Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
শব্দদানব

শব্দদানবের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবি, পথে নেমে আন্দোলনে পরিবেশ কর্মীরা

আইন অমান্য করলেই নেওয়া হবে ব্যবস্থা, কড়া অবস্থান পুলিশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৯, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৯, ২১:১৬

options
link
শব্দদানবের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবি, পথে নেমে আন্দোলনে পরিবেশ কর্মীরা zoom
Advertisement

সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া: কালীপুজোয় ডিজে এবং শব্দবাজির ব্যবহার বন্ধের দাবিতে সরব উলুবেড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠন। লাগামহীনভাবে ডিজে বা জেবিএল বক্স বাজানো এবং তীব্র শব্দ সৃষ্টিকারী শব্দবাজির ব্যবহার সম্পর্কে কয়েকটি সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। আইন অমান্য করলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে পুলিশ।

লক্ষ্মীপুজোর পর বাগনান থানা তিন গাড়ি জেবিএল বক্স ও মাইক বাজেয়াপ্ত করেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বাগনান থানার পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেছেন অনেকেই। পরিবেশ কর্মীদের দাবি, প্রায় প্রতিটি পুজো কমিটির সঙ্গে রাজনীতিকদের  যোগাযোগ রয়েছে। তাই ডিজের মতো শব্দদানবের অত্যাচার লেগেই থাকে। পুলিশ বহু ক্ষেত্রে নীরব দর্শক হয়ে থাকে। রাজনৈতিক মদতপুষ্ট কিছু পুজো বা উৎসব কমিটির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলেও পুলিশ কমিটির বিরুদ্ধে কোনওরকম ব্যবস্থা নিতে সাহস দেখায় না বলেও তাঁদের অভিযোগ। উলুবেড়িয়ার মাধবপুরে পরিবেশ চেতনা সমিতির উদ্যোগে  ডিজে, শব্দবাজি, অতিরিক্ত ধোঁয়াযুক্ত আতসবাজি, চিনা আলো, প্লাস্টিক ও থার্মোকলের ব্যবহার বন্ধ করার দাবিতে পদযাত্রা আয়োজন করা হয়। উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালতের সামনে থেকে থানা পর্যন্ত চলে পদযাত্রা। সংগঠনের সম্পাদক জয়িতা কুণ্ডু বলেন, “শব্দদূষণ রুখতে পুলিশকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।” তাঁরা উলুবেড়িয়া থানায় একটি আবেদনপত্র জমা দেন। একই সঙ্গে থানার আইসি কৌশিক কুণ্ডুর হাতে তাঁরা একটি মাটির প্রদীপ তুলে দেন। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: পরিবেশ নিয়ে চিন্তিত, মেয়ে সারার সঙ্গে ‘কাবেরী কলিং’-এর প্রচার যিশুর]

উত্তরণ কলা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে গত চার বছর যাবৎ তাঁরা শ্যামপুর এলাকায় ডিজের ব্যবহার বন্ধ করার জন্য বহুবার পুলিশকে আবেদন জানিয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ পুরোপুরিভাবে ডিজের ব্যবহার বন্ধ করতে পারেনি।  গ্রামীণ হাওড়া পরিবেশ যৌথ মঞ্চ, স্বপ্ন উড়ান ভ্রমণ গ্রুপ, আমরা শ্যামপুরবাসী প্রভৃতি সংগঠনের পক্ষ থেকেও ডিজে ও শব্দবাজি বন্ধ করার দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় প্রচার চালানো হচ্ছে। হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার সৌম্য রায় জানান, ইতিমধ্যে জেলার বিভিন্ন পুজো কমিটিগুলিকে ডিজে ও শব্দবাজির ব্যবহার বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশ অমান্য করলে পুজো কমিটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.