Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Rahul Sinha-Mukul Roy-Anupam Hazra

‘তৃণমূল নেতার জন্যই আমাকে সরতে হল’, কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ হারিয়ে ক্ষুব্ধ রাহুল সিনহা

হুঁশিয়ারির সুরে রাহুল সিনহা জানিয়েছেন, শিগগিরই নিজের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি ঠিক করবেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ২০:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ২০:৫৮

options
link
‘তৃণমূল নেতার জন্যই আমাকে সরতে হল’, কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ হারিয়ে ক্ষুব্ধ রাহুল সিনহা zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: ফের উসকে উঠল পুরনো লড়াই। তৃণমূল থেকে আগত মুকুল রায় (Mukul Roy) বনাম বিজেপির বহু পুরনো নেতা রাহুল সিনহার (Rahul Sinha) দ্বন্দ্ব এসে পড়ল প্রকাশ্যে। সঙ্গে আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী – তুলনায় তরুণ অনুপম হাজরা। বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক থেকে বাদ পড়ে কারও নাম না করে দলের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দিলেন রাহুল সিনহা। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, ”তৃণমূল নেতা আসছেন, তাই তাঁকে সরতে হল। এতদিন ধরে দল করার এই পুরস্কার!”

শনিবারই সর্বভারতী স্তরে সংগঠনে রদবদল এনে নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি (BJP)। তাতে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদে বসানো হয়েছে মুকুল রায়কে। আর বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা (Anupam Hazra) সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন। একই পদে এসেছেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। উত্তরবঙ্গের জমি ধরে রাখতেই বিজেপির এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, উত্তরবঙ্গে থেকে প্রথম কেউ সংগঠনের এত গুরুত্বপদে পদ পেলেন। এর আগে রাহুল সিনহা ছিলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সম্পাদক পদে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘রাজভবনের ক্ষমতাও খর্ব করতে চাইছেন মমতা’, টুইটে ফের খোঁচা ধনকড়ের]

এবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কোনও পদেই নেই রাহুলবাবু। তাঁর মতোই বাদ পড়েছেন দলের আরেক দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ নেতা রাম মাধব। নিজের পদ খুইয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন রাহুল সিনহা। তাঁর কথায়, “চল্লিশ বছর ধরে বিজেপির একজন সৈনিক হিসাবে দলের সেবা করে এসেছি। জন্মলগ্ন থেকে বিজেপির সেবা করার পুরস্কার এটাই যে একজন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আসছেন, তাই আমায় সরতে হবে। এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্যের কিছু হতে পারে না।” এই আক্ষেপ প্রকাশেই থেমে থাকেননি তিনি। রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে বললেন, ”এর বাইরে আর কিছু বলব না। যা বলার দশ-বারো দিনের মধ্যে বলব। আমার ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ঠিক করব।” 

[আরও পড়ুন: NRS-এর কোভিড ওয়ার্ডে প্রেমের জোয়ার, ভালবেসে দাদুর ‘অনশন’ ভাঙালেন দিদা]

তাঁর বক্তব্যের এই সুর থেকে তৈরি হচ্ছে নানা জল্পনা। তাঁর ক্ষোভ কি অনুপম হাজরাকে ঘিরেই? এই প্রশ্ন উঠছে। কারণ, তিনি এতদিন যে পদে ছিলেন, সেই কেন্দ্রীয় সম্পাদক পদেই বসানো হয়েছে অনুপমকে। দলের উপর প্রবল ক্ষুব্ধ রাহুল সিনহার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক কী হতে চলেছে, তার আঁচ টের পাওয়ার চেষ্টায় রাজনৈতিক মহল। বঙ্গ বিজেপির নেতাদের মধ্যে এসব ছোটখাটো দ্বন্দ্বে একুশের আগে সংগঠনের অবস্থা কতটা আশাপ্রদ হবে, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.