দ্বিতীয়বার মা হওয়ার পিছনে বিরাট অবদান ঋতুপর্ণার! কোন সত্যি ফাঁস করলেন শ্রীময়ী?
কৃষিভের জন্মের পরদিন কোন সত্য সকলের সঙ্গে ভাগ করলেন শ্রীময়ী?
বাঙালি রীতি মেনে শ্রীময়ীর জন্য সাধের আয়োজন করেছিলেন ঋতুপর্ণা। লুচি থেকে শুরু করে পোলাও, পাঁচরকম ভাজা, মিষ্টি সহ পঞ্চব্যাঞ্জনে সাধভক্ষণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। সেই ছবি শেয়ার করে শ্রীময়ী জানেলেন, কৃষভের জন্মের আগে কেন ভয় পেয়েছিলেন? আর কীভাবে ঋতুপর্ণার ছত্রছায়ায় সেই ভয় দূর করেছিলেন। কৃষভের জন্মের পরদিন সেই সত্য কাহিনি সকলের সঙ্গে ভাগ করলেন।
আরও পড়ুন:
একটা সত্যি ঘটনা শেয়ার করছি। ইন্ডাস্ট্রিতে বন্ধু নেই বললেই চলে। যাঁরা আছেন তাঁরা পরিচিত বা সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু বন্ধু আর পরিচিতর মধ্যে পার্থক্যটা ২৯ বছরের বয়সে উপলব্ধি করেছি। সত্যি ভগবান যখন দেন দুহাত খুলে দেন। ইন্ডাস্ট্রিতে একজন প্রিয় বন্ধু দিয়েছেন যিনি রক্তের সম্পর্কের চেয়েও বেশি আপন। তিনি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। দ্বিতীয় প্রেগনেন্সি নিশ্চিত হতেই সবার প্রথম কাঞ্চন, মা বাবা ছাড়াও যাকে ফোন করেছিলাম তিনি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
আনন্দের মাঝেও একটা দুঃশ্চিন্তা ছিল। কৃষভি অনেকটাই ছোট, তাই ভয়টা বেশি পাচ্ছিলাম। তখন ঋতুদি বলেছিল যে আসছে তাকে আমন্ত্রণ জানা। মানুষ মাথা ঠুকে সন্তান পায় না। তোকে ঈশ্বর না চাইতেই দিয়েছেন, নেতিবাচক চিন্তাভাবনা মনে বা মুখেও আনবি না। নিজের উদাহরণ দিয়ে বলেছিল, আমি যেসময় দুই সন্তানের মা হয়েছি তখন ব্যাক টু ব্যাক ছবির হিরোইন। দিদির মত আমি সবসময় তোর পাশে আছি।
আরও পড়ুন:
সন্তানের জন্মের আগের মুহূর্তেও খবরটা শুধুমাত্র আমার আর ঋতুদির মধ্যেই ছিল। কাকপক্ষীতেও টের পায়নি। তাই আমি দৃঢ় কণ্ঠে বলতে পারি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত আমার প্রিয় বন্ধু। নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করি, যে আমি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর মত একজন দিদি এবং বান্ধবীকে আমার জীবনে পেয়েছি। আরও একবার বলছি, মানুষ হিসেবে উনি শ্রেষ্ঠতম।