চোখেই লেখা আপনার রোগের নাম, দৈনন্দিন সবজি-ফলে লুকিয়ে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি
চোখের সমস্যা ভুলেও ফেলে রাখবেন না।
আরও পড়ুন:
চোখের সাদা অংশটি যদি হলদেটে বর্ণ ধারণ করে, তাহলে আগেভাগে সাবধান হোন। সাধারণত রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় চোখের বর্ণ হলুদ হয়ে উঠতে পারে। এটি আসলে লিভারের রোগ (যেমন- হেপাটাইটিস, সিরোসিস)। এক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পাশাপাশি পথ্য হিসেবে আমলকী, বীট কিংবা কাঁচা হলুদ খেলে উপকার পাবেন।
কোলেস্টেরল বাড়লে চোখের দুটি উপসর্গ দেখা দেয়। এক্ষেত্রে চোখের পাতার চারপাশে হলুদাভ চর্বির জমাট দেখা দেয়। চোখের মণির চারপাশে ধূসর বলয় দেখা দিতে পারে। এছাড়া, রেটিনার রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমলে দৃষ্টিশক্তির গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন। পথ্য হিসেবে ওটস, গার্লিক, আখরোট প্রভৃতি উপকারী।
চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল শরীরে আয়রনের অভাব জানান দেয়। আয়রনের অভাবে রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে শরীরের টিস্যুতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছায় না। এ কারণে চোখের চারপাশের পাতলা ত্বক ফ্যাকাশে দেখায়। রক্তনালীগুলো আরও দৃশ্যমান হয়ে ডার্ক সার্কেল তৈরি করে। আয়রন ও ভিটামিন সি পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে এমন খাবার খেতে হবে।
আরও পড়ুন:
চোখের পাতা কি খুব কাঁপছে? মাঝেমধ্যেই চোখ লাফায়? সাধারণত ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে এটি হতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর ঘাটতি হলে পেশির উত্তেজনা বাড়ে, যার ফলে চোখের পেশিতে কাঁপুনি দেখা দেয়। সবুজ শাকসবজি, বাদাম, বীজ, শস্য ও শিম জাতীয় খাবারে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম থাকে।