কাটা মুন্ডু দিয়ে ফুটবল, মাকে কুপিয়ে খুন! অক্ষয় খান্না অভিনীত ‘রহমান ডাকাইত’ ‘বাস্তবের জল্লাদ’
কীভাবে এই রহমান করাচি কাঁপানো গ্যাস্টার হয়ে ওঠে? জানুন।
এই রহমান ডাকাইত কে ছিল আদতে? পাকিস্তানের লিয়ারির কুখ্যাত গ্যাংস্টার। খুব অল্প বয়স থেকেই অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল রহমান। শোনা যায়, ভাই উজির বালোচের সঙ্গে কয়েক বছরে ১৯৮টা খুন করার রেকর্ড রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আর সেই খুনের পর সেই লাশ নিয়ে যা করত দুই ভাই, তার কিছু নমুনা শুনলে পিলে চমকে উঠতে বাধ্য!
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের করাচির লিয়ারিতে ১৯৭৬ সালে দাদ মহম্মদ ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী খাদিজা বিবির সংসারে জন্ম নেয় রহমান। আসল নাম আবদুল রহমান। অপরাধের মহল্লাতেই বেড়ে ওঠা রহমানের। তাই কুসঙ্গে পড়ে অন্ধকার জগতের কল-কবজা আয়ত্ত করতে খুব বেশি সময় লাগেনি তার। জানা যায়, রহমানের বাবা ছিল মাদক পাচারকারী। সেই সূত্রেই অপরাধজগতের সঙ্গে মেলামেলা শুরু হয় রহমানের। ধীরে ধীরে এই বালোচ গোষ্ঠীর রহমান কীভাবে করাচি কাঁপানো গ্যাস্টার হয়ে...
মাত্র ১৩ বছর বয়সে প্রথম খুন করে রহমান ডাকাইত। কেন? খুনের নেপথ্যের কারণ জানলেও চমকে যাবেন! কিশোর রহমানকে লিয়ারিতে কেউ একজন পটকা ফাটাতে বাধা দিয়েছিলেন। সেই ব্যক্তিকে তৎক্ষণাৎ ছুরিকাঘাতে ধরাশায়ী করে বছর তেরোর রহমান। তার দু' বছর বাদে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী মাদক ব্যবসায়ীকে খুন করে। সেখান থেকেই রহমান ডাকাইতের উত্থান। (* রহমান ডাকাতের চরিত্রে অক্ষয় খান্না।)
আরও পড়ুন:
শোনা যায়, এরপর ১৯৯৫ সালে জেল থেকে পালানোর মাসখানেক বাদে নিজের মা খাদিজাকেই নাকি কুপিয়ে খুন করে লিয়ারি কাঁপানো রহমান। তখন তার বয়স মাত্র ১৫। কেন? পুলিশি জেরার মুখে জানায়, মা নাকি 'পুলিশ সোর্সে' পরিণত হয়েছিলেন। অনেকে মনে করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর কোনও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন খাদিজা। সেটা মেনে নিতে পারেনি রহমান।
জানা যায়, নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে হাজি লালুর গ্যাংয়ে যোগ দেয় রহমান। লালুর গ্রেপ্তারির পর মাত্র কয়েক বছরেই লিয়ারি নিজের দখলে নিয়ে নেয় সে। রহমানের দুই হাত ছিল উজির বালোচ ও বাবা লাডলা। জেল থেকে পালিয়ে একসময়ে বালুচিস্তানে গিয়ে নিজের অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল এই রহমান ডাকাইত। (* রহমান ডাকাতের চরিত্রে অক্ষয় খান্না।)