Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Kolkata Police

বিশ্বকর্মা পুজোয় আকাশপথে নজরদারি, ‘প্রাণঘাতী’ চিনা মাঞ্জা কাটবে পুলিশের ড্রোন

শক্ত চিনা মাঞ্জাও তার কাছে যেন 'নস্যি'। সেই 'প্রাণঘাতী' চিনা মাঞ্জা সুতো কেটেও নিজের রাস্তা তৈরি করে নেবে ড্রোন। শুধু ড্রোনই প্রয়োজনে আট কিলো পর্যন্ত সামগ্রী বহন করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ০৯:০৭

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ০৯:০৭

options
link
বিশ্বকর্মা পুজোয় আকাশপথে নজরদারি, ‘প্রাণঘাতী’ চিনা মাঞ্জা কাটবে পুলিশের ড্রোন zoom
কড়া নজরদারি চালাবে কলকাতা পুলিশ। ছবি-এআই
Advertisement

শক্ত চিনা মাঞ্জাও তার কাছে যেন ‘নস্যি’। সেই ‘প্রাণঘাতী’ চিনা মাঞ্জা সুতো কেটেও নিজের রাস্তা তৈরি করে নেবে ড্রোন। শুধু ড্রোনই প্রয়োজনে আট কিলো পর্যন্ত সামগ্রী বহন করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। শুধু তাই নয়, এই ড্রোনই প্রয়োজনে আট কিলোমিটার পর্যন্ত সামগ্রী বহন করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে।

এবার কোটি টাকা খরচ করে নতুন দু’টি অত্যাধুনিক ড্রোন কিনছে লালবাজার। তবে আপাতত এই ড্রোনের সাহায্যে দিন ও রাতে পুজোর ভিড়ের উপর আকাশপথে কড়া নজরদারির পরিকল্পনা পুলিশের। লালবাজার জানিয়েছে, বছরের বিভিন্ন সময় চিনা মাঞ্জা সুতো ও সাধারণ মাঞ্জা সুতোও অনেক সময় ভয়ানক রূপ ধারণ করে। গত মাসেই মা ফ্লাইওভার দিয়ে বাইকে করে যাওয়ার সময় চিনা মাঞ্জাসুতো গলায় জড়িয়ে আহত হন কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কোনওমতে বেঁচে যান তিনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকজন বাইক ও স্কুটার আরোহী আহত হয়েছেন চিনা মাঞ্জায়। এবারও বিশ্বকর্মা পুজোয় চিনা মাঞ্জাসুতোর উপর নজরদারির জন্য পুলিশের পক্ষে ড্রোন ওড়ানো হচ্ছে। কিন্তু এতে ড্রোনের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি থেকে যায়। ড্রোনের পাখায় শক্ত চিনা মাঞ্জাসুতো আটকে গেলে দুর্ঘটনা ঘটারও সম্ভাবনা থাকে। তাই এবার কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে এমন ড্রোন নিয়ে আসা হচ্ছে, যা শক্ত চিনা মাঞ্জাও কেটে বেরিয়ে আসতে পারবে। 

ড্রোনের ব্লেড এতটাই শক্ত হবে, যে কোনও মাঞ্জা সুতোই টক্কর দিতে পারবে না ওই ড্রোনের সঙ্গে। সেই সুতো কেটে বেরিয়ে গিয়ে নিজের রাস্তা করে নেবে ওই ড্রোন। আর সেই সুতো যাতে ড্রোনের পাখায় জড়িয়ে কোনও দুর্ঘটনা ঘটাতে না পারে, সেরকমই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ওই ড্রোনের ব্লেড এতটাই শক্ত হবে, যে কোনও মাঞ্জা সুতোই টক্কর দিতে পারবে না ওই ড্রোনের সঙ্গে। সেই সুতো কেটে বেরিয়ে গিয়ে নিজের রাস্তা করে নেবে ওই ড্রোন। আর সেই সুতো যাতে ড্রোনের পাখায় জড়িয়ে কোনও দুর্ঘটনা ঘটাতে না পারে, সেরকমই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে চিনা মাঞ্জাসুতো ব্যবহার করে কেউ ঘুড়ি ওড়াচ্ছে কি না, ড্রোনে সেদিকে নজর রাখা অনেকটাই সহজ হবে। তবে পুলিশ আধিকারিকদের রকদের মতে, এবারের বিশ্বকর্মা পুজোয় তা সম্ভব না হলেও কয়েক মাস পর থেকেই ঘুড়ির সুতোর উপর নজর রাখতে পারবে পুলিশের এই ড্রোন।

তবে লালবাজার জানিয়েছে, আপাতত এই নতুন দু’টি ড্রোন পুজো তথা উৎসবের সময় দিন ও রাতে নজরদারির জন্য কাজে লাগানো হবে। ভিড়ের মধ্যে কেউ কোনও সন্দেহজনক আচরণ করলে ড্রোনের ক্যামেরায় তোলা ছবি বা ভিডিওয় সহজে সেই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যাবে। কোনও বিশেষ বস্তু বা ব্যক্তির উপর আকাশপথে নজরদারি সহজেই করতে পারবে সেই ড্রোন। যদি কোনও কারণে মাটি থেকে ড্রোনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেই ড্রোন মাটিতে নিয়ন্ত্রকের কাছে নেমে আসবে। আবার ব্যাটারি কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই নেমে আসবে সেই ড্রোন। তার ব্যাটারির ক্ষমতা এতটাই হবে যে, প্রয়োজনে টানা দশ ঘণ্টা এই ড্রোন উড়তে পারবে। ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার গতিতে এই ড্রোন আকাশপথে এগিয়ে গিয়ে কখনও বা নজরদারি করবে, আবার কখনও বা ঘুড়ির সুতো কাটবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.