সঞ্জু স্যামসনকে বসিয়ে বৈভব সূর্যবংশীকে সুযোগ! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে নেওয়া সেই সিদ্ধান্তকে নিজের কোচিং কেরিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত বলে বর্ণনা করলেন টিম ইন্ডিয়ার হেডকোচ গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। ভারতীয় দলের হেডস্যর বলছেন, “যেভাবে বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটারকে বসাতে হয়েছিল, সেই সিদ্ধান্তের পর রাতে ঘুমোতে পারিনি।”
বাইশ গজে ইতিমধ্যে প্রতিভার দ্যুতি ছড়িয়েছে বৈভব। চলতি বছরের জুলাইতে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়েছে। অভিষেক ম্যাচে সে খেলেছিল সঞ্জু স্যামসনের বদলে। সেই সিদ্ধান্তটি নিয়েই নাকি রাতভর আক্ষেপ করতে হয় গম্ভীরকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গম্ভীর বলেছেন, “আমার দু’বছরের কোচিং জীবনে ওই একটা রাতেই ঘুমোতে পারিনি। সেটা আমি সঞ্জুকেও বলেছি। কেউ বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছিল, তাঁকে ৩-৪টে খারাপ ম্যাচের পর বাদ দিয়ে দিতে হল। কারণ বৈভবও খুব ভালো ফর্মে ছিল। আমরা চাইছিলাম ম্যাচের শুরুটা ভালো হোক।”
আরও পড়ুন:
গম্ভীর বলছেন, “বৈভবদের মতো তরুণদের বুঝতে হবে, ও হয়তো দারুন ফর্মে কিন্তু ওকে সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমরা জানি ওর কী প্রতিভা আর ও কী করতে পারে। কিন্তু অন্য একজন যে কিনা ২-৩ বছর ধরে লাগাতার পারফর্ম করছে সে সবসময় এগিয়ে থাকবে।” ভারতীয় দলের হেডকোচের বক্তব্য, “আমরা যারা ভারতের হয়ে খেলি বা কোচিং করাই সবাই চাই, জিততে। আমি বৈভবকে বুঝিয়েছি, ভালো ফর্মে থাকলেও তোমাকে প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।”
আরও একটা বিষয় নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছন ভারতীয় কোচ। তিনি বলছেন, “সোশাল মিডিয়ায় ভারতীয় দল ঠিক হয় না। সেখানে কী আলোচনা হচ্ছে, সেটাকে আমরা গুরুত্ব দিই না। আমরা ২-৩ বছর ধরে যে কম্বিনেশনে সফল হয়েছি, সেটাকে রাতারাতি বাদ দিয়ে দেওয়া যায় না। দলটা আমরা যারা ড্রেসিং রুমে থাকি তাঁরা নির্বাচন করি। হয়তো জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ। কিন্তু আমরা জিততে চাই। তাই সুযোগের জন্য তরুণদের অপেক্ষা করতে হয়।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দুধের তৈরি না হলে বলা যাবে না ‘পনির’, ভেজালের রমরমা রুখতে কড়া নিয়মের পথে কেন্দ্র
-
পুজোয় বাঙালির পাতে পড়বে না পদ্মার ইলিশ! রুপোলি শস্য রপ্তানিতে মেলেনি ছাড়পত্র
-
SIR-এ বাদ, ট্রাইব্যুনালেও ওঠেনি নাম, হতাশায় চরম সিদ্ধান্ত কালনার যুবকের!
-
নাম জড়ায় ভূপেশ বাঘেল, রণবীর কাপুরদের! গ্রেপ্তার সেই মহাদেব বেটিং অ্যাপের কিংপিং
-
নেতাজি ও বিপ্লবী ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তীর সম্পর্ক, ফৈজাবাদের রহস্যময় সেই সাংকেতিক চিঠি