সম্প্রতি অভিনেত্রীর জীবনে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ এনেছিলেন তিনি প্রযোজকের বিরুদ্ধে। কিছুটা টানাপোড়েন জীবনে থাকলেও তা নিয়ে ভাবিত নন পূজা।
৭৭
নিজের মতোই জীবনকে উপভোগ করতে চান তিনি। যদিও পূজার বিভিন্ন ছবিতে নেটিজেনদের নানা মন্তব্য চোখে পড়ে। কেউ কেউ আবার নীতি পুলিশের ভূমিকাও নেন। তবে সেসবে কান দিতে রাজি নন অভিনেত্রী। (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)।
শুধু লিওনেল মেসিকে নিয়ে ফের আলাদা সম্প্রচার মেজর লিগ সরকারে। আগামী ২ আগস্ট ইন্টার মায়ামি ও নেকাক্সার মধ্যে লিগস কাপ ম্যাচে শুধুই মেসিকেই অনুসরণ করবে ‘মেসি ক্যাম’। আর সেটা সরাসরি দেখানো হবে।
২৮
এই বিশেষ সম্প্রচার হবে টিকটকের মধ্যে প্লাটফর্মে। আরও আকর্ষণীয় বিষয়, মেসি ম্যাচে কী করছেন, কখন বল ধরছেন, সবটাই দেখানো হবে লম্বালম্বি ভাবে। অর্থাৎ সাধারণত মোবাইলে যেভাবে ভিডিও দেখা হয়।
এই পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে, 'প্লেয়ার স্পটলাইট: মেসি'। তবে যেহেতু টিকটকে দেখানো হবে, তাই ভারতে এই বিশেষ সম্প্রচার দেখা যাবে না। কারণ ভারতে এই সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম নিষিদ্ধ।
৪৮
যদিও এবারই প্রথম নয়। ২০২৪ সালের অক্টোবরেও ‘মেসি ক্যাম’ টিকটকে চালু করেছিল এমএলএস। সেই সময় মেসি প্রথমবার প্লে অফে নামেন। ওই লাইভস্ট্রিমে দর্শকসংখ্যা ৬৪ লাখ গিয়েছিল! এমএলএসের সম্প্রচারকারী চ্যানেল অ্যাপলের দাবি, সেটাই ছিল তাদের ইতিহাসে সর্বাধিক দেখা ম্যাচ।
৫৮
এবার ২০২৫ মরশুমে এমন মোট চারটি 'মেসি ক্যাম' সরাসরি শুধু মেসিকেই দেখাবে। নেকাক্সার বিরুদ্ধেই এটা আবার শুরু হতে চলেছে। তবে পরে আর দেখানো হবে কি না, জানানো হয়নি।
আমেরিকার লিগের এক কর্তা জানিয়েছেন, "ভক্তসংখ্যা বাড়ানোই আমাদের আসলে উদ্দেশ্য। অ্যাপলে যদিও ম্যাচ দেখানো হবে। তবে আমরা চাই, বিভিন্ন মাধ্যমের মানুষকে এই ম্যাচে টেনে আনার।"
৭৮
তিনি আরও জানান, "আজকের সময়ে, মানুষ যেভাবে চায়, সেভাবেই যেন তারা মেসিকে উপভোগ করতে পারে। আমরা সেই পথ দেখাতে চলেছি।"
৮৮
লিগস কাপে ইন্টার মায়ামির প্রথম ম্যাচ আটলাসের বিরুদ্ধে, ৩১ জুলাই। তারপর ২ আগস্ট নেকাক্সার বিরুদ্ধে ম্যাচ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ৬ আগস্ট, পুমাসের বিরুদ্ধে।
কল্যাণীতে কলকাতা লিগের ডার্বিতে শেষ হাসি হাসল ইস্টবেঙ্গল। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে মরশুমের প্রথম ডার্বি তারা জিতল ৩-২ গোলে। স্কোরবোর্ড দেখেই পরিষ্কার, কতটা টানটান লড়াইয়ের সাক্ষী থাকল বাংলার আপামর ফুটবল জনতা।
২৭
দাড়িপাল্লার মতো ম্যাচের ভাগ্য প্রতিমুহূর্তে বদলাতে থাকল। শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। সেখান থেকে কামব্যাকের লড়াই শুরু করে মোহনবাগান। যদিও শেষরক্ষা হল না। গোল করে ও করিয়ে নায়ক সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়।
মোহনবাগান পাসাং দোরজি তামাংকে নামাতেই ম্যাচের ছবিটা বদলাতে শুরু করে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্রমাগত আক্রমণে উঠতে শুরু করে মোহনবাগান। খেলার বয়স তখন ৫৩ মিনিট। কর্নার থেকে ভেসে আসা ফিরতি বলে গোলার মতো শটে ব্যবধান কমান লেওয়ান। ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরান কিয়ান। কিন্তু ঠিক পরের মিনিটেই আমনের ক্রস থেকে ডেভিড ৩-২ করে দেন। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখেন আমন সিকে।
কল্যাণীতে প্রথমবার কোনও ডার্বি হল। মাঠে উপস্থিত দর্শকরা ইলিশ-চিংড়ি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। গ্যালারি ভরে উঠেছিল। খেলার পর কলকাতা লিগের ম্যাসকট গোপাল ভাঁড়কেও দর্শকদের মনোরঞ্জন দিতে দেখা গেল।
৭৭
তবে এই ম্যাচেও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না কলকাতা লিগকে। ডার্বি চলাকালীনই কল্যাণী স্টেডিয়ামের একটি বাতিস্তম্ভের আলো নিভে যায়। ফলে ফের অব্যবস্থা কলকাতা লিগ ঘিরে।