Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
শচীন

স্বার্থের সংঘাত ইস্যুতে শচীন-লক্ষ্মণকে তলব করলেন বিসিসিআইয়ের ওম্বুডসম্যান

ডাকা হয়েছে বোর্ড সিইও রাহুল জোহরিকেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০১৯, ১০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০১৯, ১০:২৪

options
link
স্বার্থের সংঘাত ইস্যুতে শচীন-লক্ষ্মণকে তলব করলেন বিসিসিআইয়ের ওম্বুডসম্যান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বার্থ সংঘাত ইস্যুতে ভারতীয় ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন তেণ্ডুলকর এবং ভিভিএস লক্ষ্মণকে শমন পাঠালেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত বিসিসিআইয়ের ওম্বুডসম্যান ডি কে জৈন। আগামী ১৪ মে দুই প্রাক্তন তারকার সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। তলব পাঠালেও বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি কখন এবং কোথায় এই বৈঠক হবে। শচীনদের সঙ্গে ডাকা হয়েছে অভিযোগকারী মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশেনর কর্তা সঞ্জীব গুপ্তা এবং বিসিসিআইয়ের সিইও রাহুল জোহরিকে।

শচীন এবং লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সঞ্জীব গুপ্তা। বলেছিলেন, দু’জনেই ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটিতে থাকার পাশাপাশি আইপিএলে দুই ফ্র‌্যাঞ্চাইজির সঙ্গে জড়িত। এটা কী করে সম্ভব? তাঁর অভিযোগ অবশ্য দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার উড়িয়ে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, স্বপক্ষে যুক্তি নিয়ে ভারতীয় বোর্ডের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন লক্ষ্ণণ এবং মাস্টার ব্লাস্টার

Advertisement

[আরও পড়ুন: অভিনেত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট! নেটদুনিয়ায় কুরুচিকর আক্রমণ হার্দিককে]

উল্লেখ্য, ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটির তিন সদস্য শচীন, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও ভিভিএস লক্ষ্মণের কাছে স্বার্থ সংঘাতের প্রশ্ন তুলে নোটিস পাঠিয়েছিলেন বিসিসিআইয়ের এথিক্স অফিসার তথা ওম্বুডসম্যান জৈন। তবে তিনজনই তাঁদের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ খারিজ করেছেন। তিন প্রাক্তনকে পাঠানো নোটিসে ‘ট্র‌্যাক্টেবল কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট’-এর কথা বলা হয়েছে। শচীন এক বার্তায় ১০, ১১ ও ১২ নম্বর পয়েন্টের পালটা যুক্তি সাজান। যেখানে বলেন, বিসিসিআই তাঁকে ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটিতে এনেছিল, আবার তারাই এখন স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ এনেছে। শচীন মনে করিয়ে দিয়েছেন, তিনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের আইকন ২০১৩ থেকে। বোর্ডের পদ গ্রহণ করেন ২০১৫-তে। লক্ষ্মণের মতো শচীনও বলেন, বোর্ডের সিওএ বা সিইও, কেউ ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটিতে থাকার শর্ত পরিষ্কার করে দেননি। তিনি বারবার তাঁর ভূমিকা জানতে চেয়েছিলেন। যার জবাব আজ পর্যন্ত পাননি।

বিসিসিআইয়ের ওম্বুডসম্যান বিচারপতি ডি কে জৈনকে শচীন জানিয়েছেন, তাঁর ভূমিকা স্পষ্ট করার জন্য সিওএ প্রধান বিনোদ রাই এবং সিইও রাহুল জোহরির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু তার উত্তর এখনও পাননি। তাহলে শচীন কী করে বুঝবেন, তিনি কোন কাজ করতে পারবেন আর কোনটা পারবেন না। তাছাড়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে কাজ করার জন্য তিনি কোনও অর্থ নেন না, সেটাও জানিয়েছেন। এবার ওম্বুডসম্যানের সামনে একথাই নতুন করে তাঁকে বলতে হবে।

[আরও পড়ুন: হিটম্যানের ম্যাজিকে আইপিএল থেকে ভ্যানিশ কেকেআর, প্রশ্নের মুখে কার্তিকের নেতৃত্ব]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.