রবি বোপারা: কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের এই ক্রিকেটারের এক ওভারে ৩৩ রান তোলেন কেকেআর তারকা মনোজ তিওয়ারি (১,১) এবং ক্রিস গেইল (৬,৬,৬,৬,ওয়াইড৪,ওয়াইড১) মিলে। ২০১০ সালের ৪ এপ্রিল কলকাতায় ম্যাচটি হয়েছিল।
হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দু'বার আম্পায়ারদের উপর রেগে আগুন শুভমান গিল। প্রথমে রান আউট হওয়ার সময় বিপক্ষ উইকেটকিপারের গ্লাভস না বল, কোনটা উইকেট ছুঁয়েছিল, সেটা নিয়েই প্রশ্ন। টিভি আম্পায়ার মাইকেল গফের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন গিল। পরে সানরাইজার্সের অভিষেক শর্মার আউট না দেওয়ায় বাউন্ডারি লাইন থেকে দৌড়ে এসে আম্পায়ারের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন।
২৭
গত বছর আম্পায়ারদের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিরাট কোহলি। ফুল টসে আউট হওয়ার পর কোহলি রিভিউ নেন। তাঁর মনে হয়েছিল বলটি কোমরের উপর। ফলে নো বল হওয়া উচিত। সেটা না হওয়ায় তর্ক জুড়ে দেন আরসিবি তারকা। শাস্তি হিসেবে ম্যাচ ফি'র পঞ্চাশ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়।
ধোনি এমনিতে শান্তই থাকেন মাঠে। কিন্তু ২০১৯ সালে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আম্পায়ারদের বিরুদ্ধে রেগে আগুন হয়েছিলেন ধোনি। নো বল বিতর্কে মাঠে ঢুকে আম্পায়ারদের সঙ্গে বচসায় জড়ান। 'ক্যাপ্টেন কুল'কে মেজাজ হারাতে দেখে অনেকেই চমকে গিয়েছিলেন। ম্যাচ ফি'র পঞ্চাশ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছিল।
৪৭
তখন ঋষভ পন্থ ছিলেন দিল্লিতে। ২০২২-এ রাজস্থানের বিরুদ্ধে একটি নো বল নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। এমনকী মাঠের বাইরে থেকে রিভিউ নিতে চান। তাতে আম্পায়াররা রাজি না হওয়ায় ব্যাটারদের মাঠ ছেড়ে চলে আসতে বলেন। যে কারণে পন্থের জরিমানা হয়।
৫৭
গত বছর দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচে আম্পায়ারদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন রাজস্থানের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। বাউন্ডারি লাইনে তাঁর ক্যাচ ধরেন বিপক্ষের প্লেয়ার। সঞ্জুর মনে হয়েছিল, সেটা ক্যাচ নয়। তাই নিয়ে বচসায় জড়ান তিনি। পরে তাঁর ম্যাচ ফি'র ৩০ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়।
ফের তালিকায় বিরাট কোহলি। ২০১৫ সালে আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনার সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান তিনি। বৃষ্টিবিঘ্নিত সেই ম্যাচে আম্পায়ার কেন যথা সময়ে ম্যাচ থামালেন না, সেই নিয়েই বিতর্ক বাঁধে। আরেক আম্পায়ার অনিল চৌধুরীও কোহলিকে শান্ত করতে পারেননি।
৭৭
২০২২-এ আরসিবি'র বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল লখনউয়ের। সেখানে লখনউ ইনিংসের সময় একটি বল ওয়াইড দেওয়া হয়নি। পরের বলেই আউট হন স্টয়নিস। তাতেই প্রচণ্ড রেগে যান লখনউয়ের ব্যাটার। আম্পায়ারদের সঙ্গে ঝামেলা জুড়ে দেন তিনি।
কুৎসিত কন্টেন্টের গেরোয় এজাজ খান। তাঁর 'হাউস অ্যারেস্ট' শো ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। অভিযোগ, যৌনরসে ভরপুর এই শোয়ে প্রতিযোগী জুটিদের রকমারি ‘সেক্স পজিশন’ দেখাতে হয়। এখানেই শেষ নয়!
২৮
শোয়ের প্রতিযোগিদের যেরকম 'খেলকুদের' চ্যালেঞ্জ নিতে হয়, সেসব দেখলে কিংবা শুনলে চক্ষু চড়কগাছ হতে বাধ্য! কখনও স্নানঘরে কেউ কারও ভেজা শরীরে সাবান মাখিয়ে দিচ্ছে তো আবার কখনও বা ব্যায়ামের ভঙ্গিতে একে-অপরের শরীরে যৌনভঙ্গিতে মিশে যাচ্ছে!
অভিযোগ উঠেছে 'হাউস অ্যারেস্ট' শোয়ে যোগ দেওয়া প্রতিযোগীদের পোশাক নিয়েও। গোটা শো জুড়ে শুধুই স্বল্পবসনা নারীদের রকমারি কীর্তিকলাপের মেলা। আর এজাজ খানের এমন বিচিত্র শো নিয়েই রেগে কাঁই বজরং, শিবসেনা (উদ্ধব শিবির) দল।
৪৮
‘বিগ বস’-এর ধাঁচে তৈরি ‘হাউস অ্যারেস্ট’ রিয়ালিটি শোর একটি পর্বে দেখানো হয়, একজন প্রতিযোগী বেশ খোলামেলাভাবে ‘কামসূত্রে’ উল্লেখিত যৌন ভঙ্গিমা নিয়ে আলোচনা করছেন।
৫৮
এমন কুরুচিকর কন্টেন্টের শোয়ের সঞ্চালক হিসেবে বিতর্কিত অভিনেতার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই FIR দায়ের হয়েছে। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে উল্লু অ্যাপ থেকেও তুলে নেওয়া হয় 'হাউস অ্যারেস্ট' শোটি।
বিতর্কের সূত্রপাত একটি ভাইরাল ভিডিও ক্লিপকে ঘিরে। যেখানে শোয়ের সঞ্চালক এজাজ খানকে পুরুষ-মহিলা প্রতিযোগীদের ‘সেক্স পজিশন’-এর অভিনয় করে দেখানোর নির্দেশ দিতে শোনা যায়। এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিকমহলের ব্যক্তিত্বরাও প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন।
৭৮
বিতর্ক এবং এজাজ খান যেন একে-অপরের সমার্থক। ২০২১ সালে মাদককাণ্ডে গ্রেপ্তার হয়ে টানা দু’বছর হাজতবাস করতে হয়েছিল তাঁকে। তেইশ সালে জামিন পেয়ে জেলের বাইরে এলেও তাঁকে নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। নিজেকে ‘নেটপ্রভাবী’ বলে দাবি করা এজাজ খানের ‘হাউস অ্যারেস্ট’ শো ঘিরে এবার বিতর্ক তুঙ্গে!
৮৮
‘হাউস অ্যারেস্ট’ রিয়ালিটি শো সম্প্রচারিত হত উল্লু অ্যাপে। বজরং দলের সদস্য গৌতম রাবরিয়াই প্রথম এজাজ খান এবং এই শোয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরে শুক্রবার রাতে মুম্বই পুলিশ এফআইআর দায়ের করে বিতর্কিত অভিনেতার বিরুদ্ধে।