রোজকার ডিম এবার রেস্টুরেন্ট স্টাইলে! ট্রাই করুন এই ৮টি হেলদি রেসিপি
ডিমকে বলা হয় সুপারফুড। কারণ এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা পুষ্টিগুণ। সকালের জলখাবার থেকে রাতের হালকা ডিনার— সব সময়েই ডিম হতে পারে স্বাস্থ্যকর খাবারের সেরা বিকল্প। তবে প্রতিদিন একইভাবে সেদ্ধ বা ভাজা ডিম খেতে খেতে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই স্বাদ বদলের সঙ্গে স্বাস্থ্যও বজায় রাখতে বানিয়ে ফেলতে পারেন এই ৮টি সহজ ও পুষ্টিকর ডিমের রেসিপি।
সেদ্ধ ডিমের স্যালাড: যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন বা হালকা খাবার খেতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য সেদ্ধ ডিমের স্যালাড আদর্শ। সেদ্ধ ডিম কেটে তার সঙ্গে শসা, টম্যাটো, লেটুস, কর্ন বা ভুট্টা দানা ও পেঁয়াজ মিশিয়ে নিন। উপর থেকে লেবুর রস, সামান্য গোলমরিচ ও অলিভ অয়েল ছড়িয়ে দিন। এই ধরনের খাবার শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন জোগানোর পাশাপাশি গরমের দিনে শরীরকে সতেজ রাখে।
আরও পড়ুন:
ডিম-অ্যাভোকাডো টোস্ট: বিদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই খাবার এখন অনেকের ব্রেকফাস্ট তালিকাতেও জায়গা করে নিয়েছে। ব্রাউন ব্রেড টোস্ট করে তার উপর ম্যাশ করা অ্যাভোকাডো ছড়িয়ে দিন। এরপর উপর থেকে একটি পোচ বা সেদ্ধ ডিম রাখুন। সামান্য চিলি ফ্লেক্স ও গোলমরিচ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। এতে রয়েছে ভালো ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার— যা হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারী।
আরও পড়ুন:
ডিম-দই স্যান্ডউইচ: স্বাস্থ্যকর ও পেটভরা একটি স্ন্যাকস হতে পারে ডিম-দই স্যান্ডউইচ। সেদ্ধ ডিম চটকে তার সঙ্গে টক দই, গোলমরিচ ও কুচোনো ধনেপাতা মিশিয়ে নিন। এরপর ব্রাউন ব্রেডের মধ্যে এই মিশ্রণ ভরে স্যান্ডউইচ তৈরি করুন। চাইলে শসা ও টম্যাটোর স্লাইসও যোগ করতে পারেন। মেয়োনিজের বদলে দই ব্যবহার করায় এটি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর হয় এবং এতে ক্যালরিও তুলনামূলক কম থাকে।