বিনোদুনিয়ায় কঠোর পরিশ্রমের পর সাফল্য মেলা যেমন কঠিন তেমনই সেই সাফল্যকে ধরে রাখা ততোধিক কঠিন। যাঁরা তা পেরেছেন তাঁরা আজ দর্শকের মনে রাজত্ব করছেন আর যাঁরা তা পারেননি তাঁরা চলে গিয়েছেন অন্তরালে। বলিউডে এহেন নায়িকার সংখ্যা কম নয়। অভিনয় হোক বা যৌন আবেদন,একসময়ে পর্দায় ঝড় তোলা নায়িকারা জনপ্রিয়তা পেয়েও চলে গিয়েছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। কোন কোন নায়িকারা রয়েছেন সেই তালিকায়?
২৮
যৌন আবেদনে একসময়ে পর্দায় আগুন ধরিয়েছিলেন তনুশ্রী দত্ত। ইমরান হাসমির সঙ্গে 'আশিক বানায়া আপনে' ছবিতে সাহসী দৃশ্যে রীতিমতো আগুন ধরিয়েছিলেন তিনি। বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয়ের পর হঠাৎ করেই বলিউড থেকে উধাও হয়ে যান । তবে বহু বছর পর 'মি টু' বিতর্কে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তনুশ্রী।
ইমরান হাসমির আরও এক নায়িকা উদিতা গোস্বামীর ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই। 'জেহর', 'অকসর'-এর মতো একাধিক ছবিতে আবেদনময়ী হয়ে ধরা দিলেও পরবর্তীতে তাঁকে সেভাবে আর পাওয়া যায়নি পর্দায়। একসময়ে বলিউড থেকে সরে যান উদিতা।
৪৮
'মার্ডার', 'খোয়াইশ'-এর মতো ছবি মল্লিকা শেরাওয়াতকে 'সেক্স সিম্বল' হিসেবে দর্শকের কাছে পরিচিত করেছিল। আইটেম নম্বরেও ঝড় তুলতেন মল্লিকা। সেই নায়িকাও তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর সরে যান বিনোদুনিয়া তথা বলিউড থেকে।
৫৮
'আপনা সপনা মানি মানি', 'নো এন্ট্রি'-এর মতো ছবিতে হটনেসের দিক থেকে তাক লাগিয়েছেন সেলিনা জেটলি। বহু ছবিতে অভিনয়ের পর জনপ্রিয়তা পেয়েও অভিনয়জীবন থেকে সরে যান সেলিনা।
এই তালিকায় রয়েছেন আরও এক অভিনেত্রী অন্তরা মালি। পর্দায় লাস্যময়ীরূপে সকলকে তাক লাগিয়েছেন অন্তরা। পরে সরে যান বলিউড থেকে।
৭৮
তবে শুধুই যৌন আবেদনের দিক থেকেই নয়। অভিনয়েও দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এমন অনেক নায়িকা যারা পরে বলিউড ত্যাগ করেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আয়েশা টাকিয়া।
৮৮
প্রথম দর্শনে তাঁকে দেখে মনে হয় যেন স্বয়ং ঐশ্বর্য। তিনি স্নেহা উল্লাল। সলমনের ছবিতে ডেবিউ করেন স্নেহা। রাইসুন্দরীর মতো মুখের আদল হওয়ায় দর্শকের কাছে খুব কম সময়ে জনপ্রিয়তা পেয়েও টিকে থাকতে পারেননি বিনোদুনিয়ায়। ছবি: সোশাল মিডিয়া
নিঝুম রাত হোক বা ভরদুপুর, সর্বদা সজাগ থাকে কুকুর। নজর রাখে সবকিছুর উপর। প্রায় সকলেরই এমন ধারণা। কিন্তু জানেন কি এই ধারণা একেবারে ভুল? কিছু প্রজাতির কুকুর রয়েছে যারা ঘুমোতে ওস্তাদ। নির্দ্বিধায় বলা যায়, মানুষের চেয়েও বেশি ঘুমোতে পারে তারা। একটানা ১৮ ঘণ্টা ঘুমোলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই!
