জীবন যে কাকে কখন কোন পরিস্থিতিতে এনে দাঁড় করাবে, তা কেউ জানে না। তাই এমন এমন সময় আসে, যখন লড়াকুরাও খানিকটা দমে যান। বুঝতে পারেন না, কোন পথে হাঁটা উচিত। ভেঙে পড়েন ভিতর থেকে। নিজেকে নিঃস্ব মনে হয়। জানেন মাত্র ৫ মিনিটেই সেই পরিস্থিতি থেকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন। কীভাবে? মন ভালো করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে পারফিউম। জানেন কী ভালো গন্ধ নিমেষে মন...
২৬
খুব মন খারাপ? মানসিক চাপ দুঃসহ হয়ে উঠেছে? হাতে নিয়ে নিন বরফ। দেখবেন মুহূর্তে ভুলে গেছেন দুশ্চিন্তা। নিশ্চয়ই ভাবছেন কেন? কারণ, হাতে প্রবল ঠান্ডা লাগা মাত্রই আপনার অ্য়াটেনশন পুরোপুরি চলে যাবে সেদিকেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অন্যকিছু সেই সময় আর মনে থাকবে না।
সমস্যার মাঝে থেকে কখনই সমস্যাকে ভোলা যায় না। সেক্ষেত্রে স্থান পরিবর্তন করুন। ধরুন বাড়িতে বসেই কোনও দুশ্চিন্তায় ডুবে যাচ্ছেন। টুক করে বেরিয়ে পড়ুন বাড়ি থেকে। দেখবেন নিমেষে মন ভালো হবে যাবে।
৪৬
স্ট্রেস কমাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে আরেকটা জিনিস। তা হল গভীর শ্বাস-প্রশাস।
৫৬
অনেক সময় আমরা অন্যের সমস্যার সমাধান করে দিই সহজেই। কিন্তু নিজের ক্ষেত্রে তা পেরে উঠি না। একবার নিজের মুখোমুখি দাঁড়ান। নিজেই শুনুন নিজের সমস্যা। তৃতীয় ব্যক্তির মতো করে খুঁজে দিন সমাধান। দেখবেন, সহজেই ভালো হয়ে যাবে মন।
এতেও যদি কাজ না হয় চটপট গুছিয়ে ফেলুন ব্যাগ। মন ভালো করতে পাহাড়ের মতো বন্ধু আর কে আছে। সোজা চলে যান পাহাড়ের কোলে। কয়েকটা দিন কাটিয়ে এলেই দেখবেন মন একেবারে চাঙা।
ইতিহাসের আরেক নাম মোহনবাগান দিবস। খালি পায়ে ইংরেজ হারানোর স্পর্ধা থেকে আজকের সময়ে দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন, সবেতেই সোনায় লেখা সবুজ-মেরুনের নাম। আর প্রতি বছরের মতো এবারও জমকালোভাবেই সেই গর্বের দিনটি উদযাপন করল গঙ্গাপারের ক্লাব।
২১১
২৯ জুলাই উপলক্ষে আগেভাগেই সেজে উঠেছিল মোহনবাগান। চতুর্দিকে আলোর রোশনাই। এদিন সকাল থেকেও ছিল উৎসবের আমেজ। প্রিয় ক্লাবের ঐতিহাসিক দিনে চোখে পড়ার মতো ছিল সদস্য সমর্থকদের ভিড়ও।
অমর একাদশকে স্মরণ করে কেক কাটা, পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে যায় মোহনবাগান দিবস পালন। ক্লাব সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন, বাঙালির দুর্গাপুজোর মতোই বাগান সমর্থকদের কাছে এই দিনটা উৎসবের মতোই।
৪১১
এই বিশেষ দিনে ক্লাবে প্রাক্তনীদের স্বাগত জানান সচিব সৃঞ্জয় বোস, সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষরা। সেই সঙ্গে সবুজ-মেরুন মাঠ জমে ওঠে প্রাক্তনদের প্রদর্শনী ম্যাচে। 'জয় মোহনবাগান' স্লোগানে ম্যাচ জমিয়ে দেন সমর্থকরা।
৫১১
ম্যাচের পর সন্ধেয় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। আর সেই অনুষ্ঠানে রীতিমতো চাঁদের হাট। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস থেকে প্রাক্তন ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, মন্ত্রী সুজিত বোস, কে নেই সেখানে।
তবে প্রত্যেকেরই নজর ছিল একজন মানুষের দিকেই। তিনি মোহনবাগান রত্ন টুটু বোস। ক্লাবের প্রতি তাঁর অবদানের জন্য এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। সচিব এবং সভাপতির হাত থেকে এ সম্মান পেয়ে আবেগে ভাসেন স্বপনসাধন বোস। ছলছল চোখে বলেন, 'মনে হচ্ছে যেন হাতে চাঁদ পেলাম।'
৭১১
টুটু বোসকে নিয়ে আবেগাপ্লুত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, বাইচুং ভুটিয়া, আইএম বিজয়ন, হোসে ব্যারেটো, সুব্রত ভট্টাচার্যরাও। সৌরভ বলে দেন, "আমি অত্যন্ত খুশি যে টুটুবাবুকে মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হচ্ছে। ঠিক লোককে ঠিক সম্মান দেওয়া হচ্ছে।" বাগানের সবুজ তোতা ব্যারেটোর কথায়, "টুটুবাবু আগে মোহনবাগান সমর্থক। যেভাবে আবেগ দিয়ে দল চালিয়েছেন, সেরকম আর কেউ নেই।"
