নিঝুম রাত হোক বা ভরদুপুর, সর্বদা সজাগ থাকে কুকুর। নজর রাখে সবকিছুর উপর। প্রায় সকলেরই এমন ধারণা। কিন্তু জানেন কি এই ধারণা একেবারে ভুল? কিছু প্রজাতির কুকুর রয়েছে যারা ঘুমোতে ওস্তাদ। নির্দ্বিধায় বলা যায়, মানুষের চেয়েও বেশি ঘুমোতে পারে তারা। একটানা ১৮ ঘণ্টা ঘুমোলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই!
২৮
নিশ্চয়ই ভাবছেন এই তালিকায় কোন কোন প্রজাতির কুকুর? প্রথম নাম হল, ব্রিটিশ বুলডগ। এদের ইংলিশ বুলডগও বলে। এই প্রজাতির কুকুরকে কোনওকিছুই বিশেষ উদ্বিগ্ন করতে পারে না। বরবর ফুরফুরে মেজাজেই থাকে এরা। ঘুম এদের অত্যন্ত প্রিয়। তথ্য বলছে, দিনে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে এরা।
তালিকায় রয়েছে বাসেট হাউন্ডও। ছোট পায়ের এই কুকুরটিও অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের। সহজেই যে কারও সঙ্গে মিশে যাওয়ায় এদের জুড়ি মেলা ভার! সাধারণও এরা ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা ঘুমোয়। তবে তা ২০ ঘণ্টা হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই।
৪৮
ঘুমোতে ওস্তাদ সেন্ট বার্নার্ড প্রজাতির কুকুরও। আকারে বড় হওয়ায় এমনিতেই এদের বেশি বিশ্রামের প্রয়োজন। অন্যথায় শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পূর্ণবয়স্ক সেন্ট বার্নার্ড নিয়মিত ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে।
৫৮
গ্রেট ডেন প্রজাতির কুকুরও দিনের একটা বড় সময় কাটায় ঘুমিয়েই। বিরাট আকার হওয়ায় এদেরও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঘুমের প্রয়োজন। নিয়মিত ১২-১৪ ঘণ্টা ঘুম এদের ক্ষেত্রে খুবই স্বাভাবিক।
আকারে ছোট হলেও ঘুমপ্রিয় প্রজাতিগুলোর মধ্যেই একটি হল শিৎ জু। নিরাপদ বোধ করলে একটানা ১৬ ঘণ্টাও ঘুমোতে পারে এরা।
৭৮
দ্রুততম কুকুরের প্রজাতগুলোর মধ্যে একটি হল গ্রে হাউন্ড। ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে দৌড়াতে সক্ষম এরা। একইভাবে ঘুমেও পারদর্শী এরা। ১৬ থেকে ২২ ঘণ্টা ঘুমোতে পারে নিশ্চিন্তে।
৮৮
ব্রিটিশ প্রজাতির কুকুর এই ম্যাস্টিফও ঘুমোতে ভালোবাসে। দিনে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে এরা। যা এই প্রজাতির গ্রোথের ক্ষেত্রে জরুরিও বটে।
দীপাবলির পর থেকেই বায়ুদূষণে জর্জরিত দিল্লি। বৃহস্পতিবার বছরের প্রথম দিন ‘ভয়াবহ’ পর্যায়ে পৌঁছল রাজধানীর বাতাস। দূষণের পাশাপাশি ঘন কুয়াশার গাঢ় পর্দায় মুখ ঢেকে গিয়েছে দিল্লির। সবমিলিয়ে দমবন্ধ পরিস্থিতি সেখানকার বাসিন্দাদের।
২৮
দূষণ রুখতে মাস খানেক আগে ‘ক্লাউড সিডিং’-এর ব্যবস্থা করেছিল দিল্লি সরকার। তার ট্রায়ালও হয়। কিন্তু বৃষ্টি হয়েছে না-হওয়ার-মতো। অথচ তিনটি ব্যর্থ ট্রায়াল বাবদ প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয়নি। বরং লাফিয়ে বেড়েছে দূষণ।
প্রতিবারের মতো এবছরও তুষারপাত হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। বরফের সাদা চাদরে ঢেকেছে ভূস্বর্গের রাস্তাঘাট, গাছপালা। যেন শ্বেতশুভ্র অলংকারে সেজেছে উপত্যকা। কনকনে ঠান্ডায় বরফঢাকা ভূস্বর্গের রূপ দেখতে ভিড় জমিয়েছেন পর্যটকরা। গুলমার্গের কঙ্গোদ্রিতে স্লেজের আনন্দ নিচ্ছেন বহু মানুষ।
৪৮
বরফের চাদরে ঢাকা পড়েছে সোনমার্গ। হিমশীতল আবহাওয়ায় কাশ্মীরের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল যেন ‘শ্বেত মায়নগর’।
৫৮
