Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
KMC

কলকাতা পুরসভায় ২০০টি ওয়ার্ড! পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু করতে জোড়া কমিটি গঠন

১৪৪ থেকে বেড়ে ২০০ টি ওয়ার্ড হবে কলকাতা পুরসভায়, 'সংবাদ প্রতিদিন'-এ সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৯:৩০

link
কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৯:৩০

options
link
কলকাতা পুরসভায় ২০০টি ওয়ার্ড! পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু করতে জোড়া কমিটি গঠন zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

১৪৪ থেকে বেড়ে ২০০ টি ওয়ার্ড হবে কলকাতা পুরসভায়। ‘সংবাদ প্রতিদিন‘-এ সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল এই খবর। সেই অনুযায়ী এবার পুরসভায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু হতে চলেছে। তার জন্য জোড়া কমিটি গঠন করা হল। এনিয়ে সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। গত মাসে কলকাতা পুরসভার এক অনুষ্ঠানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রস্তাব দিয়েছিলেন, ওয়ার্ড আরও বাড়ানো হোক, যাতে সকলে সমানভাবে পরিষেবা পেতে পারেন। তাঁর সেই প্রস্তাবকে মান্যতা দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় কাজ শুরুর পথে হাঁটল কলকাতা পুরসভা। দুটি পৃথক কমিটির একটি কেন্দ্রীয় স্তরে কাজ করবে। এছাড়া প্রতি বরোভিত্তিক একটি করে কমিটি গড়ে দিলেন পুরপ্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে। এর মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শহরভিত্তিক কেন্দ্রীয় কমিটি । ১০ সদস্যর এই কমিটিতে কলকাতা উত্তর ও কলকাতা দক্ষিণের দুই জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার আমন্ত্রিত সদস্য হিসাবে থাকবেন। 

কলকাতা পুরসভায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের জন্য তৈরি জোড়া কমিটি, জারি বিজ্ঞপ্তি

কলকাতা পুরসভার অধীনে এই মুহূর্তে মোট ১৪৪ টি ওয়ার্ড, ১৬ টি বরো রয়েছে। কোনও কোনও ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা অনেক বেশি, কোনও ওয়ার্ডে তা যথেষ্ট কম। বুথ সংখ্যাও এমনই অসামঞ্জস্য। যেমন ৫৮ নং ওয়ার্ডের পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, ভোটার সংখ্যা ৬০ হাজার। এখানকার কাউন্সিলর বর্তমানে এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা। আবার ৪৯ নং ওয়ার্ড, যার কাউন্সিলর বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠক, সেখানকার ছবিটা ঠিক উলটো। এখানকার ভোটার সংখ্যা মোটে ৯০০০।

Advertisement

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১০ সদস্যের সেন্ট্রাল ডিলিমিটেশন কমিটির চেয়ারম্যান স্পেশাল কমিশনার সৌম্য ভট্টাচার্য। এছাড়া বরোভিত্তিক যে কমিটি তৈরি হয়েছে, তার নেতৃত্বে থাকছেন একজন করে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার। সদস্য হিসেবে রাখা হচ্ছে রেভিনিউ অফিসারদের। বরো পিছু রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দেখে তাঁরা ধারণা দিতে পারবেন সেই বরোয় কত ভোটার। তার ভিত্তিতে ডিলিমিটেশনের কাজ হবে। প্রাথমিক লক্ষ্য, ১৮৮ থেকে বাড়িয়ে ওয়ার্ড সংখ্যা ২০০ করা। প্রতিটি ওয়ার্ডে যাতে গড়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার ভোটার এবং ২৫ থেকে ৩০ টি বুথ থাকে, সেভাবে পুনর্বিন্যাস করাই উদ্দেশ্য।

মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে ১০ থেকে ১২ হাজার ভোটার, আবার কোথাও তা ১৮ থেকে ২০ হাজার। বিশেষ করে যাদবপুর এলাকার ৯৩, ১০৮, ১০৯ নং ওয়ার্ডে এই সংখ্যাতত্ত্ব বেশ গোলমেলে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক ওয়ার্ডের জন্য কাউন্সিলর তহবিলে একই অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ হয়। তা নিয়ে কাউন্সিলরদের ক্ষোভও ছিল। এখন ওয়ার্ড প্রতি ভোটার সংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব, পরিকল্পনা হয়।

সেইমতো কাজ শুরু হল এবার। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১০ সদস্যের সেন্ট্রাল ডিলিমিটেশন কমিটির চেয়ারম্যান স্পেশাল কমিশনার সৌম্য ভট্টাচার্য। এছাড়া বরোভিত্তিক যে কমিটি তৈরি হয়েছে, তার নেতৃত্বে থাকছেন একজন করে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার। সদস্য হিসেবে রাখা হচ্ছে রেভিনিউ অফিসারদের। বরো পিছু রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দেখে তাঁরা ধারণা দিতে পারবেন সেই বরোয় কত ভোটার। তার ভিত্তিতে ডিলিমিটেশনের কাজ হবে। প্রাথমিক লক্ষ্য, ১৮৮ থেকে বাড়িয়ে ওয়ার্ড সংখ্যা ২০০ করা। প্রতিটি ওয়ার্ডে যাতে গড়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার ভোটার এবং ২৫ থেকে ৩০ টি বুথ থাকে, সেভাবে পুনর্বিন্যাস করাই উদ্দেশ্য।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.