২৮
নিশ্চয়ই ভাবছেন এই তালিকায় কোন কোন প্রজাতির কুকুর? প্রথম নাম হল, ব্রিটিশ বুলডগ। এদের ইংলিশ বুলডগও বলে। এই প্রজাতির কুকুরকে কোনওকিছুই বিশেষ উদ্বিগ্ন করতে পারে না। বরবর ফুরফুরে মেজাজেই থাকে এরা। ঘুম এদের অত্যন্ত প্রিয়। তথ্য বলছে, দিনে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে এরা।
তালিকায় রয়েছে বাসেট হাউন্ডও। ছোট পায়ের এই কুকুরটিও অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের। সহজেই যে কারও সঙ্গে মিশে যাওয়ায় এদের জুড়ি মেলা ভার! সাধারণও এরা ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা ঘুমোয়। তবে তা ২০ ঘণ্টা হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই।
৪৮
ঘুমোতে ওস্তাদ সেন্ট বার্নার্ড প্রজাতির কুকুরও। আকারে বড় হওয়ায় এমনিতেই এদের বেশি বিশ্রামের প্রয়োজন। অন্যথায় শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পূর্ণবয়স্ক সেন্ট বার্নার্ড নিয়মিত ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে।
৫৮
গ্রেট ডেন প্রজাতির কুকুরও দিনের একটা বড় সময় কাটায় ঘুমিয়েই। বিরাট আকার হওয়ায় এদেরও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঘুমের প্রয়োজন। নিয়মিত ১২-১৪ ঘণ্টা ঘুম এদের ক্ষেত্রে খুবই স্বাভাবিক।
আকারে ছোট হলেও ঘুমপ্রিয় প্রজাতিগুলোর মধ্যেই একটি হল শিৎ জু। নিরাপদ বোধ করলে একটানা ১৬ ঘণ্টাও ঘুমোতে পারে এরা।
৭৮
দ্রুততম কুকুরের প্রজাতগুলোর মধ্যে একটি হল গ্রে হাউন্ড। ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে দৌড়াতে সক্ষম এরা। একইভাবে ঘুমেও পারদর্শী এরা। ১৬ থেকে ২২ ঘণ্টা ঘুমোতে পারে নিশ্চিন্তে।
৮৮
ব্রিটিশ প্রজাতির কুকুর এই ম্যাস্টিফও ঘুমোতে ভালোবাসে। দিনে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে এরা। যা এই প্রজাতির গ্রোথের ক্ষেত্রে জরুরিও বটে।
দীপাবলির পর থেকেই বায়ুদূষণে জর্জরিত দিল্লি। বৃহস্পতিবার বছরের প্রথম দিন ‘ভয়াবহ’ পর্যায়ে পৌঁছল রাজধানীর বাতাস। দূষণের পাশাপাশি ঘন কুয়াশার গাঢ় পর্দায় মুখ ঢেকে গিয়েছে দিল্লির। সবমিলিয়ে দমবন্ধ পরিস্থিতি সেখানকার বাসিন্দাদের।
২৮
দূষণ রুখতে মাস খানেক আগে ‘ক্লাউড সিডিং’-এর ব্যবস্থা করেছিল দিল্লি সরকার। তার ট্রায়ালও হয়। কিন্তু বৃষ্টি হয়েছে না-হওয়ার-মতো। অথচ তিনটি ব্যর্থ ট্রায়াল বাবদ প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয়নি। বরং লাফিয়ে বেড়েছে দূষণ।
প্রতিবারের মতো এবছরও তুষারপাত হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। বরফের সাদা চাদরে ঢেকেছে ভূস্বর্গের রাস্তাঘাট, গাছপালা। যেন শ্বেতশুভ্র অলংকারে সেজেছে উপত্যকা। কনকনে ঠান্ডায় বরফঢাকা ভূস্বর্গের রূপ দেখতে ভিড় জমিয়েছেন পর্যটকরা। গুলমার্গের কঙ্গোদ্রিতে স্লেজের আনন্দ নিচ্ছেন বহু মানুষ।
৪৮
বরফের চাদরে ঢাকা পড়েছে সোনমার্গ। হিমশীতল আবহাওয়ায় কাশ্মীরের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল যেন ‘শ্বেত মায়নগর’।
৫৮
শীতের দৌড়ে পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গও। ১৮ বছর পর বর্ষবরণে রেকর্ড ঠান্ডা বাংলায়। বুধবার কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৬ ডিগ্রি কম। ডিসেম্বরের শেষে ঠান্ডায় জবুথবু কলকাতাবাসী।
বৃহস্পতিবার মরশুমের প্রথম তুষারপাতে ঢাকা পড়ল হিমাচল প্রদেশের ডালহাউসি। বছরের প্রথম দিনেই খুশির হাওয়া পর্যটকদের মনে। বরফে ঢাকা পড়েছে গাছপালা, রাস্তাঘাট। বরফে ঢাকা পড়েছে কুলু, মানালি এবং রোটাং পাসও।
৭৮
বছরের প্রথম দিন অকালবৃষ্টিতে ভিজল বাণিজ্যনগরী মুম্বই। বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টি নামে। কোথাও মুষলধারে আবার কোথাও হালকা বৃষ্টিপাত হয়। তবে বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব খুব অল্প ছিল।
৮৮
বৃহস্পতিবার হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যে ঘুম ভেঙেছে উত্তর ভারতের। দিল্লির পাশাপাশি হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ডেও নেমেছে পারদ।