পুজোর সাজে মিশে যাক ঐতিহ্য ও আধুনিকতা, কেনাকাটার একমাত্র ঠিকানা চন্দ্রকান্ত খাদি সমিতি
কে বলেছে খাদির পোশাক স্টাইলিশ হতে পারে না?
আরও পড়ুন:
ষষ্ঠীর মেজাজ ফুরফুরে। এমন দিনে জমকালো নয়, গায়ে থাকুক মেজাজের মতোই ফুরফুরে খাদির পোশাক। ছেলেদের কুর্তা-শার্ট হোক বা মেয়েদের কুর্তি— খাদির পোশাকের রং যতখানি মনোরম, ততখানিই হালকা তা। সপ্তমীতে এক প্যান্ডেল থেকে আরেক প্যান্ডেল ঘোরা, সঙ্গীর হাতে হাত রেখে দীর্ঘ পথ হাঁটার প্ল্যান। এমন দিনে পোশাক যদি না আরামের হয়, তবে কি আর ঘুরে আনন্দ লাগে?
কে বলেছে খাদির পোশাক স্টাইলিশ হতে পারে না? অষ্টমী আর নবমী কি আর হালকা সাজ মানায়? এমন দিনে শাড়ির আঁচলে খেলা করবে খাঁটি বাঙালিয়ানা; পাঞ্জাবীতে থাকবে বনেদি বাবুয়ানা। লুক বদলাবে, ট্রেন্ডও বদলাবে, কিন্তু খাদির এই রাজকীয় ঐতিহ্য আর ষোলোআনা আরাম একই থেকে যাবে। নির্দ্বিধায় বলা চলে, আসছে পুজোয় যতই সাজুন, ঐতিহ্যে সাজুন।
এক ছাদের তলায় সব ধরনের মনমতো পোশাক পেতে যেতেই হয় চন্দ্রকান্ত ললিতমোহন রেশম খাদি সমিতিতে। কলকাতার ঢাকুরিয়ার দক্ষিণাপণে রয়েছে চন্দ্রকান্ত ললিতমোহন রেশম খাদি সমিতির শাখা। এখানে নানা ধরনের পছন্দসই পোশাকের বিপুল সম্ভার রয়েছে। খাদির পোশাক মানেই আভিজাত্য আর অভিনবত্বের এক অনন্য মেলবন্ধন। বিস্তারিত জানুন: https://chandrakantakhadi.co.in/ -এ।
আরও পড়ুন:
চন্দ্রকান্ত ললিতমোহন রেশম খাদি সমিতির শাখা রয়েছে খাগড়া, মুর্শিদাবাদের বি বি সেন সোড, মনিন্দ্র রোড, অমর চক্রবর্তী রোড ও নেতাজি রোডে। এছাড়াও কলকাতার এ.সি. মার্কেট, উত্তরাপন মার্কেট, হিন্দুস্তান পার্ক; মালদার অতুল মার্কেট; বহরমপুরের ব্যারাক স্কোয়ার, ১ নং প্ল্যাটফর্ম কোর্ট স্টেশনে রয়েছে। যোগাযোগের নম্বর - 9433245612, 7980282614