বনাঞ্চলগুলির সুরক্ষায় (Forest Conservation) এবার জোর রাজ্য সরকারের। মোতায়েন হতে চলেছে একেবারে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক বনাঞ্চল রয়েছে। সেই সমস্ত এলাকাগুলির সুরক্ষায় অন্তত ৫০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হবে। বনকর্মী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এই পুলিশ কর্মীদের ডেপুটেশনে রাখতে চায় বনদপ্তর। এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে রাজ্য বন দপ্তর। রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ এই খবর জানিয়েছেন। রাজ্য পুলিশে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, নতুন নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কর্মীদের একটি অংশকে বনাঞ্চলের সুরক্ষায় মোতায়েনের কথা ভাবা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।
পুলিশ থেকে শুরু করে একাধিক শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এই বিষয়ে রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ বলেন, “আমরা রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে বনাঞ্চলের সুরক্ষার জন্য ৫০০ পুলিশ কর্মী চাইবো। রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল ও এস আইদের ডেপুটেশনে নিতে চাই আমরা। নতুন বনকর্মী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এই সশস্ত্র পুলিশ কর্মীদের বনাঞ্চলের সুরক্ষায় রাখা হবে। ইতিমধ্যেই আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই রকম প্রস্তাব পাঠিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর সবুজ সংকেত মিললেই আমরা এই ব্যবস্থা কার্যকরি করবো। কারণ বন দপ্তরের প্রচুর শুন্যপদ ফাঁকা হয়ে পড়ে রয়েছে। আমাদের নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ কর্মী দিয়ে বনাঞ্চলের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে চাইছি আমরা।”
বলে রাখা প্রয়োজন, গোটা রাজ্যে বিভিন্ন বনাঞ্চলে বনদপ্তরের বিভিন্ন পদ ফাঁকা হয়ে পড়ে রয়েছে। পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমল থেকে সেই সমস্ত শূন্যপদে নিয়োগ হয়নি। যদিও রাজ্যে মসনদে পালাবদলের পর থেকেই বদল হচ্ছে পরিস্থিতিতে। পুলিশ থেকে শুরু করে একাধিক শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এরমধ্যেই এবার বনাঞ্চলের সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপের পথে বন দপ্তর।
সর্বশেষ খবর
-
‘মা নাড়ু বানিয়েছ?’ পুজো এলেই শহিদ ছেলের ডাক মনে পড়ে মমতার
-
দুর্ঘটনার কবলে ফরাক্কা এক্সপ্রেস, লাইন থেকে নেমে গেল ইঞ্জিন, তীব্র আতঙ্কে যাত্রীরা
-
নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের সংঘাত! খার্কি উর্দিতে কতটা জমল করিনা, পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের ‘দায়রা’?
-
মানাসলুর তুষারঝড় থেকে বেঁচে ফেরেন! ধ্রুবজ্যোতির মৃত্যুতে সেই ভয়াবহ অতীত স্মরণ পর্বতারোহীর
-
দেবীর সঙ্গে পূজিতা দুই দাসীও, বাংলার শতাব্দী প্রাচীন পুজোর নেপথ্য কাহিনি কী?