ভারতের পৌষ মাসে পাকিস্তানের সর্বনাশ! বিশ্বকাপে ভারত-পাক দ্বৈরথে তৈরি হল একাধিক নজির
জেতা কেবল নয়, পাকিস্তানকে একেবারে দুরমুশ করে জিতেছে সূর্যকুমারের ভারত।
আরও পড়ুন:
প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ঈশানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে পাকিস্তানের সামনে ১৭৬ রানের লক্ষ্য রাখে ভারত। জবাবে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। এটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাক দলের তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। ২০১৪-র বিশ্বকাপের আসরে ৮২ এবং ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১১৩ রানে অলআউট হওয়ার নজির রয়েছে পাকিস্তানের।
ইতিহাস বলছে, টি-২০ বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচের মধ্যে একমাত্র ২০২১ সাল বাদে প্রতিবার হেরেছে পাকিস্তান। ২০২১ সালের সেই হারের পর ভারতীয় ক্রিকেটে আমূল বদল আসে। অধিনায়কত্বের ব্যাটন বিরাটের হাত থেকে যায় রোহিতের হাতে। তারপর দু’টো আইসিসি ট্রফি এসেছে টিম ইন্ডিয়ার ঝুলিতে। অথচ বছরের পর বছর ধরে বদলাচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেট।
আরও পড়ুন:
এখানেই শেষ নয়। রেকর্ডবুকে জায়গা করে করে নিয়েছে আরও এক পরিসংখ্যান। ২০২৩ সালের পর থেকে আইসিসি ইভেন্টে টানা ১৬ ম্যাচে জয় পেয়েছে ভারত। যা ভারতীয় দলের সর্বোচ্চ জয়ের নজির। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে ২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া টানা ১৫ ম্যাচ জিতেছিল। তাদের পিছনে ফেলল ভারতীয় দল। তাছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা ১১ ম্যাচে জয় পেল মেন ইন ব্লু।
ভারতকে জব্দ করতে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৬ স্পিনারকে ব্যবহার করেছে। সব মিলিয়ে পাক স্পিনাররা ১৮ ওভার বল করেছেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ নজির। ২০১২ সালে এই কলম্বোতেই অস্ট্রেলিয়ার ১৮ ওভার বল করেছিলেন পাক স্পিনাররা। তাছাড়াও ১৮ ওভার বল করার কৃতিত্ব রয়েছে জিম্বাবোয়ের স্পিনারদেরও। আরও একটা নজির হল রবিবারের মহারণে ভারত-পাকিস্তান মিলিয়ে ১১ জন স্পিনার বল করেছেন। ভারতের ৫, পাকিস্তানের ৬। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ।