মুখেই বড় বড় কথা! আইপিএলের আনক্যাপড ক্রিকেটারের চেয়েও কম বেতন পিএসএলে সবচেয়ে দামি তারকার
এক দিকে অর্থের স্রোতে ভেসে যেতে পারেন ক্রিকেটাররা। অন্যদিকে অর্থ আনতে গিয়ে কালঘাম ছোটে ক্রিকেটারদের।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তান সুপার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার স্টিভ স্মিথ। আইপিএলে দল পাননি। তাই মহাসমারোহে পিএসএলে হয়েছেন। পাকিস্তানি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের ১১তম সংস্করণে শিয়ালকোট স্ট্যালিওনজ অজি তারকাকে রেকর্ড টাকায় কিনেছে। তিনি পাবেন ১৪ কোটি পাকিস্তানি রুপি। ভারতীয় মুদ্রায় যা সাড়ে ৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ যা প্রশান্ত বীরের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা কম।
এবার ফ্ল্যাশব্যাকে একবছর পিছিয়ে যাওয়া যাক। ২০২৫ সাল। আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাস গড়েছিলেন ঋষভ পন্থ। নিলামে তাঁকে ২৭ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। সেই অর্থ স্মিথের প্রায় ২৩ কোটি টাকা বেশি। আবার পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাবে, আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটারের বেতন পিএসএলের গত বছরের সবচেয়ে দামি প্রথম ১০ ক্রিকেটারের মিলিত বেতনের চেয়ে বহু গুণ বেশি।
আরও পড়ুন:
উপরের পরিসংখ্যানের পর একবার ভাবুন, গত আইপিএলে ঋষভ পন্থ একাই পেয়েছিলেন ২৭ কোটি। শ্রেয়স আইয়ারকে পাঞ্জাব কিংস কিনেছিল ২৬.৭৫ কোটি টাকায়। সুতরাং দুই আইপিএল ক্রিকেটারের সম্মিলিত বেতন পাকিস্তানে একটি পেশাদার টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানার মূল্যের সমান। এমন পরিসংখ্যান কেবল বেতন বৈষম্য নয়, বিশ্বব্যাপী খেলাধুলার ক্ষেত্রেও দুর্লভ দৃষ্টান্ত।
যদিও এক্ষেত্রেও বহু যোজন পিছিয়ে পিএসএল। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু পেয়েছিল ২০ কোটি টাকা। রানার্স দল পেয়েছিল ১২ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে থাকা দল ৭ কোটি টাকা। চতুর্থ স্থানে থাকা দল পেয়েছিল ৬.৫ কোটি। অর্থাৎ পিএসএলের চ্যাম্পিয়ন দলের পুরস্কার মূল্য আইপিএলের চতুর্থ স্থানে থাকা দলের পুরস্কার মূল্য চেয়ে অনেক কম।