রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে এবার রাজ্যের গরিব পরিবারের পাশে দাঁড়াল বঙ্গ বিজেপি (BJP)। সংক্রমণ রুখতে রাজ্যজুড়ে লকডাউন চলছে। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা কমলেও অসুবিধায় পড়েছেন গরিব মানুষ থেকে দিনমজুররা। রাজ্যের সেই সমস্ত পরিবারের পাশেই এবার দাঁড়াতে চলেছে গেরুয়া শিবির। বাংলায় ৩০ লক্ষ গরিব পরিবারের দু’বেলা-দু’মুঠো খাওয়ার দায়িত্ব নিচ্ছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। দলের মধ্যে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সমর্থকদের কাছে এমনই আবেদন করা হয়েছে বঙ্গ বিজেপির তরফে।
রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর বক্তব্য, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে কীভাবে আমরা এই কাজ করব তা ঠিক করা হচ্ছে। যে কোনও রকম সহায়তার জন্য আমাদের দলের কর্মীরা যে প্রস্তুত সেটা ডিএম, এসডিও ও বিডিওদের আমরা জানিয়েছি।
[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দুস্থরাও, ত্রাণ তহবিলে সাহায্য দিলেন ভিক্ষুকরা ]
ইতিমধ্যেই এই রাজ্য থেকে নির্বাচিত বিজেপির ১৮ জন সাংসদই তাঁদের সাংসদ তহবিল থেকে করোনা মোকাবিলায় কেউ লক্ষাধিক তো কেউ কোটি টাকা দিয়েছেন জেলাশাসকদের হাতে। এস এস আলুওয়ালিয়া, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডা, সুভাষ সরকার প্রমুখ সাংসদরা কোটি টাকার বেশি তুলে দিয়েছেন প্রশাসনকে। এবার বাংলায় ৩০ লক্ষ পরিবারের দু’বেলা খাওয়ার দায়িত্বও তুলে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। সারা দেশে আপাতত ২১ দিনের লকডাউন চলছে। লকডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনমজুর ও গরিব পরিবারকে খাদ্য জোগান দেওয়ার এই উদ্যোগ নিয়েছে তারা। বুথে বুথে গরিব পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। যে নেতা-কর্মীরা এই দায়িত্ব নিচ্ছেন তাঁরা দলের রাজ্য ও জেলা কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কার্যত, আজ থেকেই এই কাজ শুরু হয়ে যাচ্ছে।
শুক্রবারই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিটি বিজেপি নেতা-কর্মীকে পাঁচটি করে পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে। সেই নির্দেশ মতো বঙ্গ বিজেপি সার্কুলার দিয়েছে, দু’ভাবে সাহায্য করা যেতে পারে। দুঃস্থ পরিবারগুলিকে চাল,ডাল ও আনাজ দিতে হবে। অথবা রান্না করা খাবার পৌঁছে দিতে হবে। রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতার কথায়, বাংলায় মোট ৭৮ হাজার বুথ রয়েছে। সেই সমস্ত বুথে মোট ৩০ লক্ষ পরিবারের জন্য এই দায়িত্ব নিতে চলেছি আমরা। বুথ, মণ্ডল, জেলা এমনকী রাজ্য নেতারাও যাঁরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল তাঁদের এই দায়িত্ব নিতে হবে। আর এই সমস্ত কাজ বিজেপি কর্মীরা স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করেই করবে। যাতে লকডাউন চলাকালীন প্রশাসনের কোনও নিয়মবিধি অমান্য না হয়।
[আরও পড়ুন: তহবিলে মন্ত্রী-বিধায়কদের দিতে হবে এক মাসের বেতন, করোনা মোকাবিলায় নির্দেশ তৃণমূলের]
সর্বশেষ খবর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
-
মমতার জন্যই ধ্বংস ইন্ডিয়া জোট, নীতীশের এনডিএ যোগের নেপথ্যেও কালীঘাট! প্রকাশ্যে রিপোর্ট