মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে হার্দিক পাণ্ডিয়ার (Hardik Pandya) ভবিষ্যৎ কী? তিনি কি সত্যিই দল ছাড়ছেন? গত আইপিএলের পর এই দুই প্রশ্ন নিয়ে হাজারো জল্পনা। শোনা যাচ্ছিল, কলকাতা নাইট রাইডার্স, চেন্নাই সুপার কিংস-সহ একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি অলরাউন্ডারকে দলে টানতে আগ্রহী। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আদৌ কি কেকেআর বা সিএসকে’তে যাবেন হার্দিক? এতটাও সহজ নয়। মনে করছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (Ravichandran Ashwin)। কারণও ব্যাখ্যা করলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার।
ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে মিনি নিলামের সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগে ক্রিকেটার কেনাবেচার পর্বেই হার্দিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে। তারকা অলরাউন্ডারের নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সে মুম্বই শিবির সন্তুষ্ট নয়। তবে অশ্বিন মনে করছেন, মুম্বই যে হার্দিককে ছাড়বেই, এমন নিশ্চয়তা নেই। ফলে কেকেআর বা চেন্নাই, ভারতের তারকা অলরাউন্ডার নাও পেতে পারে।
আরও পড়ুন:
অশ্বিনের যুক্তি, “আপনি হার্দিক পাণ্ডিয়ার মতো একজন অলরাউন্ডারকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলছেন। যাঁকে নিয়ে দড়ি টানাটানি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই, তিনবার চ্যাম্পিয়ন কেকেআরের মধ্যে। আমি যদি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স হই, তাহলে কেন হার্দিককে ছেড়ে এই দলগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে চাইব? বদলে আমি কী পাব?”
অশ্বিনের আরও যুক্তি, “হার্দিক বড়জোর বলতে পারেন, আমি এই দলের হয়ে খেলতে চাই না। কিন্তু একটা সময়ের পর আর বলতে পারবে না, এই দলে খেলবই। আমি দুয়েকটা সম্ভাবনা দেখতে পারছি। কেকেআর যদি হার্দিকের বদলে হর্ষিত রানা ও রিঙ্কু সিংকে মুম্বইয়ে দেয়। এতে মুম্বই আরও শক্তিশালী হবে। ক্যামেরন গ্রিন অ্যাশেজে খেলতে গেলে আইপিএল নাও খেলতে পারে। অন্যদিকে সিএসকে কী দিতে পারে? একজন পেসার ও শিবম দুবে। যদি মুম্বই অংশুল কাম্বোজ, খলিল আহমেদ ও শিবম দুবেকে চায়, তাহলে সিএস-কে-র ভারতীয় বোলিং শেষ। কেউই সেটা চাইবে না। ফলে এত সহজে চুক্তিও হবে না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পুজোর আগে ঘন মজবুত চুল চান? প্রসাধনী নয়, স্রেফ জমিয়ে খান এই বিশেষ লাড্ডু
-
দু’মাস বেতনহীন কলকাতা পুরসভা! টাকা পাচ্ছেন না ১০০ দিনের কাজের ১৫ হাজার পুরকর্মী
-
আপাতত ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয় থাকছে অভিষেকেরই! নিম্ন আদালতের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করল না হাই কোর্ট
-
ভেজ খাবারে এলার্জি? পুজোর আগে রোগা হতে ব্রহ্মাস্ত্র হতে পারে এই নিরামিষ ডায়েট
-
তৃণমূল, শিব সেনার পর আরও এক দলে ভাঙন! দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক মিশলেন বিজেপিতে