ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দীর্ঘদিনের প্রেম কি এবার পরিণতি পেল? সেরকম গুঞ্জনই শুরু হয়েছে রোনাল্ডোর বান্ধবী জর্জিনা রডরিগেজের সোশাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে।
২১১
২০১৬ থেকে সম্পর্কে রয়েছেন রোনাল্ডো ও জর্জিনা। তাঁদের দুটি সন্তানও রয়েছে। সব মিলিয়ে পাঁচ সন্তান রয়েছে আল নাসের তারকার। কিন্তু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেননি তাঁরা।
চলতি বছরের শুরুতে ইঙ্গিতবাহী পোস্ট করেছিলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। জর্জিনার জন্মদিনে ছবি পোস্ট করে রোনাল্ডোর বার্তা ছিল, “মা, সঙ্গী, বন্ধু, স্ত্রী- তোমাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা।
৪১১
তবে সোমবার নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলে দিয়েছেন জর্জিনা। রোনাল্ডোর হাতের উপর হাত রেখে আংটির ছবি পোস্ট করেছেন। সঙ্গে ভালোবাসায় ভরা ক্যাপশন, ‘আই ডু। এই জন্মে এবং আমার প্রত্যেকটা জন্মে।’
৫১১
বিয়ের সময়ে যে শপথবাক্য পাঠ করা হয়, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাক্য 'আই ডু'। পোস্ট দেখে নেটদুনিয়ায় প্রবল জল্পনা, তাহলে কি বিয়েটা সেরে ফেললেন সিআর সেভেন?
তবে রোনাল্ডোর বিয়ের গুঞ্জনের সঙ্গেই জোর চর্চা চলছে জর্জিনার আংটি নিয়েও। হিরের আংটির দাম কত হতে পারে, আগে এই আংটি কে কে পরেছেন, সেই নিয়ে চর্চা চলছে নেটপাড়ায়।
৭১১
ছবি দেখে অনুমান, আংটির দৈর্ঘ্য লম্বায় প্রায় পাঁচ সেন্টিমিটার। মাঝে রয়েছে ডিম্বাকৃতি একটি বড় হিরে। তার দু'পাশে আরও দু'টি হিরে, কিছুটা ছোট মাপের।
৮১১
গয়না বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বড় হিরেটি অন্তত ২৫ থেকে ৩০ ক্যারেটের। আবার কারোওর মতে, হিরেটি ১৫ ক্যারেটের। তবে দু'পাশে থাকা হিরে দু'টি সম্ভবত ১ ক্যারেটের।
৯১১
যেহেতু হিরের মাপ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে, তাই দাম নিয়েও নানা মুনির নানা মত। কারোও মতে, আংটির মূল্য ২০ থেকে ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় এই অঙ্কটা ১৭ কোটি টাকা থেকে ৪২ কোটি টাকা।
১০১১
জর্জিনার আংটির ছবি প্রকাশ্যে আসতেই অনেকে বলছেন, ঠিক এই আংটি দেখা গিয়েছিল লরেন স্যাঞ্চেজের হাতে। বাগদানের সময়ে তাঁকে এই আংটি পরিয়েছিলেন ধনকুবের জেফ বেজোস।
১১১১
উল্লেখ্য, জর্জিনার বেশ ঘনিষ্ঠ বান্ধবী লরেন। তিনিও জর্জিনার পোস্টে কমেন্ট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তবে রোনাল্ডো কি বিয়েটা সেরে ফেলেছেন? নাকি বাগদান করেছেন? উত্তর অধরাই।
দীর্ঘদিন ধরে কারওর প্রেমে হাবুডুব খাচ্ছেন? মুখ ফুটে বলতেও পারছেন না কাউকে! অথচ আপনি চাইছেন বিপরীত দিকের মানুষটি নিজে থেকে আপনার মনের কথা বুঝে নিক! সময় চলে যাচ্ছে। ওদিক থেকেও সাড়া মিলছে না! কী করবেন? এ সমস্যা শুধু মহিলাদের নয়, পুরুষের মধ্যেও দেখা যায়। অন্যকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করতে এই কৌশলগুলি শিখুন। মনোবিজ্ঞান মতে এই টিপসগুলি মেনে চললে সফল হবেন আপনিও।
