Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Egypt

পৃথিবীর প্রাচীনতম মদের ভাটি! মিশরে মাটির নিচে মিলল বিয়ার কারখানার সন্ধান

পাঁচ হাজার বছর আগে প্রায় তিনশো ঘড়া মদের বিপুল ভাণ্ডার!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১, ২১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১, ২১:২৬

options
link
পৃথিবীর প্রাচীনতম মদের ভাটি! মিশরে মাটির নিচে মিলল বিয়ার কারখানার সন্ধান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাচীন মিশর। আজও প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে অপার বিস্ময়ের খনি। কয়েক হাজার বছর আগেকার পৃথিবীর জলছাপ এখনও লেগে রয়েছে আজকের ইজিপ্টের (Egypt) গায়ে। এবার সেখানকার মাটি খুঁড়ে সন্ধান মিলল বিপুল পরিমাণে মদের ভাণ্ডারের (Beer factory)। যা দেখে চমকে গিয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। আজ থেকে অত বছর আগে ওই পরিমাণে মদ এভাবে তৈরি করে জমিয়ে রাখার ঘটনার সাক্ষী হতে পেরে অভিভূত তাঁরা। তাঁদের দাবি, এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন মদ তৈরির কারখানা।

তবে এই ঘটনাকে ঠিক অভূতপূর্ব বলতে পারছেন না তাঁরা। এর আগেও ২০১৫ সালে প্রমাণ মিলেছিল যে প্রাচীন মিশরে তৈরি হত বিয়ার! বিভিন্ন মাটির ধ্বংসাবশেষ থেকে তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু নিঃসন্দেহে এই বিপুল পরিমাণ মদের কারখানা বিস্ময়কর। এবং তা অভূতপূর্বই। সব মিলিয়ে আটটি বড় আধারে ওই মদ রাখা ছিল। একেকটি আধারে ৪০টি করে পাত্র। আমেরিকা ও ইজিপ্টের যৌথ উদ্যোগে ওই খননকাজ চালানো হচ্ছিল সেদেশের অ্যাবিডোসে। খননকাজের প্রধান নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ম্যাথু অ্যাডামস জানাচ্ছেন, ”সম্ভবত এখানে মদ তৈরি করা হত মিশরের রাজ পরিবারের অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য।” শনিবার ইজিপ্টের পর্যটনমন্ত্রকের তরফে এই আবিষ্কারের সম্পর্কে সকলকে জানানো হয়।

Advertisement

Egypt

[আরও পড়ুন: নাতনির পাশে দাঁড়াতে বাড়ি বিক্রি অটোচালকের, এখন অটোই বাসস্থান]

মনে করা হচ্ছে যে আটটি বড় আধার বিয়ার তৈরির জন্য ব্যবহার করা হত। আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে মিশরের রাজা নার্মারের রাজত্বকালেই ওই বিয়ার সংরক্ষিত হয়েছিল বলে মনে করছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই প্রথম এই কারখানার সন্ধান পাওয়া গেলেও বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিকরা এটি আবিষ্কার করেছিলেন বলে দাবি করেন। পরে আর সেই জায়গাটির হদিশ পাওয়া যায়নি। এতদিনে মিলল সন্ধান। কেবল এলাকাটি খুঁজে বের করা নয়, পাত্রগুলিকে খুলে তা পরীক্ষা করেও দেখা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার নাটক! অনুদান তুলে ফুটবল ম্যাচ দেখলেন মহিলা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.