Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SSC

SSC গ্রুপ সি নিয়োগ মামলা: নথি পরীক্ষা হাই কোর্টের, আরও ৩৫০ কর্মীর বেতন বন্ধের পথে

আগামী ১৪ ডিসেম্বর কলকাতা হাই কোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২১, ১৭:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২১, ১৭:২৮

options
link
SSC গ্রুপ সি নিয়োগ মামলা: নথি পরীক্ষা হাই কোর্টের, আরও ৩৫০ কর্মীর বেতন বন্ধের পথে zoom

শুভঙ্কর বসু: এসএসসি (SSC) গ্রুপ সি নিয়োগ মামলা নিয়োগ নিয়ে আরও বাড়ল আইনি জটিলতা। আরও সাড়ে তিনশো জন কর্মীর বেতন বন্ধের পথে। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলাটি শুনানির জন্য কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta HC) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে উঠলে তিনি আরও ৩৫০ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। বিচারপতির বক্তব্য, তাতে যদি দেখা যায়, নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি, তাহলে এই ৩৫০ জনের বেতনও বন্ধ করে দিতে হবে। আগামী ১৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

এর আগে মঙ্গলবারই এই মামলার শুনানি ছিল হাই কোর্টে, বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। ওইদিন এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে। ২০১৯ সালের ১৮ মে-র পর সুপারিশের ভিত্তিতে এসএসসির (SSC) গ্রুপ-সি বিভাগে অনেকের নিয়োগ হয়। কিন্তু সেই নিয়োগেও বড় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চে সেই শুনানি চলাকালীন এক মামলাকারীর নিয়োগপত্রে গরমিল ধরা পড়ে যায়। বিচারপতি দেখেন, তাঁর সুপারিশপত্রটি মেয়াদ উত্তীর্ণ। সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরে (East Midnapore) কর্মরত ওই কর্মীর বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি। ওইদিনই বিচারপতি বাকি ৩৫০ জন কর্মীর নিয়োগ সংক্রান্ত নথি পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হবে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: SSKM-এর নার্সদের আন্দোলন এক মাস বন্ধ রাখার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের

আজ ফের এই মামলার শুনানিতে ৩৫০ জনের নথি হাই কোর্টে জমা পড়ে। এই মামলায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদকেও যুক্ত করা হয়েছে। কারণ, এসএসসি-তে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশ করে কমিশন, কিন্তু নিয়োগপত্র দেয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদই। তাই তাদেরও যুক্ত করা হয়েছে। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, কীসের ভিত্তিতে এই নিয়োগ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। যদি দেখা যায়, নিয়োগ আইন মেনে হয়নি, তাহলে কর্মীদের বেতন বন্ধ করে দিতে হবে। এছাড়া চারদিনের মধ্যেই এই সংক্রান্ত তথ্য আদালতে জমা দিতে হবে।

[আরও পড়ুন: বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহে দেশের মধ্যে শীর্ষে বাংলা, ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.