গুজিয়া নাকি বেসন লাড্ডু, কাজু বরফি নাকি খাসির মাংস? রঙের উৎসবে কোন রাজ্যের প্রিয় খাবার কী ?
দোলে কেবল পরস্পরকে রাঙিয়ে তোলাই যথেষ্ট নয়। মুখরোচক খাবারও এই উৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। খাবার মিষ্টি হোক না ঝাল, রঙের উৎসবের আনন্দের অনেকখানিই নিহিত থাকে তাতে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
ঠাণ্ডাই ছাড়া অসম্পূর্ণ থেকে যায় হোলি। দুধের তৈরি এই পানীয়তে দেওয়া হয় প্রচুর পরিমাণে কাজু, আমন্ড, মৌরি, গোলাপের শুকনো পাপড়ি। অনেকেই বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে মজার ছলে দোল খেলার সময়ে ঠাণ্ডাইতে ভাঙের গুলি মিশিয়ে থাকেন। তবে ভাঙ ছাড়াও কোনও অংশে কম হয় না ঠান্ডাইয়ের স্বাদ। তুমুল দোল খেলার পর ঠান্ডাইয়ের এক চুমুকে প্রাণ জুড়িয়ে যায়।
পশ্চিমবঙ্গের দোলে আবার থাকবেই থাকবে মঠ ও ফুটকড়াই। রঙবেরঙের মঠে কামড় দিলে চিনির স্বাদই পাওয়া যায় কেবল। কিন্তু তার সঙ্গে এমন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে ছেলেবেলার দোলের স্মৃতি, যে মঠ-ফুটকড়াই ছাড়া রঙের খেলায় মন ভরে না কিছুতেই। এছাড়াও দোলের মেলায় ঘুরতে গেলে সেঁকা পাঁপড়ের গন্ধে মন মেতে ওঠে। কোনও পেটভরানো খাবারও কখনও এই নস্ট্যালজিক স্বাদের জায়গা নিতে পারবে না বলেই বিশ্বাস বাঙালির।
শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ভারতের বহু জায়গায় হোলির উৎসব পালন হয় খাসির মাংস খেয়ে। বিহার, ঝাড়খণ্ড ও উত্তরপ্রদেশে এইদিনেই খাওয়া হয় খাসির মাংস সহযোগে ভাত বা পুরি। হোলি মানেই আবশ্যক হয়ে ওঠে খাবারের পাতে চম্পারন মটন, আহুনা মটন অথবা সাওজি মটন কারি। খাবার মিষ্টি হোক না ঝাল, রঙের উৎসবের আনন্দের অনেকখানিই নিহিত থাকে তাতে।