বীরেন্দ্র শেহওয়াগ: অন্যতম বিস্ফোরক ওপেনার তিনি। আইপিএলে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরক ইনিংস খেলেছেন বটে। তবে কখনও রান সংগ্রাহকের তালিকার শীর্ষে থাকতে পারেননি। তাই কমলা টুপিও জেতেননি।
২১১
গৌতম গম্ভীর: ধারাবাহিকভাবে আইপিএলে ভালো খেলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে কেকেআর দু'বার আইপিএল শিরোপা জিতেছে। কিন্তু এতসবের পরেও কখনও কমলা টুপি জিততে পারেননি।
সুরেশ রায়না: তাঁকে বলা হয় 'মিস্টার আইপিএল'। চেন্নাই সুপার কিংসে তাঁর অবদান অপরিসীম। সিএসকে'র হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনিই। তবে কখনও অরেঞ্জ ক্যাপ পাননি।
৪১১
যুবরাজ সিং: বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেললেও কখনও কমলা টুপি পাননি।
৫১১
রোহিত শর্মা: আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সফল অধিনায়ক তিনি। তাঁর নেতৃত্বে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৫টি আইপিএল ট্রফি জয়ী হয়েছে। যদিও কখনও অরেঞ্জ ক্যাপ জিততে পারেননি।
শিখর ধাওয়ান: আইপিএলের অভিজ্ঞ ওপেনারদের একজন তিনি। একাধিক রেকর্ড রয়েছে তাঁর নামের পাশে। তবুও কখনও কমলা টুপি জেতেননি।
৭১১
মণীশ পাণ্ডে: আইপিএলে সেঞ্চুরি করা প্রথম ভারতীয় ব্যাটার তিনি। যদিও ধারাবাহিকতায় ভুগতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কখনও জেতেননি অরেঞ্জ ক্যাপ।
৮১১
অজিঙ্ক রাহানে: টেকনিক্যালি খুবই পারফেক্ট তিনি। খেলেছেন বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে। ধারাবাহিকভাবে রান করলেও কমলা টুপি জয়ের স্বাদ পাননি কখনও।
৯১১
মহেন্দ্র সিং ধোনি: চেন্নাই সুপার কিংসে নেতৃত্ব দিয়ে ৫টি আইপিএল শিরোপা জিতেছেন। বহু ম্যাচই একক দক্ষতায় জিতিয়েছেন। তবে, তাঁর মাথায় কখনও ওঠেনি কমলা টুপি। লোয়ার মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে নামেন মাহি। হয়তো এই কারণেই ছোঁয়া হয়নি এই কৃতিত্ব।
১০১১
অম্বাতি রায়ডু: মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং সিএসকে'র জার্সি গায়ে খেলেছেন অনেকগুলি মরশুমে। ধারাবাহিক রানও করেছেন। কিন্তু কখনও ব্যাটিং তালিকার শীর্ষে থাকতে পারেনি।
১১১১
শ্রেয়স আইয়ার: ২০১৫ সালের আইপিএলে অভিষেকের পর থেকে শ্রেয়স আইয়ার ধারাবাহিক পারফর্ম করেছেন। তবুও অরেঞ্জ ক্যাপ জিততে পারেননি।
ভারত পাকিস্তানের সংঘর্ষবিরতি থাকলেও সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে। সচেতন রয়েছে ভারতীয় সেনা। স্থল, জল ও বায়ু তিন সেনাকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে।
২৬
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলা স্পর্শকাতর। পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি সীমান্ত না থাকলেও, পাশেই বাংলাদেশ। সেই দিক থেকে সর্বদা সচেতন থাকতে হয় বিএসএফকে।
উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, স্বাস্থ্যদপ্তর সকলকে নিয়ে আপাৎকালীন পরিস্থিতিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে ফরাক্কায় মহড়া সেরে রাখা হল।
৪৬
ফরাক্কা খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ রক্ষা করে এই জায়গা। এই অঞ্চলে সমস্যা সৃষ্টি হলে বাকি বাংলাতেও প্রভাব পড়বে। তাই সুরক্ষার দিক ঝালিয়ে নিল সেনা ও প্রশাসন।
৫৬
ফরাক্কা ব্যারেজ প্রজেক্টের সিনিয়র কমান্ডার মুকেশ কুমার বলেন, "বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার আমাদের যে নির্দেশ দিয়েছে সেই অনুযায়ী, ফোর্সকে যে-কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি রাখা হচ্ছে। শুধুমাত্র সীমান্তে বিপদ তেমনটা নয়, দেশের ভিতরেও বিপদ রয়েছে। ফরাক্কা ব্যারাজের গুরুত্ব কতটা আমার তা জানি। সেটাকেই মাথায় রেখে একাধিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে অনুশীলন করা হল।
আর ডি দেশপান্ডে, ফরাক্কা ব্যারেজ প্রজেক্টের জিএম জানান, "এটা খুবই স্পর্শকাতর জায়গা। এখানে হামলা হলে কী করে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হবে। তার একটা প্রস্তুতি সেরে রাখা হল। এই মকডিলে বিএসএফ, সিআইএসএফ, স্বাস্থ্যদপ্তর, জেলা প্রশাসনও উপস্থিত ছিল।