আর বিচ্ছেদের মূল কারণ পরকীয়া। পরপুরুষ কিংবা অন্য মহিলার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে ক্রমাগত। তার ফলে অপর প্রান্তে থাকা মানুষটি কষ্ট পাচ্ছেন। কখনও তিনি মুখ বুজে সব কিছু সহ্য করছেন। আর সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছলে সম্পর্কের ভবিতব্যই যেন বিচ্ছেদ।
৪১১
কেন বাড়ছে পরকীয়া? মনোবিদদের মতে, যেকোনও সম্পর্কে প্রথম প্রথম যেমন উষ্ণতা থাকে, তা একটা সময় পর কমে যায়। কারণ, নিয়মিত এক সম্পর্কে মানুষ একঘেয়ে হয়ে যায়।
৫১১
বিশেষত দাম্পত্যের ক্ষেত্রে চাল, ডাল, নুন, চিনির হিসাবের মাঝে যেন প্রেম উধাও হয়ে যায়। তার ফলে একরাশ খোলা হাওয়ার মতো দম্পতির মাঝে চলে আসেন তৃতীয় ব্যক্তি। আর তাতেই যত গণ্ডগোল।
সোশাল মিডিয়া, ডেটিং অ্যাপের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে পরকীয়া বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন কেউ কেউ।
৭১১
বর্তমানে এত বিবাহবিচ্ছেদ কেন? কারণ ব্যাখ্যা করতে গেলে প্রথমেই আর্থ সামাজিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের দিকে নজর দিতে হবে। বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী। তার ফলে কারও সঙ্গে আপস করে সংসার করার প্রবণতা কমেছে। দ্বিতীয়ত, মানুষ বর্তমানে অনেক বেশি স্বাধীনচেতা। তৃতীয়ত, লোকলজ্জার ভয়ও এখন অনেকটাই কমে গিয়েছে।
৮১১
সম্প্রতি গ্লোবাল ডেটিং প্ল্যাটফর্ম অ্যাসলি ম্যাডিসন পরকীয়া নিয়ে একটি সমীক্ষা করে। কোন শহরের মানুষ পরকীয়ায় সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে পড়ছেন, তা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। যা দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় প্রায় সকলের।
৯১১
গত মাসের রিপোর্ট বলছে, পরকীয়ার নিরিখে নাকি সবচেয়ে বেশি এগিয়ে তামিলনাড়ুর কাঞ্চিপুরম। এখানে পরকীয়া প্রায় ঘরে ঘরে। গত বছর এই ছোট্ট শহরটি পরকীয়ার নিরিখে ১৭ তম স্থানে ছিল।
১০১১
আশ্চর্যজনকভাবে আবার পরকীয়ার নিরিখে বাণিজ্যনগরী মুম্বই বেশ পিছিয়ে। তবে জয়পুর, রায়গড়, কামরূপ, চণ্ডীগড়ে ক্রমশ বাড়ছে পরকীয়া।
১১১১
নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে, কলকাতা এই তালিকায় ঠিক কত নম্বরে রয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অ্যাসলি ম্যাডিসনের তালিকায় তিলোত্তমার উল্লেখ নেই।
ম্যালকম মার্শাল: ১৯৮৪ সালের ঘটনা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেডিংলিতে টেস্ট ম্যাচে ভাঙা বুড়ো আঙুল নিয়ে বল করেছিলেন। প্রথম ইনিংসে ফিল্ডিং করার সময় তার বুড়ো আঙুল ভেঙে গিয়েছিল। তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু তিনি দলের প্রয়োজনে ভাঙা আঙুল নিয়েই বোলিং করতে নামেন।
২৯
শচীন তেণ্ডুলকর: ১৯৯৯ সালের ঘটনা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোমরে ব্যথা নিয়েই চেন্নাই টেস্টের চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নেমে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। যদিও অল্পের জন্য টেস্ট হেরে গিয়েছিল ভারত।
অনিল কুম্বলে: ২০০২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যান্টিগা টেস্টে অনিল কুম্বলে চোয়াল ভেঙে যাওয়া সত্ত্বেও ব্যান্ডেজ বেঁধে মাঠে নেমে বোলিং করেছিলেন। ব্যাটিং করার সময় মারভিন ডিলনের একটি বাউন্সারে চোয়াল ভেঙে গিয়েছিল তাঁর। এই ঘটনার পর তিনি ১৪ ওভার বোলিং করেছিলেন। কুম্বলের সাহসী মনোভাবের কথা আজও স্মরণীয়।
৪৯
গ্রেম স্মিথ: ২০০৯ সালের সিডনি টেস্টে হাতের চোট নিয়ে খেলেছিলেন তিনি। বাঁ-হাতের হাড় ভেঙে যাওয়া সত্ত্বেও ব্যাট করতে নেমে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন।
৫৯
যুবরাজ সিং: ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অসুস্থতা নিয়েই ১১৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন যুবি। এটিই তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ সেঞ্চুরি। কাশি এবং শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। এমনকী রক্তবমি করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তা সত্ত্বেও তিনি খেলা চালিয়ে যান।
তামিম ইকবাল: ২০১৮ সালের এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি ম্যাচে তামিম ইকবাল চোট পেয়েছিলেন। বাঁ হাতের কবজি ভেঙে গিয়েছিল তাঁর। আহত হওয়া সত্ত্বেও দলের প্রয়োজনে এক হাতে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। নবম উইকেট পড়ার পর তিনি ক্রিজে ফিরে এসে মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গ দিয়েছিলেন।
৭৯
হনুমা বিহারি এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন: ২০২০-২১ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ বাঁচাতে চোট নিয়েও ব্যাট করেছিলেন তাঁরা।
৮৯
রোহিত শর্মা: ২০২২ সালে মিরপুরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় রোহিত শর্মা তার বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পান। এই অবস্থায় ব্যাট করেছিলেন তিনি।
৯৯
ঋষভ পন্থ: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি টেস্টে ক্রিস ওকসের বল রিভার সুইপ করতে গিয়ে পায়ের পাতায় চোট পেয়েছিলেন তিনি। চোট এতটাই গুরুতর যে, ম্যাঞ্চেস্টারে দ্বিতীয় দিন শুরুর আগে ঘোষণা করা হয় ইংল্যান্ড সফর থেকে ছিটকে গিয়েছেন তিনি। যদিও দেখা যায়, দলের দরকারে ব্যাটিং করতে নামেন পন্থ। গোটা স্টেডিয়াম তাঁর সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে করতালি দিয়ে অভিবাদন জানায়। চোট নিয়েও তিনি ৫৪ রানের ইনিংস উপহার দেন।