টেস্ট থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়েছিল! কেরিয়ারের বিস্ফোরক ৫ গোপন কথা ফাঁস বিরাটের
নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও মুখ খুললেন কোহলি।
চলতি আইপিএলে দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন কোহলি। কমলা টুপির লড়াইয়েও রয়েছেন। তা সত্ত্বেও অনেকেই তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটীয় ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। সামনের বছর দক্ষিণ আফ্রিকার পঞ্চাশ ওভারের বিশ্বকাপ খেলবেন কি না, সেটা নিয়েও জল্পনা চলছে। এর মধ্যেই জল্পনা, টেস্ট থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়েছিল তাঁকে। কেরিয়ারের বিস্ফোরক পাঁচ গোপন কথা ফাঁসও করেছেন বিরাট।
আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপের সময় কোহলির বয়স হবে ৩৯। ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাছাড়া তারুণ্যে নজর দিতে গিয়ে কোহলি বা রোহিত শর্মাদের মতো সিনিয়রদের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে গম্ভীরের। মাঝে তো রো-কো’র ওয়ানডে দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। তবে টানা সেঞ্চুরি করে জবাব দিয়েছেন কোহলি। ফের নিজেকে প্রমাণ করতে হবে? একেবারেই রাজি নন ‘কিং’।
বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে জল্পনার মাঝেই কোহলি স্পষ্ট করে দেন, এখনও তাঁর খেলার ইচ্ছা অটুট। তিনি বলেন, “আমরা এখন ২০২৬-এর মাঝামাঝি। আমাকে এতবার জিজ্ঞেস করা হয়েছে, ‘তুমি কি ২০২৭-এ খেলবে?’ আমি কেন সব ছেড়ে দেব বলতে পারেন? কেনই বা বাড়ি ছেড়ে, সমস্ত জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে এসে বলব যে, ‘জানি না আমি কী চাই!’ আমি এখনও খেলতে চাই। ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ খেলা সবসময়ই অসাধারণ ব্যাপার।”
আরও পড়ুন:
৫৪টি ওয়ানডে সেঞ্চুরির মালিক বলছেন, “আমার পরিকল্পনা পরিষ্কার। যেখানে আছি, সেই পরিবেশে যদি নিজের অবদান রাখতে পারি। কিংবা যদি অবদান রাখার মতো জায়গা থাকে, তাহলে আমাকে দেখতে পাবেন। কিন্তু নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার মতো জায়গায় আমি নেই। কারণ নিজের প্রস্তুতি নিয়ে আমি সৎ। নিয়মিত পরিশ্রম করছি। ক্রিকেট জীবনে যা পেয়েছি, তার জন্য কৃতজ্ঞ। আজও যখন খেলতে নামি, তখন মন দিয়েই খেলি।”
এর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার ব্যাপারে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির কথাও তুলে ধরেন। কোহলি মনে করেন, তরুণদের উন্নতিতে সাহায্য করাই ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করবে। কোহলি বলেন, “যদি তরুণরা উন্নতি করে, শেষপর্যন্ত তারাই ভারতের হয়ে খেলবে। ওরাই ভারতীয় ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একেই আমি উন্নতি হিসাবে দেখি।”
বিরাটের পাশে দাঁড়িয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিনও। তাঁর কথায়, “ও যদি বলে থাকে, নিজের মূল্য নতুন করে প্রমাণ করার কিছু নেই, তবে একেবারে ঠিক বলেছে। আমি কোহলির সঙ্গে সহমত। ভারতের হয়ে এত বছর খেলার পর, এত ম্যাচে জয় এনে দেওয়ার পর ওর নিশ্চয়ই নতুন করে প্রমাণ করার থাকতে পারে না। যত দিন খেলবে, বিরাট যেন খেলাটাকে আরও বেশি করে উপভোগ করে।”
অনেকেই মনে করছেন, বিরাটের বার্তায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে বোর্ড। ৩৭ বছর বয়সেও তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, আগের মতোই ফিট রয়েছেন। আরামসে পুরো ৫০ ওভার মাঠে থাকতে পারেন। দৌড়ে বেড়াতে পারেন। তাই তাঁকে বাদ দেওয়া যাবে না। অনেকেই আবার প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে কি বিসিসিআই তাঁকে 'বাধ্যতামূলক' অবসরের কথা বলেছেন? আর যা শুনে বিরক্ত বিরাট।