জেন Z ও আমজনতার বিক্ষোভের আগুনে পুড়ছে লাদাখ, ‘গণবিক্ষোভে’র নেপথ্যে কী?
মোদি সরকারের বিরুদ্ধে পথে জেন Z, আসরে স্থানীয়রাও।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ১৭:২৬
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ১৭:২৬
১১০
যুবসমাজ, জেন Z ও আমজনতার বিক্ষোভের আগুনে পুড়ছে লাদাখ। স্থানীয়দের প্রতিবাদে জ্বলল বিজেপির পার্টি অফিস। আগুন পুলিশ ভ্যানে। ছোড়া হল পাথরও। ছবি: পিটিআই।
২১০
লাদাখের পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা, সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তি, পৃথক পাবলিক সার্ভিস কমিশন, একটির বদলে দুটি লোকসভা কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বেশ কয়েক বছর ধরে আন্দোলন চলছে লাদাখে। ছবি: পিটিআই।
নীতি নির্ধারণে স্থানীয়দের গুরুত্ব না দেওয়াটাও স্থানীয়দের অন্যতম অভিযোগ। এর সঙ্গে রয়েছে পরিবেশবান্ধব নীতি প্রণয়ণের দাবি। লাদাখবাসীর বক্তব্য, পর্যটনকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে গিয়ে পরিবেশ ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ছবি: পিটিআই।
৪১০
২০১৯-এ কাশ্মীরের সঙ্গেই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয় লাদাখ। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তারপর থেকে লাদাখ প্রশাসনে গুরুত্বহীন স্থানীয়রাই। নিয়ন্ত্রণহীন পর্যটন, ভ্রান্ত নীতিতে পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে। ছবি: পিটিআই।
৫১০
চিনা আগ্রাসন, জনবিন্যাস বদলের মতো ইস্যুও বিক্ষোভের অন্যতম কারণ। ছবি: পিটিআই।
এই আন্দোলনের কাণ্ডারি সোনম ওয়াংচুক। সঙ্গে স্থানীয় কিছু নাগরিক সংগঠন, লেহ অ্যাপেক্স বডি (LAB), কার্গিল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (KDA) এর নেপথ্যে। স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থন রয়েছে বিক্ষোভে। সঙ্গী বিজেপির স্থানীয় নেতারাও। ছবি: পিটিআই।
৭১০
লাদাখবাসীর দাবি নিয়ে দফায় দফায় অনশন করেছেন সোনম ওয়াংচুক। একাধিকবার কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও কাজের কাজ হয়নি। ছবি: পিটিআই।
বুধবার লাদাখ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। সেই ধর্মঘট সফল করতে এদিন সকাল থেকে লেহ’র রাস্তায় বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন শয়ে শয়ে মানুষ। পুলিশ তাঁদের বাধা দিলে বিক্ষোভ সহিংস রুপ নেয়। কাশ্মীরে একসময় যে ছবি স্বাভাবিক ছিল, সেই পাথর ছোড়ার চেনা ছবি বুধবার দেখা গেল লাদাখের রাস্তায়। ছবি: পিটিআই।
সোমবার রাতভর বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলকাতা-সহ শহরতলির একাধিক এলাকা। জলবন্দি শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। হাওড়া শহরের গোটা রাত ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শহরের একাধিক জায়গা জলের তলায়। জলবন্দি বহু এলাকার বাসিন্দা। একাধিক দুর্গাপুজোর মণ্ডপও জলের তলায়। বেলিসিয়াস লেনে জাতীয় সেবা দলের পুজো মণ্ডপ কার্যত জলের তলায়। নিজস্ব চিত্র
২৯
সোমবার রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা থেকে সকাল ছ'টা পর্যন্ত টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত হাওড়া। ৩০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে শহরে। ৫০টি ওয়ার্ডের মধ্যে অর্ধেকের বেশি বিপর্যস্ত। নিজস্ব চিত্র
জলে ভাসছে বেনারস রোড, বেলিলিয়াস রোড, পঞ্চানন তলা রোড, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস, শৈলেন মান্না সরণি। সব থেকে খারাপ অবস্থা মধ্য হাওড়ার। নিজস্ব চিত্র
৪৯
বড় বড় বেশ কয়েকটি পুজো মণ্ডপ জলের তলায়। জরুরী ভিত্তিতে সমস্ত পাম্প চালিয়ে জল বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে হাওড়া পুরসভা। নিজস্ব চিত্র
৫৯
বেলা বারোটা থেকেই শুরু হয়েছে জোয়ার। ফলে লকগেট সব বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাম্প চললেও কখন জল নামবে? সেই বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রশাসন সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে। নিজস্ব চিত্র
হাওড়ার টিকিয়াপাড়া কারশেডেও জল জমে রয়েছে। ফলে হাওড়া থেকেও এদিন ট্রেন চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের পরিষেবা ব্যাহত। বাতিল একাধিক ট্রেন। নিজস্ব চিত্র
৭৯
মধ্য হাওড়ার পঞ্চানন তলা রোডে পাগলা ফৌজ ক্লাবের মণ্ডপও জল ঢুকেছে। এলাকার অনেক বাড়ির একতলাতেও জল ঢুকেছে। নিজস্ব চিত্র
৮৯
ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের কাছে শৈলেন মান্না সরণীতে প্রায় কোমর সমান জল দেখা যায়। সেই জল ভেঙেই সাধারণ অফিসযাত্রীরা কাজে বেরিয়েছিলেন। নিজস্ব চিত্র
৯৯
বেরিলিয়াস লেনে বহু বাড়ির একতলাতেও ঢুকে গিয়েছে জল। টিউবওয়েলও প্রায় জলের তলায়। জলবন্দি এলাকার বাসিন্দারা। নিজস্ব চিত্র