সারদা সংক্রান্ত নথি সিবিআইয়ের কাছে জমা করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানা। তবে কোনও লাল ডায়েরি ও পেন ড্রাইভ এখন হাতে আসেনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। তা নিয়ে এদিন ধোঁয়াশা কাটাতে রাজীবকে প্রশ্ন করতে পারেন গোয়েন্দারা। এছাড়াও সুদীপ্ত এবং দেবযানী যখন পলাতক ছিলেন, সেইসময় বিভিন্ন প্রভাবশালীদের সঙ্গে তাঁদের কথাবার্তা হত বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই কল রেকর্ডও পেতে চান তাঁরা।
উল্লেখ্য, সিবিআইয়ের হাত থেকে নিজেকে ‘বাঁচাতে’ গত মাসে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজীব কুমার৷ তারপর তাঁকে স্বস্তি দেয় হাই কোর্ট৷ বিচারপতি প্রতীক প্রকাশ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন নগরপালকে৷ তবে এখন কলকাতার বাইরেও যেতে পারবেন না তিনি৷ সিবিআইয়ের কাছে পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে৷ পাশাপাশি রাজ্য সরকারের কোনও কাজেও যেতে পারবেন না তিনি বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ ফলে দিনভর জেরা করলেও রাজীবকে গ্রেপ্তার করতে পারব না সিবিআই।
ডআরও পড়ুন: লোকসভার ফর্মুলাতেই ‘মিশন ২০২১’, বিধানসভা জয়ের নয়া রুটম্যাপ বঙ্গ বিজেপির]
সর্বশেষ খবর
-
‘হাউস ওয়াইফ’ হলে, ‘হাউস হাজবেন্ড’ নয় কেন? অচলায়তন ভাঙার প্রস্তাব মাদ্রাজ হাই কোর্টের
-
দার্জিলিঙে বড়সড় বিপর্যয়, পাহাড় ভেঙে চাঁই ঢুকে চুরমার তাকদার হাসপাতাল
-
ভারতে খ্রিস্টান রাষ্ট্র তৈরির ষড়যন্ত্র, জামিনে মুক্ত সেই মার্কিন ভাড়াটে সৈনিক, ফিরলেন দেশেও!
-
ফিরছে শাহরুখ-সুস্মিতার নস্ট্যালজিয়া! দু’দশক পর ‘ম্যায় হুঁ না’র সিক্যুয়েলের ইঙ্গিত পরিচালকের
-
‘বালির টাকা যেত ক্যামাক স্ট্রিটে’, অভিষেককে নিশানা করে শুভেন্দুর তোপ, ‘চোরদের জেলে যেতে হবে’