প্রকাশিত ফোর্বসের ধনী ক্রীড়াবিদদের তালিকা। শীর্ষে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। এই নিয়ে টানা তিনবার সবার উপরে রয়েছেন তিনি। পর্তুগিজ মহাতারকার বার্ষিক আয় ২৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ২৩৪৮ কোটি টাকা।
২৯
দ্বিতীয় স্থানে আমেরিকার বাস্কেটবল তারকা স্টিফেন কারি। তাঁর বার্ষিক আয় ১৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে খেলার থেকে বেতন বাবদ ৫৬ মিলিয়ন হলেও বিজ্ঞাপন থেকে আয় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তৃতীয় স্থানে মার্কিন বক্সার টাইসন ফিউরি। তাঁর বার্ষিক আয় ১৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। চতুর্থ স্থানে আমেরিকারই রাগবি তারকা ডাক প্রেসকট। তাঁর আয় ১৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪৯
পঞ্চম স্থানে আছেন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি। তবে দু'ধাপ নেমে গিয়েছেন তিনি। ইন্টার মিয়ামি তারকার বার্ষিক আয় ১৩৫ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ১১৫২ কোটি টাকা।
৫৯
ষষ্ঠ স্থানে আরেক বিখ্যাত বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস। সপ্তম স্থানে আছেন বেসবল খেলোয়াড় জুয়ান সুটো। দুজনের আয় যথাক্রমে ১৩৩.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ও ১১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
অষ্টম স্থানে ফ্রান্সের ফুটবলার করিম বেঞ্জেমা। রিয়াল মাদ্রিদের প্রাক্তন ফুটবলার এখন খেলেন সৌদি আরবের ক্লাব আল ইত্তিহাদে। তাঁর বার্ষিক আয় ১০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭৯
নবম স্থানে আছেন জাপানের বেসবল প্লেয়ার সোহেই ওহতানি। দশম স্থানে আমেরিকার বাস্কেটবল খেলোয়াড় কেভিন ডুরান্ট। দুজনেরই বার্ষিক আয় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটু বেশি।
৮৯
তারকা ফুটবলার কিলিয়ন এমবাপে আছেন ১৬তম স্থানে। রিয়াল তারকার আয় ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৭৬৮ কোটি টাকা। অনেকটা পিছিয়ে নেইমার আছেন ২৫তম স্থানে। তাঁর বার্ষিক আয় ৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৯৯
তবে এই তালিকার প্রথম পঞ্চাশে ভারতের কেউ নেই। ২০২০ সালে বিরাট কোহলি ফোর্বসের তালিকায় ৬৬তম স্থানে ছিলেন।
গত মরশুমে কেকেআর যখন চ্যাম্পিয়ন হল, তখন দলটাকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয়েছিল। দু-একটা ম্যাচ বাদ দিলে অধিকাংশ ম্যাচে কোনওরকম চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হয়নি নাইটদের। অথচ এক মরশুম পরেই প্লেঅফে খেলার সুযোগটুকু অর্জন করতে পারল না নাইটরা। বস্তুত এই মরশুমে কেকেআরকে দেখে একবারও মনে হয়নি দলটা নিজেদের ট্রফি ধরে রাখার জন্য খেলছে। সেটার নেপথ্যে একাধিক কারণ রয়েছে।
২৮
নিলামে ব্যর্থতা: কেকেআরের গোলমালটা শুরু হয় নিলাম টেবিল থেকে। মিচেল স্টার্ক, নীতীশ রানা, ফিল সল্টকে রাখাই হয়নি। ধরে রাখা যায়নি, গত বারের আইপিএলজয়ী অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকে। শোনা যায়, শ্রেয়স ২৬ কোটি টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু নাইট কর্তাদের নাকি শ্রেয়সকে ২৬ কোটির 'যোগ্য' প্লেয়ার মনে হয়নি। উল্টে নিলাম থেকে ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে কেকেআর কেনে বিশাল ২৩.৭৫ কোটি টাকা দিয়ে। পরিণাম? পরিণাম- গোটা মরশুম জুড়ে ভেঙ্কটেশের চূড়ান্ত ব্যর্থতা। পরিসংখ্যান...
ভুল দল নির্বাচন: গোটা মরশুমে আন্দ্রে রাসেলের একটা সেট ব্যাটিং অর্ডার তৈরি করতে পারেনি নাইট ম্যানেজমেন্ট! ১৩-টা ম্যাচ খেলে ফেলেও ওপেনিং জুটির দুর্দশা কাটাতে পারেনি টিম। আনরিখ নখিয়ার মতো আগুনে গতির পেসারকে সাড়ে ছ'কোটি টাকা দিয়ে কিনে খেলানো হয়েছে সাকুল্যে একটা ম্যাচ। বরং 'নখদন্তহীন' স্পেনসর জনসনকে খেলিয়ে যাওয়া হয়েছে ম্যাচের পর ম্যাচ! বৈভব অরোরার মতো অতি সাধারণ পেসারের হাতে পাওয়ার প্লে-ডেথ বোলিংয়ের দায়িত্ব তুলে দেওয়া...
৪৮
অহেতুক বিতর্ক: কখনও পিচ নিয়ে অযাচিত মন্তব্য। কখনও দলের টিম ম্যানেজমেন্টের বিবাদের খবর। কখনও ড্রেসিংরুমে গৌতম গম্ভীরের অনুপস্থিতি নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা। গোটা মরশুমে কেকেআর বেশিরভাগ সময় থেকেছে অহেতুক বিতর্কে।
৫৮
রাহানের অধিনায়কত্ব: প্রায় গোটা মরশুম সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগেছেন রাহানে। আসলে নাইটদের ডিএনএ বুঝে উঠতে সময় লেগেছে তাঁর। নিজের দলের শক্তি-দুর্বলতা বুঝে উঠতে পারেননি। তাই কোন মাঠে কাকে খেলাতে হবে, কখন কাকে বল করাতে হবে বুঝে উঠতে পারেননি।
বৃষ্টি: এবার কেকেআরের দু'টো ম্যাচ যদি বৃষ্টিতে পণ্ড। এর মধ্যে একটি ঘরের মাঠে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে। যাতে প্রথমে ব্যাট করে ২০৭ রান তোলে পাঞ্জাব। পরে আর খেলা হয়নি। নাইট ম্যানেজমেন্ট মনে করে ওই ম্যাচটি জিততে পারত কেকেআর। আর দ্বিতীয় যে ম্যাচটি পণ্ড হল, সেটা চিন্নাস্বামীতে। শেষ ৬টা ম্যাচের ৬টায় যেখানে জিতেছে কেকেআর। সেটাও জেতার মতো ম্যাচ ছিল বলে নাইট ম্যানেজমেন্টের দাবি।
৭৮
অল্পের জন্য হার: বৃষ্টিতে যদি দুটি ম্যাচ পণ্ড হয়ে থাকে, তা হলে দু'টো ম্যাচ নাইটরা হেরেছে স্রেফ নিজেদের দোষে। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে কেকেআর মাত্র ১১২ তাড়া করতে পারেনি। আবার ইডেনে লখনউয়ের দেওয়া ২৩৮ রানের টার্গেট প্রায় তুলে ফেলেছিল কেকেআর। একটা লম্বা সময় পর্যন্ত রাহানেদরই সম্ভাব্য জয়ী দেখাচ্ছিল। অথচ সেই ম্যাচ কেকেআর হেরে আসে শেষ পর্যন্ত ৪ রানে। বিদঘুটে ব্যাটিং অর্ডার নির্বাচনের খেসারত দিয়ে।
৮৮
খারাপ ফর্ম: রিঙ্কু সিংকেও এবার পরিচিত রিঙ্কু সিং মনে হয়নি। গোটা মরশুমে কিছুই করেননি রমণদীপ সিং। হর্ষিত রানা গত মরশুমের ছায়ামাত্র। আর ভেঙ্কটেশের কথা আগেই বলা হয়েছে।
৯ দিন বিরতির পর শুরু হচ্ছে আইপিএল। মাঝের ছবি কিছুটা বদলে গিয়েছে। ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির পর অনেকেই দেশে ফিরে গিয়েছে। তাঁদের অনেকেই আর ফেরেননি। চোট-আঘাতের সমস্যাও আছে। সেই জায়গাই বিকল্প হিসেবে যাঁরা এসেছেন, রইল তাঁদের তালিকা।
২৭
পাঞ্জাব কিংস: হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে বাইরে লকি ফার্গুসন। সেখানে এসেছেন কাইল জেমিসন। অন্যদিকে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বদলি মিচেল আওয়েন।
গুজরাট টাইটান্স: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সেই জন্য ভারত ছেড়েছেন জস বাটলার। তাঁর বদলে খেলবেন শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস।
৪৭
লখনউ সুপার জায়ান্টস: চোটের জন্য প্রথমদিকে ছিলেন না ময়ঙ্ক যাদবের। ফিট হয়ে এসে কয়েকটি ম্যাচ খেললেও ফের পিঠে চোট পান। তাঁর বিকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ডের উইলিয়াম ও'রুরকে-কে।
৫৭
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: জাতীয় দলের ম্যাচ খেলার জন্য ফিরবেন না রায়ান রিকেলটন। তাঁর জায়গায় দেখা যাবে ইংল্যান্ডের রিচার্ড গ্লিসনকে।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: আরেক ইংরেজ উইল জ্যাকসের বিকল্প হিসেবে জনি বেয়ারস্টোর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে মুম্বইয়ের হয়ে বাকি তিনটি ম্যাচ খেলবেন জ্যাকস। কিন্তু প্লে অফে পাওয়া যাবে না তাঁকে।
৭৭
দিল্লি ক্যাপিটালস: ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার জেক ফ্রেসার ম্যাকগুর্ক। সেই জায়গায় খেলবেন বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।