২৮
নিজের প্রশংসা পছন্দ করেন না, এমন মানুষ বোধয় পৃথিবীতে নেই। কেউ নিজের রূপের প্রশংসা শুনতে ভালোবাসেন। আবার কেউ ভালোবাসেন নিজের কাজের প্রশংসা শুনতে। আপনার পছন্দের মানুষ ঠিক কী ধরনের প্রশংসা শুনতে ভালোবাসেন, তা খেয়াল রাখুন। আর সময় বুঝে সুযোগ পেলেই তা কাজে লাগান। আপনার পছন্দের মানুষকে খুল্লাম খুল্লা প্রশংসা করুন। আচরণে বুঝিয়ে দিন যে আপনি তার প্রতি ইমপ্রেসড।
আগে থেকে হড়বড় করবেন না। সময় নিন। ধৈর্য ধরুন। প্রথমেই নিজেকে পুরোটা ডিসক্লোজ করবেন না। কারণ এক্ষেত্রে অনেক সময় বিপরীত দিকের মানুষটি আপনাকে 'টেকেন ফর গ্র্যান্টেড' ভেবে নিতে পারে। তাই সবসময় একটা দূরত্ব বজায় রাখুন। সামান্য উপেক্ষাও করতে শিখুন। এতে আদতে আপনার লাভ। আপনার প্রতি কৌতূহল বাড়বে বিপরীত দিকের মানুষটির। আপনার সম্পর্কে মনোযোগী হয়ে উঠবেন তিনি।
৪৮
ভালো লাগার মানুষের কাছে কিছু লুকোবেন না। এমন ভাবে তাঁর সঙ্গে মিশুন যেন দুজনের মধ্যে বিশ্বাসের ভিতটা ক্রমশ মজবুত হয়ে ওঠে। সম্পর্ক কখনও মিথ্যের উপর গড়ে উঠতে পারে না। কাজেই নিজের সম্পর্কে যেটুকু জানাবেন, সত্যিটাই জানাবেন। তাতে ভুলেও জল মেশাবেন না।
৫৮
যেকোনও পরিস্থিতিতেই আপনি আপনার প্রিয় মানুষের পাশে থাকবেন। তার হাতটা ছেড়ে যাবেন না। এই ভরসাটা যেন একে অপরের প্রতি থাকে। এই ভরসা একদিনে তৈরি হয় না। কিন্তু একে অপরের প্রতি বিশ্বাস তৈরি হলে এই ভরসাটুকুও আপনাআপনি তৈরি হয়ে যায়।
আপনার পছন্দের মানুষের খেয়াল রাখুন। তাঁর ছোট ছোট পছন্দ ও অপছন্দকে গুরুত্ব দিন। তাঁর কোন খাবার বিশেষ পছন্দের। কিংবা কোন পোশাক অতি প্রিয়। এই সামান্য জিনিসগুলোও সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। এমনকী সামান্য অসুস্থ হলেও খোঁজ নিন। এতেই বাড়বে ভরসা ও বিশ্বাস। আপনি হয়ে উঠবেন সবচেয়ে স্পেশাল।
৭৮
মাঝেমধ্যে নিজেরা একসঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। কফিশপ বা পার্কে যেতে পারেন। দুজনে পাশাপশি বসে মন খুলে গল্প করুন। তাছাড়া চোখে চোখ পড়লে এমনিতেই মানসিক ভাবে এক হওয়া যায়। যে কথা মুখে বলা যায় না, এমন বহু কথাই চোখ বলে দেয়।
৮৮
একটু সময় নিন। যেকোনও সম্পর্কে তাড়াহুড়ো করে এগিয়ে নিয়ে যাবেন না। নিজেরা একে অপরকে বুঝতে সময় নিন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কে গভীরতা আসবে।
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) নামে ‘ভোটচুরি’র প্রতিবাদে রণক্ষেত্র দিল্লি। সোমবার সংসদ ভবন থেকে অন্তত ২০০ বিরোধী সাংসদ প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে দিতে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে রওনা দিলে সেই মিছিল আটকায় পুলিশ।