৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার বিজেপি ঘনিষ্ঠ বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়? মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৭ জুলাই বেলা গড়াতেই শোনা গিয়েছিল একথা। এদিন পরিষদের জেনারেল সেক্রেটারি শঙ্কুদেব পণ্ডা, মিলন ভৌমিক ও অরিন্দম চক্রবর্তী দেখা করে আসেন বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীর সঙ্গে। একটি ভিডিও বার্তায় অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, দুঃস্থ শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদ। তাই তিনিও এই সংগঠনের পাশে রয়েছেন। আর এই বার্তা ঘিরেই জল্পনা ওঠে তুঙ্গে। রাতারাতি খবর হয়ে যায় যে, মাধবী মুখোপাধ্যায়ও যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। তবে মঙ্গলবার এই জল্পনা তুঙ্গে উঠতেই, বুধবার অভিনেত্রী নিজের বাড়িতে একটি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করে দেন।

[আরও পড়ুন: বিপ্লবের পর এবার মাধবী, আরএসএস মদতপুষ্ট টলিউড সংগঠনের পাশে অভিনেত্রী ]

মাধবী মুখোপাধ্যায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতি ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে বিভিন্ন সম্মানে ভূষিতও করা হয়েছে। তা এককালের তৃণমূল ঘনিষ্ঠ টলিউডের এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী কি সত্যিই বিজেপিতে যোগ দিলেন? মুখ খুললেন মাধবী মুখোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে সাফ জানান যে, কেউ তাঁকে বলেননি যে বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদ গেরুয়া শিবিরের সংগঠন। ইন্ডাস্ট্রির উন্নতির আশাতেই তিনি চিন্তাভাবনা না করেই সই করে দিয়েছিলেন। তার মানে তো এই নয় যে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন! মাধবী মুখোপাধ্যায়ের গলায় বুধবার এমন সুরই শোনা গেল। তিনি বলেন, “ওরা তো আমাকে বলেনি যে বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদ বিজেপির সংগঠন। বাড়িতে এসে প্রতারণা করে গেল। আমি চশমা পড়ে ছিলাম না, আর জানতামও না ওই কাগজে সই করা মানে বিজেপির খাতায় নাম লেখানো। মিলন ভৌমিক-সহ আরও একজন এসেছিলেন। দুঃস্থ শিল্পী এবং টেকনিশিয়ানদের সাহায্য করবে বলায় ভরসা করে সই করেছিলাম। আমি জনসাধারণের কল্যাণমূলক অনেক কাজেই নিযুক্ত থেকেছি এযাবৎকাল। যা হল সেটা খুব খারাপ। কারও উপর ভরসা করাই দায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক কাজ করেছেন রাজ্যের জন্য। ওঁর পাশে থাকলে ভবিষ্যতে টলিউডের আরও উন্নতি হবে। তবে, যাঁরা আসতে চাইছেন তাঁদের মধ্যে যেন নীতিবোধটা যেন থাকে। মুকুল রায়ের মতো সুবিধা বুঝে দল যেন না বদলান। যা হল তাতে সারারাত আমার ঘুম হয়নি।”   

[আরও পড়ুন: প্রজাপতি রহস্য উদঘাটনে আসছে শান্তিলাল, মিলল তার গোয়েন্দাগিরির ঝলক ]

অতঃপর অভিনেত্রীর বার্তায় স্পষ্ট যে তিনি বিজেপিতে যোগ দেননি। উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের পর বিজেপি রাজ্যে বড়সড় থাবা বসাতেই, বিনোদন দুনিয়ায় তাঁদের আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে। ইতিমধ্যেই টলিউডে দু’ দুটি বিজেপি নিয়ন্ত্রিত সংগঠন গড়ে উঠেছে। একদিকে অগ্নিমিত্রা পল এবং আরেকদিকে শঙ্কুদেব পণ্ডা। পারিশ্রমিক ইস্যুতে টলিউড এখনও সরগরম। বিগত কয়েক মাস ধরে চলছে লাগাতার চলতে থাকা সমস্যা এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে।    

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং