সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্ভাবনা আগেই তৈরি হয়েছিল। তাতেই সিলমোহর পড়ল। এবার আর ময়দানের চিরাচরিত বারপুজোর সাক্ষী থাকতে পারবেন না ফুটবলপ্রেমীরা। রবিবার নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এ খবর জানিয়ে দিল মোহনবাগান। একই পথে হাঁটল ইস্টবেঙ্গল ।
করোনা মোকাবিলায় প্রথমে দেশজুড়ে ১৪ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৪ এপ্রিল। কিন্তু দেশে বাড়তে থাকা ভাইরাসের প্রকোপ সেই সময়সীমাকে দীর্ঘায়িত করেছে।রাজ্যবাসীকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত গৃহবন্দিই থাকতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে কোনওভাবেই পয়লা বৈশাখে ক্লাবের মাঠে বারপুজো করা সম্ভব নয় বলেই জানালেন সবুজ-মেরুন কর্তারা।
[আরও পড়ুন: লকডাউনের মেয়াদ বাড়ায় ফের পিছল আইপিএল? টুর্নামেন্ট নিয়ে বড়সড় আপডেট দিলেন সৌরভ]
এদিন মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস বলেন, “এবার পয়লা বৈশাখে ময়দানের বহু প্রাচীন রীতি বারপুজো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সমর্থক ও সহকর্মীদের সুরক্ষা। আর সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। আমাদের আশা, খুব তাড়াতাড়ি এই কঠিন সময় পেরিয়ে যাবে আর ময়দানে ফিরবে ফুটবল।” ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার শনিবার জানান, পরিস্থিতির বিচার করে এবার পুজো করবেন না তাঁরা। বরং লকডাউন উঠে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আইএফএ-কে অনুরোধ জানাবেন একসঙ্গে ক্লাবের পক্ষ থেকে ময়দানে একটি পুজো করার।
বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন অর্থাৎ পয়লা বৈশাখেই প্রতিবার ময়দানে বারপুজো হয়ে থাকে। বারপোস্টকে পুজোর পর সেই দিনটিকেই মরশুম শুরুর দিন হিসেবে ধরা হয়। দলের অধিনায়ক থেকে ক্লাবকর্তা, সমর্থক- সকলেই সাতসকালে ভিড় জমান তাঁবুতে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কাছে বাঙালির সেই ঐতিহ্য ভেঙে চৌচির।
[আরও পড়ুন: জল্পনার ইতি, দু’বছরের জন্য ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন বলবন্ত সিং]
সর্বশেষ খবর
-
মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপকদের পদোন্নতিতে আর স্বজনপোষণ নয়! বড় পদক্ষেপ রাজ্যের
-
স্বরূপ গ্রেপ্তার হতেই খেলা শেষ! প্র্যাকটিস বন্ধ সুরুচির, আদৌ খেলবে শ্রীভূমি-ডায়মন্ড হারবার?
-
চাকরির ‘টোপ’ দিয়ে হাতানো জমিতে প্রাসাদ! জনতার বিক্ষোভে ‘গৃহবন্দি’ তৃণমূল নেতা
-
সরকারি বাড়ি পেতে নিজের তথ্য যাচাই করুন নিজেই! সাধারণের সুবিধার্থে নয়া অ্যাপ আনল রাজ্য
-
অভিনয় থেকে অবসর নিচ্ছেন অক্ষয়! ‘মৃত্যুর ৫ মিনিট আগে…’, কোন ইঙ্গিত খিলাড়ি কুমারের?