Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
হামজা লেস্টার সিটি

প্রথম বাঙালি হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে গোল করার নজির গড়লেন এই মিডিও

নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে শেষ গোলটি করেন এই মিডিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ২০:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ২০:০০

options
link
প্রথম বাঙালি হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে গোল করার নজির গড়লেন এই মিডিও zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ (ইপিএল) মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে পোগবা, মহম্মদ সালাহ, মেসুদ ওজিলের মতো তারকাদের ছবি। কিন্তু সেই বিশ্বখ্যাত ফুটবলারদের মাঝেও নজর কাড়লেন এক বাঙালি। প্রথম বাঙালি যিনি ইপিএলে গোল করে ইতিহাসে নাম লেখালেন। তিনি হামজা চৌধুরি।

বাঙালি ফুটবলার হামজার জন্ম ইংল্যান্ডের লাফবরোতে। কিন্তু তিনি আসলে বাংলাদেশ-গ্রেনাদা বংশোদ্ভুত। হামজার মা রাফিয়া সিলেটের বাঙালি পরিবারের কন্যা। তাঁর সৎ বাবার আদি বাড়িও ওই সিলেটেই। তবে জন্ম থেকে ইংল্যান্ডেই বড় হয়েছেন হামজা। কথাবার্তা-চালচলনে বিলেতি ছাপ থাকলেও বাংলাটা কিন্তু ভালই জানেন তিনি। আসলে ছোটবেলায় একাধিকবার সিলেটে গিয়েছেন। তাই বাংলা বুঝতে সমস্যা হয় না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে লিন-ম্যাক্সওয়েল, প্রতি ছক্কায় সর্বহারারা পাবেন ২৫০ ডলার]

সেই মিডফিল্ডারই বছরের প্রথম তিন গড়লেন নয়া ইতিহাস। ইপিএলে নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জেতে লেস্টার সিটি। সেই ম্যাচেই ৭৭ মিনিটে জেমস ম্যাডিসনের পরিবর্ত হিসেবে নেমে বিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন বাঙালি ফুটবলার। প্রথম বাঙালি হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে গোল করার রেকর্ড গড়ে উচ্ছ্বসিত হামজা।

hamza

মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই ফুটবলের প্রশিক্ষণ শুরু হয় তাঁর। লেস্টার সিটির জুনিয়র দলের হাত ধরে তাঁর ফুটবল কেরিয়ারের সূচনা। লেস্টারের হয়ে লিগ কাপেও খেলেছেন। তারই মাঝে আবার বার্টন অ্যালবিয়নে লোনে চলে গিয়েছিলেন। প্রিমিয়ার লিগে প্রথম খেলেন বছর দুয়েক আগে। গত মরশুমেই আবার তাঁর সঙ্গে নতুন করে চার বছরের চুক্তি করেছে ক্লাব। লেস্টারের ভরসার মর্যাদা রেখেছেন। গোল করে যেন সেটাই বুঝিয়ে দিলেন হামজা। নজির গড়া এই বাঙালি পুরনো দিনের স্মৃতি ঘেঁটে বলছিলেন, তাঁর অ্যাফ্রো স্টাইলের হেয়ারকাট সিলেটের অনেকেই পছন্দ করতেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের সঙ্গে তাঁর দারুণ জমত। তিনি বাংলা জানেন দেখেও অবাক হতেন অনেকে। সেই দিনগুলো এখনও তাঁর কাছে খুব স্পেশ্যাল। তাঁর কথায়, “ইংল্যান্ডে একটা বাধাধরা গতে বড় হতে হয়েছে। কিন্তু দেশে ফিরলে বাস্তবের সঙ্গে পরিচয় হয়।”

[আরও পড়ুন: মাঠের মধ্যেই আম্পায়ারের সঙ্গে বচসা শুভমান গিলের, রনজি ম্যাচে উত্তেজনা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.