৮১১
মোহনবাগান দিবসে স্বীকৃতি দেওয়া হল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য থেকে বিভিন্ন মাধ্যমের প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিদের। এ বছর মোহনবাগানের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন আপুইয়া। সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার পেলেন দীপেন্দু বিশ্বাস। অরুণ লালের নামাঙ্কিত সেরা ক্রিকেটার হন রণজ্যোৎ সিং খাইরা। পুরস্কৃত করা হয় সেরা সমর্থককেও।
৯১১
জীবনকৃতি পুরস্কার দেওয়া হয় ক্লাবের জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলে যাওয়া ক্রিকেটার রাজু মুখোপাধ্যায়কে। মতি নন্দীর নামে সেরা ক্রীড়া সাংবাদিকের মরণোত্তর পুরস্কার পান অরুণ সেনগুপ্ত ও মানস চক্রবর্তী। প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত সেরা অ্যাথলিটের পুরস্কার পান অর্চিতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
১০১১
মঞ্চে ছিলেন মোহনবাগানের ‘অমর একাদশ’-এর পরিবারবর্গ। এসেছিলেন ‘চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী’ ক্লাব ইস্টবেঙ্গল ও মহামেডানের কর্মকর্তারাও। নানা আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী রইলেন প্রত্যেকে।
১১১১
সৌমেন্দ্র-সুরজিতের সঙ্গীতানুষ্ঠানের মূর্ছনায় উদ্বেল নেতাজি ইন্ডোর। প্রবল গর্জনে শোনা যায় ‘জয় মোহনবাগান’ স্লোগান। সবমিলিয়ে আরও একটি স্মরণীয় মোহনবাগান দিবস পালিত হল ফুটবলের মক্কায়।
মঙ্গলবার বীরভূমের ইলামবাজারে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক করার আগে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর স্টলে ঢুকে পড়েন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার ইলামবাজারে ব্লক সংলগ্ন ময়দানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কাছ থেকেই কিনলেন পছন্দের শাড়ি।
২৬
শুধু শাড়ি নয়, একটি তসর, বেশ কিছু উত্তরীয় এবং দু'টি পাঞ্জাবি কিনেছেন বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয় ভেষজ ও তাঁতের জাতীয় পতাকা তৈরি হচ্ছে বলে জানতে পারেন তিনি। তা শোনা মাত্রই নিজে দেখতে চান।
এই ভেষজ ও তাঁতের জাতীয় পতাকার যাতে প্রচার করা যায়, আরও অনেকে জানতে পারেন, তার জন্য জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪৬
মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক সভায় জানান,"রাজ্যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়াটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বীরভূমেও ৬৭ হাজারেরও বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা আজ স্বাবলম্বী হয়েছে। বীরভূম জেলাতেও তিনটি সৃষ্টিশ্রী আউট লেট রয়েছে। ঋণদান থেকে সুযোগ সুবিধা সব কিছুই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের।"
৫৬
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পেরে খুশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাও। তাঁরা বলছেন, "মুখ্যমন্ত্রী হাত দিয়ে উৎপাদিত সামগ্রীগুলি দেখেছেন। আমাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পরামর্শও দিয়েছেন। কথা বলার সুযোগ পেয়ে খুশি।"
বাংলার অস্মিতার উপর আঘাত আনা হচ্ছে এই অভিযোগ তুলে ভাষা আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আন্দোলন তিনি শুরু করেছেন রবীন্দ্রনাথের কর্মভূমি শান্তিনিকেতনের বোলপুর থেকে। সোমবার বোলপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি হাতে মিছিল করেন মমতা।