শীতের দৌড়ে পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গও। ১৮ বছর পর বর্ষবরণে রেকর্ড ঠান্ডা বাংলায়। বুধবার কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৬ ডিগ্রি কম। ডিসেম্বরের শেষে ঠান্ডায় জবুথবু কলকাতাবাসী।
বৃহস্পতিবার মরশুমের প্রথম তুষারপাতে ঢাকা পড়ল হিমাচল প্রদেশের ডালহাউসি। বছরের প্রথম দিনেই খুশির হাওয়া পর্যটকদের মনে। বরফে ঢাকা পড়েছে গাছপালা, রাস্তাঘাট। বরফে ঢাকা পড়েছে কুলু, মানালি এবং রোটাং পাসও।
৭৮
বছরের প্রথম দিন অকালবৃষ্টিতে ভিজল বাণিজ্যনগরী মুম্বই। বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টি নামে। কোথাও মুষলধারে আবার কোথাও হালকা বৃষ্টিপাত হয়। তবে বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব খুব অল্প ছিল।
৮৮
বৃহস্পতিবার হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যে ঘুম ভেঙেছে উত্তর ভারতের। দিল্লির পাশাপাশি হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ডেও নেমেছে পারদ।
নতুন বছরের প্রথম সকাল। তার উপর আবার কল্পতরু উৎসব। পুজোপাঠ, প্রার্থনায় নতুনকে বরণ করে নেওয়ার পালা। তাই বেশিরভাগ মানুষই বৃহস্পতিবার কাকভোর থেকেই দক্ষিণেশ্বরমুখী। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়।
২৯
১৮৮৬ সালের পয়লা জানুয়ারি কল্পতরু রূপে ভক্তদের আশীর্বাদ করেছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ৷ কাশীপুর উদ্যান বাটীতেই ভক্তদের আশীর্বাদ করে রামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘তোমাদের চৈতন্য হোক’। এরপর থেকেই প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনে পালিত হয়ে আসছে কল্পতরু উৎসব। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়।
কল্পতরু উৎসবের দিন পরমহংসদেবের কাছে মন থেকে চাইলে সে ইচ্ছা পূরণ হয়, সেই বিশ্বাস থেকেই সাতসকালে মন্দিরের বাইরে ভক্তের ঢল। দিনভর চলবে পুজোপাঠ। আলোচনা করা হবে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবন ও বাণী নিয়ে। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়।
৪৯
রীতি মেনে দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিণীর পুজো হচ্ছে। নতুন সাজে সাজানো হয়েছে মা ভবতারিণীকে। নতুন বেনারসি, গয়নায় সাজানো হয়েছে মাকে। ছবি: রমেন দাস।
৫৯
দিনভর চলে হোম-যজ্ঞ ও পুজোপাঠ। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই মন্দিরের বাইরে ফুলের ডালা হাতে ভক্তদের লম্বা লাইন চোখে পড়েছে। ভোররাত থেকেই ক্রমশ মন্দির চত্বরে বাড়ে শুরু করে ভিড়। কাশীপুর উদ্যানবাটি, কামারপুকুরেও ভক্তদের লম্বা লাইন। ছবি: কৌশিক দত্ত।
প্রতিবারই বছরের প্রথমদিন তুলনামূলক বেশি ভক্ত সমাগম হয় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটি ও দক্ষিণেশ্বরে। কল্পতরু উৎসবে যোগ দেন বহু মানুষ। ছবি: কৌশিক দত্ত।
৭৯
শুধু এই রাজ্যই নয়। ভিনরাজ্যের মানুষও পুজো দিতে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে ভিড় জমান। কেউ দু'ঘণ্টা, আবার কেউবা তিনঘণ্টা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে জবার মালা এবং মূলো দিয়ে পুজো দেন। ছবি: কৌশিক দত্ত।
৮৯
ভিড় সামাল দিতে বিশেষ নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মন্দির চত্বরে ব্যারিকেড করে ভক্তদের লাইন দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে কোনও অশান্তি হয় তাই পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়।
৯৯
কাশীপুর উদ্যানবাটিতেও এদিন দিনভর বিশেষ পূজার্চনার আয়োজন করা হয়। ছবি: কৌশিক দত্ত।