২০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শনিবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শনিবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

দীপঙ্কর মণ্ডল: ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৯ নয়, ১৬। আজ রাজ্য বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এমনই তথ্য দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১২০০ কোটি টাকার তহবিল তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল পরিস্থিতি পরিদর্শন করার পরও কেন্দ্রের তরফে কোনও আর্থিক সাহায্য এখনও না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশও করেন।
বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ধান, সবজি ঘরবাড়ি সব নষ্ট হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসে হেলিকপ্টার করে এলাকা ঘুরে দেখেছেন। তাঁদের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। সোমবার বিধানসভায় একথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২৩৮১১.৬০ কোটি টাকা। এর একটা রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হয়েছিল। আমি নিজে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ঘুরে দেখেছি। শুভেন্দু মেদিনীপুর ঘুরে দেখেছে।আশা করেছিলাম, কেন্দ্রীয় সাহায্য পাব।’

[আরও পড়ুন: পরপর তিনটি বিমান বাতিল, ভোর থেকে যাত্রী বিক্ষোভে উত্তপ্ত দমদম বিমানবন্দর]

এমনকী বুলবুলের তাণ্ডবের পরের দিনই প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে টুইট করেছিলেন। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, সাহায্যের হাত বাড়াল না কেন্দ্র। কোনও আর্থিক সাহায্যই এসে পৌঁছায়নি নবান্নে। তা নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, কেন্দ্রের সাহায্য না পেয়ে অর্থদপ্তরের তরফে ১২০০ কোটি টাকার ত্রাণ তহবিল তৈরি করা হয়েছে। তিনি
জানিয়েছেন, ‘অর্থদপ্তর ইতিমধ্যেই কৃষি জমির জন্য সাহায্য করতে চাষিদের ১২১৬ কোটি টাকার অর্থ বরাদ্দ করে তা রিলিজ করে দিয়েছে। ৬ লক্ষ কিট তৈরি করা হচ্ছে। জেলাশাসক যেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তুলে দিচ্ছেন। অনেক জায়গায় গাছপালা পড়ে বিদ্যুতের তার নষ্ট হয়েছে সেগুলো আমরা ঠিক করে দিয়েছি। ৬ লক্ষ কিটের মধ্যে থাকছে হাঁড়ি-কড়াই, থালাবাসন, বাচ্চাদের খাবার, ধুতি শাড়ি, একটা স্টোভ।’

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ১৬ জন মারা গিয়েছে বুলবুলের জেরে। ৪০ হাজার হারিকেন বিলি করা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা যারা দিচ্ছে, সেসব পরিবারকে ৫ লিটার করে কেরোসিন তেল দেওয়া হয়েছে। বিধানসভা অধিবেশনে তৃণমূল বিধায়ক গীতারানি ভুঁইঞার প্রশ্নের উত্তরে এসব তথ্য দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ কেন্দ্রের প্রতি ফের বঞ্চনার অভিযোগেই সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

[আরও পড়ুন: কসবায় প্রোমোটিংয়ের কাজে ক্লাব ভাঙার ছক, দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং