২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

OMG! মাত্র ১৬ বছর বয়সেই প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে এই কন্যা, জানেন কোথায়?

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 8, 2020 7:48 pm|    Updated: October 8, 2020 7:55 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ষোড়শী রাজকুমারী হলে তবু মানাত। এ যে ষোড়শী প্রধানমন্ত্রী! শুনে চমকাচ্ছেন? একদিনের জন্য হলেও এটাই সত্যি। ফিনল্যান্ডের (Finland) প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার জন্য দেশ শাসনের ভার ছেড়ে দিলেন এক বুদ্ধিমান ষোড়শীর উপর। আর একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পদে বসতে পেরে যত না খুশি ১৬ বছরের মেয়েটি, তার চেয়ে বেশি সে গর্ববোধ করছে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে।

ফিনল্যান্ডের ষোড়শী প্রধানমন্ত্রীর (Prime Minister) নাম আভা মুর্তো। আধুনিক সমাজে শুধু গৃহিনীপনা কিংবা উচ্চশিক্ষাতেই নয়, মহিলারা যে প্রযুক্তিতেও নিজেদের মৌলিকত্ব, উদ্ভাবনীর ছাপ রাখছেন, পাল্লা দিয়ে প্রযুক্তির সঙ্গে দৌড়ে চলেছেন পুরুষেরই সঙ্গে এবং তা অনেক কম বয়স থেকেই, তা সকলের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই দেশের এক কিশোরীকে একদিনের জন্য নিজের চেয়ার ছেড়ে দিলেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন।

[আরও পড়ুন: ধন্যি মেয়ে! ‌শাড়ি পরে এবার জোড়া হুপ নিয়ে নাচ তরুণীর, ফের ভাইরাল ভিডিও]

উল্লেখ্য, সানা মারিনের নিজের বয়স মাত্র ৩৪ বছর। বিশ্বের কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গত বছর প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু সানাই নন, তাঁদের জোট সরকারের প্রতিটি শরিক দলের কাণ্ডারিই একেকজন কৃতী মহিলা। এহেন প্রধানমন্ত্রীর ভাবনাচিন্তাও একটু অন্যরকম হবে, তা তো বলাই বাহুল্য।

One day PM
সানা মারিন ও আভা মুর্তো

আভা মুর্তোকে ফিনল্যান্ডবাসী চেনেন পরিবেশকর্মী হিসেবে। পরিবেশ নিয়ে বেশ সচেতন এই ষোড়শী, কাজেকর্মেও তার প্রভাব। প্রধানমন্ত্রী তাই তাকেই বেছে নিয়েছেন নিজের চেয়ারে বসার জন্য। গত ৪ বছর ধরে ফিনল্যান্ডে ফি বছর একদিনের জন্য এভাবে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার সুযোগ পায় দেশের কিশোরীরা। স্ব স্ব ক্ষেত্রে তাদের অনন্য নজিরের ভিত্তিতে রীতিমতো প্রতিযোগিতা করে একদিনের জন্য ওই পদ পেতে হয়।

[আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তিহীন পাত্রী চাই! বিজ্ঞাপন দিয়ে নেটদুনিয়ায় হাসির খোরাক বাঙালি যুবক]

এ বছর আভা মুর্তোর সুযোগ এসেছে। তা একদিনের প্রধানমন্ত্রী হয়ে কেমন লাগছে ষোড়শী আভার? সে বলছে, ”বড় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়াটা মেয়েদের নিজেদের বুঝতে হবে। মাথায় রাখতে হবে যে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তাঁরাও ছেলেদের সমকক্ষ।” শুধুই উচ্ছ্বাসে ভেসে যাওয়া কিংবা ক্ষমতা উপলব্ধি করা নয়, সেইসঙ্গে পদের গুরুদায়িত্বও আভা বেশ বুঝতে পেরেছে একদিনেই। তাঁকে প্রশংসায় ভরিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন নিজেও।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement