৯ দিন বিরতির পর শুরু হচ্ছে আইপিএল। মাঝের ছবি কিছুটা বদলে গিয়েছে। ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির পর অনেকেই দেশে ফিরে গিয়েছে। তাঁদের অনেকেই আর ফেরেননি। চোট-আঘাতের সমস্যাও আছে। সেই জায়গাই বিকল্প হিসেবে যাঁরা এসেছেন, রইল তাঁদের তালিকা।
২৭
পাঞ্জাব কিংস: হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে বাইরে লকি ফার্গুসন। সেখানে এসেছেন কাইল জেমিসন। অন্যদিকে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বদলি মিচেল আওয়েন।
গুজরাট টাইটান্স: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সেই জন্য ভারত ছেড়েছেন জস বাটলার। তাঁর বদলে খেলবেন শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস।
৪৭
লখনউ সুপার জায়ান্টস: চোটের জন্য প্রথমদিকে ছিলেন না ময়ঙ্ক যাদবের। ফিট হয়ে এসে কয়েকটি ম্যাচ খেললেও ফের পিঠে চোট পান। তাঁর বিকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ডের উইলিয়াম ও'রুরকে-কে।
৫৭
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: জাতীয় দলের ম্যাচ খেলার জন্য ফিরবেন না রায়ান রিকেলটন। তাঁর জায়গায় দেখা যাবে ইংল্যান্ডের রিচার্ড গ্লিসনকে।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: আরেক ইংরেজ উইল জ্যাকসের বিকল্প হিসেবে জনি বেয়ারস্টোর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে মুম্বইয়ের হয়ে বাকি তিনটি ম্যাচ খেলবেন জ্যাকস। কিন্তু প্লে অফে পাওয়া যাবে না তাঁকে।
৭৭
দিল্লি ক্যাপিটালস: ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার জেক ফ্রেসার ম্যাকগুর্ক। সেই জায়গায় খেলবেন বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।
বিয়েবাড়ি হোক বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে রেস্তরাঁয় যাচ্ছেন। কিংবা প্রেমিকের সঙ্গে ডেটিং। পরনে সাবেকি হোক বা পাশ্চাত্যের ছাপ থাকুক না কেন। সব কিছুর সঙ্গে বেশ মানানসই 'সোপ নেলস'।
৪৯
'সোপ নেলসে'র ফলে আপনার হাত দেখে কেউ যে আর নজর ফেরাতে পারবে না, তা হলফ করে বলা যায়।
৫৯
'সোপ নেলস' তৈরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার্লারে গিয়ে সময় কাটানোর দরকার নেই। অতিরিক্ত খরচেরও কোনও প্রশ্ন নেই। কারণ, বাড়ি বসে অতি সহজে এই ধরনে ম্যানিকিওর করা যায়।
কিন্তু এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে করবেন? তবে আপনার জন্য রইল পদ্ধতি।
৭৯
প্রথমে নখে লেগে থাকা নেলপলিশ রিমুভার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। এবার নখের আশপাশে থাকা চামড়া কেটে নিন। নেল ফাইল দিয়ে নখ ভালো করে ঘষে নিন। 'সোপ নেলসে'র ক্ষেত্রে নখ আয়তনে বেশি বড় না রাখাই ভালো।
৮৯
এবার নখে বেবি পিংক বা একেবারে হালকা গোলাপি রঙের নেলপলিশ এক কোট করে পরুন। ভালো করে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে স্বচ্ছ (ট্রান্সপারেন্ট) নেলপলিশ পরে ফেলুন। এবার ভালো করে শুকিয়ে নিন।
বীরেন্দ্র শেহওয়াগ: অন্যতম বিস্ফোরক ওপেনার তিনি। আইপিএলে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরক ইনিংস খেলেছেন বটে। তবে কখনও রান সংগ্রাহকের তালিকার শীর্ষে থাকতে পারেননি। তাই কমলা টুপিও জেতেননি।
২১১
গৌতম গম্ভীর: ধারাবাহিকভাবে আইপিএলে ভালো খেলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে কেকেআর দু'বার আইপিএল শিরোপা জিতেছে। কিন্তু এতসবের পরেও কখনও কমলা টুপি জিততে পারেননি।
সুরেশ রায়না: তাঁকে বলা হয় 'মিস্টার আইপিএল'। চেন্নাই সুপার কিংসে তাঁর অবদান অপরিসীম। সিএসকে'র হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনিই। তবে কখনও অরেঞ্জ ক্যাপ পাননি।
৪১১
যুবরাজ সিং: বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেললেও কখনও কমলা টুপি পাননি।
৫১১
রোহিত শর্মা: আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সফল অধিনায়ক তিনি। তাঁর নেতৃত্বে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৫টি আইপিএল ট্রফি জয়ী হয়েছে। যদিও কখনও অরেঞ্জ ক্যাপ জিততে পারেননি।
শিখর ধাওয়ান: আইপিএলের অভিজ্ঞ ওপেনারদের একজন তিনি। একাধিক রেকর্ড রয়েছে তাঁর নামের পাশে। তবুও কখনও কমলা টুপি জেতেননি।
৭১১
মণীশ পাণ্ডে: আইপিএলে সেঞ্চুরি করা প্রথম ভারতীয় ব্যাটার তিনি। যদিও ধারাবাহিকতায় ভুগতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কখনও জেতেননি অরেঞ্জ ক্যাপ।
৮১১
অজিঙ্ক রাহানে: টেকনিক্যালি খুবই পারফেক্ট তিনি। খেলেছেন বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে। ধারাবাহিকভাবে রান করলেও কমলা টুপি জয়ের স্বাদ পাননি কখনও।
৯১১
মহেন্দ্র সিং ধোনি: চেন্নাই সুপার কিংসে নেতৃত্ব দিয়ে ৫টি আইপিএল শিরোপা জিতেছেন। বহু ম্যাচই একক দক্ষতায় জিতিয়েছেন। তবে, তাঁর মাথায় কখনও ওঠেনি কমলা টুপি। লোয়ার মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে নামেন মাহি। হয়তো এই কারণেই ছোঁয়া হয়নি এই কৃতিত্ব।
১০১১
অম্বাতি রায়ডু: মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং সিএসকে'র জার্সি গায়ে খেলেছেন অনেকগুলি মরশুমে। ধারাবাহিক রানও করেছেন। কিন্তু কখনও ব্যাটিং তালিকার শীর্ষে থাকতে পারেনি।
১১১১
শ্রেয়স আইয়ার: ২০১৫ সালের আইপিএলে অভিষেকের পর থেকে শ্রেয়স আইয়ার ধারাবাহিক পারফর্ম করেছেন। তবুও অরেঞ্জ ক্যাপ জিততে পারেননি।