BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পুলিশ অফিসার বাবাকে কাজে যেতে বাধা খুদের, দেখুন মর্মস্পর্শী ভিডিও

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: April 28, 2019 7:54 pm|    Updated: April 29, 2019 12:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলিশ অফিসার বাবা কাজে বের হচ্ছেন। আর তাঁকে যেতে বাধা দিচ্ছে ছোট্ট ছেলে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটি দেখলে অন্যদের মতো চোখের জল ধরে রাখতে পারবেন না আপনিও।

@arunbothra নামে একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট হওয়া ওই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, ডিউটিতে যাওয়ার সময় পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির পা জড়িয়ে ধরেছে ছোট্ট একটি ছেলে। আর ওই ব্যক্তি বলছেন, জানে দে বেটা, জলদি আ যায়ুঙ্গা। কিন্তু, তারপরেও কাঁদতে কাঁদতে তাঁর পা জড়িয়ে ধরে আছে ওই শিশুটি। তাকে ছেড়ে যেতে বারণ করছে।

[আরও পড়ুন- OMG! মানুষের মতোই ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে মগ্ন শিম্পাঞ্জি, দেখুন ভি়ডিও]

ভিডিওটির সঙ্গে একটি ক্যাপশনও দেওয়া হয়েছে। তাতে লেখা, পুলিশের চাকরির এটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। দীর্ঘ ও অনিশ্চিত চাকরি জীবনের জন্য পুলিশ আধিকারিকদের কী অবস্থার সম্মুখীন হতে হয় এই ভিডিওটিতে তারই দেখা মিলবে।

[আরও পড়ুন- হাতিয়ার জাল, কুমিরের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ফিরলেন সাহসিনী মৎস্যজীবী]

১ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি ভাইরাল হতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন নেটিজেনরা। কেউ কেউ ভিডিওটিকে সুন্দর ও হৃদয়স্পর্শী বলে উল্লেখ করেন। কেউ আবার পুলিশে কর্মরত মানুষদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করে সরকারকে বিষয়টিতে নজর দেওয়া অনুরোধ করেন। একজন নেটিজেন আবার এই ভি়ডিওটির মধ্যে সন্তানের সঙ্গে বাবার স্বার্থরহিত বন্ধনকে প্রত্যক্ষ করে দু’জনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বলেন, শিশুটি খুবই যত্নশীল ও স্নেহপূর্ণ চরিত্রের। ও বাবার কাছে যা ভালবাসা পায় তাই ফেরত দিচ্ছে।

[আরও পড়ুন- ঘন জঙ্গলে শৌচ! প্রৌঢ়কে ‘শিক্ষা’ দিল বুনো দাঁতাল]

নগেন্দ্র প্রসাদ নায়েক নামে এক ব্যক্তি পোস্ট করেন, প্রতিটি পুলিশ পরিবারের এটাই বাস্তব ছবি। যেখানে বাবা ও ছেলে দু’জনের চোখ দিয়েই জল পড়ে। আসলে বাড়ির বাচ্চারা জানে না যে তাদের বাবা ২৪ ঘণ্টা ডিউটি করার জন্য দায়বদ্ধ। তাই ওই গরীব বাবার পক্ষে শিশুটির আবেগকে প্রশমিত করা সম্ভব নয়।

এক নেটিজেন আবার এই বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছেন। আরও পুলিশকর্মী নিয়োগের মাধ্যমে সবাইকে সপ্তাহে ৫ থেকে ৬ দিন আট ঘণ্টা করে ডিউটি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement